Saturday, January 16, 2016

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১






আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমি আমার জীবনে এই প্রথম টিউন করসি। জানিনা কেমন লাগবে আপনাদের। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং জানাবেন। যাই হোক আপনাদের কাছে আমি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে ফোরাম পোস্টিং করতে হই।
প্রথমে আপনি যে কোন একটি ফরম এ যাবেন। ধরুন আমরা একটা ফোরাম http://www.adsenseforums.net/এই টাইতে গেলাম। এখানে আপনি প্রথমে একটা নতুন অ্যাকাউন্ট করুন। ইমেইল কনফার্ম করুন।এরপর লগইন করুন । নিচের পেজটার মত আসবে
এখানে আপনি অনেক গুলা টপিকস দেখতে পারবেন। এর মধ্যে “Introduction”  টপিকসটা খুজুন এবং ক্লিক করুন।
“Start New Topic” এ ক্লিক করুন ।
আপনি যেহেতু নতুন এই ফোরাম এ তাই এখানে কিছু লেখেন।
সাবমিট করুন ফোরামপোস্টিং হয়ে গেল। এইভাবে স্টার্ট করুন। এরপর বিভিন্ন টপিকস এর সম্পর্কে জানার বা বলার ইচ্ছা থাকলে পোস্ট করুন। এখন হচ্ছে আমাদের আসল কাজ। এই করে কি ভাবে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট প্রচার হবে। হ্যাঁ সেইটা এবার বলছি। আপনি এবার প্রোফাইল থেকে সেটিং এ যান।
এখান থেকে “Signature” বাটন এ ক্লিক করুন।
নিচের পেজটি আসবেঃ
এই বক্সে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর টাইটেল টি লিখুন।ধরুন টাইটেল"Entertainment World"। এখন এটা সম্পূর্ণ ব্লক করুন অথবা Ctrl+a চাপুন। নিচের ছবিটার মত দেখাবে।
এখানে উপরের টুলবার থেকে লিঙ্ক নামক একটা টুলবার পাবেন, ব্লক অবস্থাই লিঙ্ক নামক টুলবার এ ক্লিক করুন। তাহলে নিচের ছবিটার মত দেখাবেঃ
এখানে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর ঠিকানা দিন। এবং ওকে বাটন এ ক্লিক করুন। এবার নিচে সেভ বাটন এ ক্লিক করুন। হয়ে গেল আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর প্রচার। এখন দেখেন আপনি যখন কোন পোস্ট করবেন তখনি আপনার পোস্ট এর নিচে লিঙ্কটা শো করবে । নিচের ছবিটার মত দেখাবেঃ
হয়ে গেল আমাদের ফোরাম পোস্টিং ।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/116411

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২





আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। গত পোস্টে আমি আপনাদের কে একটা ফোরামে গিয়ে কিভাবে Signature করতে হই সেইটা দেখাইছিলাম। কিন্ত বড় কথা হচ্ছে সব ফোরামে Signature পাবেন না।তখন কি করবেন? চিন্তাই পড়ে গেছেন। কোন চিন্তা করার দরকার নেই।
কোন ফোরামে যাওয়ার আগে ফোরামের Privacy খুব মন দিয়ে পড়তে হবে। কোন ফোরামে Signature দেওয়া থাকবে আবার কোন ফোরামে Signature দেওয়া থাকবে না। কোন ফোরামের Privacy খুব মন দিয়ে পড়তে বলছি এই জন্য যে ফোরামের Privacy এর ভিতর দেওয়া থাকে যে আপনি ৫/৬/৭/৮/৯/১০..................টা পোস্ট দিলে আপনাকে Signature নামক অপশনটা দেওয়া হবে। আমি আপনাদের কে এই রকম একটা ফোরাম এর নাম বলছি http://forums.digitalpoint.com/  । এই ফোরামে গিয়ে পূর্ববর্তী ফোরামের মত কাজ করতে হবে।
গত ফোরামে ঠিক যে ভাবে করেছেন সেইভাবে পোস্ট করতে হবে। এভাবে ১০ টা পোস্ট হলে আপনাকে Signature নামক অপশনটা দিবে। তখন আপনি ও আপনার কাজটা সেরে ফেলুন। যেমন ভাবে পূর্ববর্তী ফোরাম এ করেছিলেন।
তা হলে আজ এই পর্যন্ত ।পরবর্তী টিউন এ কিছু পাওয়ার ফুল ফোরাম এর লিস্ট দেওয়া হবে। । আবার সামনে সপ্তাহে আসছি নতুন কিছু টিউন নিয়ে। আশা করছি টিউনগুল সবার ভালো লাগবে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/118850

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩




আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। এক সপ্তাহ পর পর লেখার কথা ছিল। কিন্তু কলেজ ছুটির জন্য বাসাই বেড়াতে গেছিলাম। আর এই জন্য লেখা হই নি। কলেজ আবার খুলছে এখন আবার নিয়মিত লিখব। যাই হোক ফোরাম পোস্টিং পর্বটা এই পর্বেই শেষ করতে চাইছিলাম। কিন্তু অনেকে একটা প্রশ্ন করছে। সেই জন্য সামনের পর্বে ফোরাম পোস্টিং শেষ হবে।
সবাই যে প্রশ্ন করছে যে ভাই ফোরাম এ গিয়ে আমরা অন্য একটি টপিকস সম্পর্কে জানব তখন কি করবো ?
আসলে এই টা খুবই সহজ। কিন্তু আপানারা এই টা একটুও নাড়ানাড়ি করেন নি। তাই পারছেন না। আমার পোস্ট টা যেহেতু সম্পূর্ণ নতুন দের নিয়ে লেখা। তাই তাদের সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়ে আমি আলোচনা করবো। আসল কথাই আসি। আমি নিচে স্ক্রীনশট দিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ দেখাচ্ছি।
আমারা প্রথম যে কোন একটা ফোরামে যাই। আমরা যে ফোরাম টা নিয়ে কাজ করছিলাম সেই ফোরামে যাই। http://www.adsenseforums.net/ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিই। অ্যাকাউন্ট ওপেন হওয়ার পর নিচের পেজটা আসবেঃ
এখানে অনেক গুলা টপিকস দেখা যাচ্ছে। আপনি মনে করেন অ্যাডসেন্স আরনিং সম্পর্কে জানবেন। তাহলে Adsense Keywords & Earningsনামক এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। নিচের পেজে মার্ক করে দেখানো হইছে।
এখন এখান থেকে নিউ টপিকস এ ক্লিক করুন । ধরুন টপিকস এ টাইটেল দিলাম "Adsense Earning" . এরপর এর সম্পর্কে কিছু লিখেন। নিচের ছবির মত দেখাবে।
এখন দেখুন আপনার পোস্ট টি শো করছে । এবং অন্যরা আপনার পোষ্টটি পড়ে সল্যুশন দিচ্ছে।
এভাবে আপনি যে টপিকস জানতে চাবেন । সেই টপিকস এ ক্লিক করুন এবং আপনার প্রবলেম শেয়ার করুন। আপনি যদি কোন টপিকস এর সম্পর্কে ভালো জানেন। টা হলে উত্তর দিন। আপনি যত উত্তর দেবেন তত আপনার সাইট টা প্রচার হবে। এভাবে করতে থাকেন দেখেন আপনার সাইট এ যেমন ট্রাফিক আসছে ঠিক তেমন গুগলে আপনার সাইট ও উঠতে থাকছে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/121214

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪


















আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। তবে বেশি একটা ভাল না,আমার মাথাই সমস্যা হইছে। দোয়া করবেন আমার জন্য যেন আপনাদের মাঝে আবার যেন সুস্থ ভাবে ফিরে আসতে পারি।
যাই হোক ১২ দিন পর আবার আজকে একটা নতুন টিউন লিখছি। আজকে আলোচনার তেমন কিছু নাই। তবে অনেকেই মাইক্রোওয়াকারস্ এর ফোরাম পোস্টিং জবের বিষয়টা লিখতে বলছেন। আমি লিখবো তবে মাইক্রোওয়াকারস্ এর সার্ভার এর সমস্যা হচ্ছে। লিঙ্ক সাবমিট করলে সাবমিট হচ্ছে না। এই জন্য লিখতে পারলাম না। তবে সমস্যার সমাধান হলে লিখবো। আর ফোরাম পোস্টিং এর একটি মারাত্মক টিউন আছে যেইটা এখন বললে কেহ করতে পারবে না (যারা নতুন তাদেরকে বলছি)। এর জন্য আগে লিঙ্কবিল্ডিং ভালো ভাবে জানতে হবে। তো আগে লিঙ্কবিল্ডিং সম্পর্কে আলোচনা করবো তারপর ফোরাম পোস্টিং এর সেই মারাত্মক পর্বটা লিখবো।
ওহ! একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা ভুলে গেছি। ৩-৪ জন আমাকে বলছিল ভাই ফোরাম গুলো পাব কিভাবে?
ভাল একটা প্রশ্ন করেছে। নতুনদের জন্য আসলে এই প্রশ্ন টা খুবই দরকার । উত্তরটা খুবই সহজ। গুগল মামা থাকতে আমাদের তো কোনরকমের সমস্যা থাকার কথা না। আপনার মনে যে ধরনের ফোরামে যেতে মনে চাবে সেই ধরনের ফোরামের নাম গুগল মামার বক্সে লিখে সার্চ দিলে হবে। মনে করেন আপনার এখন মনে চাচ্ছে স্টুডেন্ট ফোরামে যেতে । গুগলে যায়ে স্টুডেন্ট ফোরাম লিখে সার্চ দিলেই হবে। হাজার হাজার সাইট চলে আসবে। এই ভাবে বিভিন্ন ফোরামে যেতে হবে।
যাই হোক কথা দেওয়া ছিল আজ পাওয়ার ফুল কিছু ফোরামের লিস্ট দিব। নিচের লিঙ্কে ঢুকে অনেক গুলা ডুফলো পাওয়ার ফুল ফোরাম দেওয়া আছে। এখান থেকে নিতে পারবেন।
সামনের পর্বে গুগলে কিভাবে কি -ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিতে হই সেইটা শিখাব। এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু পরিচিতি দেখাব। যাই হোক আজ আর নই সামনের পর্বে আবার দেখা হচ্ছে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/124315

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৫] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৫] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা





আজকে আমি আপনাদেরকে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন জগতে ব্যবহৃত হয় এমন কিছু প্রয়োজনীয় শব্দের আলোচনা করব। যেগুলা জানলে আপনারা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে অনেকটা ধারনা হবে। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন মূলত ২ ভাবে ব্যবহৃত হই।
১) হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO)।
২) ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) আবার ২ প্রকারঃ (১) অনপেজ অপটিমাইজেশন।
(২) অফপেজ অপটিমাইজেশন।
যাই হক আজকে অনপেজ এর অফপেজ সম্পর্কে আলোচনা করব না। আজ হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এবং  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO) সম্পর্কে আলোচনা করব। নিচে সুন্দর ভাবে তুলে দিলাম।
**** ১) হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO): সার্চ ইন্জিনের গাইডলাইন বা নীতিমালা ভঙ্গ না করে যদি SEO করেন তাহলে এ ধরনের অপটিমাইজেশনকে বলে হোয়াইট হ্যাট এসইও।এসব গাইডলাইন বা নীতিমালার মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ন নীতিটি হচ্ছে ওয়েবসাইট মানুষের জন্য তৈরী করুন যা উপকারী,সার্চ ইন্জিনের জন্য নয়।অন্যান্য নীতিমালার মধ্যে আছে ব্যাকলিংক,লিংক পপুলারিটি,কিওয়ার্ড গবেষনা,লিংক বিল্ডিং ইত্যাদি।হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) কে এথিকাল এসইও (Ethical SEO) বলা যায়।  হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রান বলা যাই। 
ব্যাকলিংক (Backlink):অন্য একটা সাইটে আপনার সাইটের লিংক থাকলে এটা আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক।হতে পারে এই লিংক আপনার সাইটের হোমপেজ বা অন্য কোন পেজ এর লিংক।ব্যাকলিংক কে ইনকামিং লিংক বা ইনবাউন্ড লিংকও বলে। এটা হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এর মধ্যে।
আউটবাউন্ড লিংক (Outbound link):আউটবাউন্ড লিংক হচ্ছে ব্যাকলিংকের বিপরীত অর্থ্যাৎ অন্য সাইটের লিংক যদি আপনার সাইটে থাকে।আউটবাউন্ড লিংক কে আউটগোয়িং লিংকও বলে।এটা ও হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এর মধ্যে।
কিওয়ার্ডঃ কি ওয়ার্ড হল ইনডেক্স একটা শব্দ, বিষয় শব্দ, বিষয় শিরোনাম, বা তথ্য আহরণ মধ্যে বর্ণনাকারী। একটি শব্দ যে একটা ডকুমেন্টের বিষয়ের মূল captures. । আসলে মুল কথা হচ্ছে ছোট একটা শব্দের মধ্যে দিয়ে অনেক বড় জিনিষের সমাহার থাকে। এইটা আসলে মুখে ছাড়া লিখে ভাল ভাবে আপনাদের সামনে উপস্থাপনা করা আমার পক্ষে কষ্টকর হয়ে জাচ্ছে।
ইন্টারনাল লিংক (Internal Link): এটা হচ্ছে আপনার সাইটেই এক পেজে অন্য পেজের লিংক।এটা অত্যন্ত গুরত্বপূর্ন ।যেমন আপনার সাইট এ যদি ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল থাকে তাহলে একপেজ থেকে তারপরের পেজে যাওয়ার জন্য আগের পেজে এনকর টেক্সট দিয়ে লিংক দিবেন।এটা আপনার সাইটের ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করবে।এতে পেজর‌্যাংক বাড়ে।উইকিপিডিয়ার সাইটে দেখবেন প্রতি লাইনেই কতগুলি করে তাদেরই সাইটের লিংক থাকে।
কিওয়ার্ড ডেনসিটি (Keyword Density):একটা পেজে কোন একটা নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড কতবার ব্যবহৃত হয়েছে এটা কিওয়ার্ডটির ডেনসিটি।
লিংক পপুলারিটি (Link Popularity):এটা হচ্ছে একটা সাইটরে মান কিরকম তা নির্নয়ের জন্য,এটা কোয়ালিটি ইনবাউন্ড লিংকের (ব্যাকলিংক) উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।সার্চ ইন্জিনগুলি লিংক পপুলারিটির উপর ভিত্তি করে তাদের এলগরিদম তৈরী করে থাকে যে একটা সাইট সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে (SERP) কোথায় থাকবে।
গেটওয়ে বা ডুরওয়ে পেজ (Doorway page): এটা হচ্ছে এমন পেজ বানানো যেখানে খুব অল্প কয়েকলাইন থাকে আর এসব লাইনে শুধু কিওয়ার্ড থাকে ফলে সার্চ র‌্যাংকিং বাড়ে কিন্তু ইউজারদের জন্য তেমন কোন তথ্য থাকেনা।এই পেজে গেলে অন্য কোন পেজের লিংক থাকে বা রিডাইরেক্ট করে অন্য পেজে নিয়ে যায়।এটাকে এন্ট্রি পেজ,পোর্টাল পেজ,জাম্প পেজ,ব্রিজ পেজ ইত্যাদি বলা হয়ে থাকে।এ
****২) ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO): এটা হোয়াইট হ্যাটের বিপরীত অর্থ্যাৎ সার্চ ইন্জিগুলির দেয়া নিয়মানুযায়ী অপটিমাইজ করলেননা।ব্ল্যাক হ্যাট এসইও টেকনিকের মধ্যে আছে কিওয়ার্ড স্টাফিং,ক্লকিং,অদৃশ্য টেক্সক্ট ইত্যাদি।একে আনএথিকাল (Unethical SEO) এসইও বলা যায়।
ক্লকিং (Cloaking): এটা এমন একটা টেকনিক যেটা সার্চ ইন্জিনকে এক ধরনের কনটেন্ট দেখাবে আর ইউজারকে অন্যরকম কনটেন্ট দেখায়।এই পদ্ধতিটি তে যখন সার্ভারে কোন পেজের জন্য রিকোয়েস্ট যায় তখন আইপি এড্রেস বা ইউজার এজেন্ট দেখে বুঝে ফেলে এটা কোন সার্চ ইন্জিনের বট/ক্রাউলার/স্পাইডার/স্কুটার নাকি মানুষ।যখন দেখে স্পাইডার তখন এক ধরনের পেজ দেখায় আর মানুষ হলে আরেক ধরনের পেজ। এইটা  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
লিংক ফার্ম (Link farm): লিংক ফার্ম হচ্ছে বেশ কিছু ওয়েবসাইট খুলে প্রতিটি সাইটের লিংক প্রতিটি সাইটে দেয়া।ফলে প্রতিটি সাইটের ব্যাকলিংক বৃদ্ধি পেল।এসব ধরা পরলে আপনার সাইটকে স্পামডেক্সিং এ গগনা করবে।
স্পামেডেক্সিং হচ্ছে সার্চ ইন্জিন আপনার সাইটকে এমনভাবে চিহ্নিত করবে যেন আপনি তাদের দেয়া গাইডলাইন ভঙ্গ করেছেন।আপনার সাইটকে যদি সার্চ ইন্জিন স্পামডেক্সিং করে ফেলে তাহলে আপনার পুরো SEO ব্যর্থতায় পর্যবশিত হল।বিভিন্ন কারনে আপনার সাইটকে স্পামডেক্সিং করতে পারে যেমন লিংক ফার্ম করলে,কিওয়ার্ড স্টাফিং করলে,ডুরওয়ে (Doorway pages) পেজ বানালে,ক্লকিং, সোজা কথা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করলে।
কিওয়ার্ড স্টাফিং (Keyword Stuffing):এটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও'র অংশ।ইউজার যেসব কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দিতে পারে এধরনের কিওয়ার্ডগুলি দিয়ে পেজ ভর্তি করা অর্থ্যাৎ কিওয়ার্ড ওভারলোডিং।অনেকসময় ইনপুট ট্যাগে hidden এট্রিবিউট দিয়ে এধরনের কিওয়ার্ড ঢুকিয়ে দেয় ফলে ইউজারের কাছে এসব টেক্সট অদৃশ্য থাকে আর সার্চ ইন্জিনকে এসব পড়তে হয়।আবার পেজের রং যা আছে টেক্সটের রংও তাই করে দেয় ফলে ইউজার দেখতে পারেনা কিন্তু সার্চ ইন্জিন দেখে।কিওয়ার্ড স্টাফিংকে অনেক সময় কিওয়ার্ড লোডিং বলা হয়।এইটা  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
*** ট্রাফিক (Traffic): কোন সাইট কত ভিজিট হচ্ছে এটা হচ্ছে সেই সাইটের ট্রাফিক।কোন সাইটের ট্রাফিক বাড়ছে অর্থ্যাৎ সেই সাইটের ভিজিট বাড়ছে। এই টা কেই ট্রাফিক বলে। অনেকে ট্রাফিক বললে বুজতে পারে না। অবশ্য আমি ও এক সময় বুঝতাম না (হা হা হা হা হা হা)।
আজকে আমরা অনেক কিছু শিখে ফেললাম। আশা করি সবার কাজে লাগবে। এই টা হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর বেসিক। তাই এই বেসিক সম্পর্কে ধারনা না থাকলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখা কনভাবে সম্ভব না। আগামী পর্বে কি ভাবে গুগলে কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিতে হই সেইটা শেখাব।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/128210

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৬] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা-০২

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৬] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা-০২





আর আমি আপনাদের সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে যতটুকু দেওয়ার প্রয়োজন তততুকু দেওয়ার চেষ্টা করব। আজকের আলোচনার বিষয় বস্তু কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজ কম, কিন্তু এইটার আলোচনার বিষয় বস্তু অনেক বেশি। আজকে ভাবছিলাম গুগলে কিভাবে সার্চ দিতে হই সেইটা শিখাব। কিন্তু এই টা যদি আগে শিখাই আপনারা কিছু বুঝতে পারবেন না ( নতুন দের জন্য), কারন আপনাদের কে আগে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর মূল বেজটা ধরতে হবে। এরপর সার্চ সম্পর্কে আলোচনা। আজকে মূলত আলোচনা করব অনপেজ অপটিমাইজেশন এর অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে।
  • অনপেজ অপটিমাইজেশন কি ?

অনপেজ আসলে কোন একটি ওয়েব সাইট এর মধ্যে যে অপটিমাইজেশন করা হই, সেইটা হল অনপেজ অপটিমাইজেশন । বিষয়টা এমন যে যখন কোন ওয়েব সাইট এর ডিজাইন করা হই তখন এর ভিতরে কিছু সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজ করতে হই,এই কারনে করতে হই যে সার্চ ইঞ্জিন যেন আমার সাইট টা খুজে পাই। এখন কিন্তু বিষয়টা আমি পরিষ্কার করে দিলাম। যদি ও একটু বুঝতে কষ্ট হবে আমি জানি, তারপর ও বলছি আরও ২-৩ টা ব্লগ পড়েন। একেবারে পরিষ্কার হয়ে যাবেন সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর অনপেজ সম্পর্কে । আমি যখন কাজ দেখাব তখন একেবারে পানির মত পরিষ্কার হয়ে যাবে।
  • অফপেজ অপটিমাইজেশন কি ?

অফপেজ অপটিমাইজেশন অনপেজ অপটিমাইজেশন এ কে ফলো করে। এর মানে সাইট যত বেশী ভিজিট হয় তার মূল্য সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তত বাড়ে। তাই বিভিন্ন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে একটি সাইটের ভিজিট বাড়ানো অফপেজ অপটিমাইজেশনের মধ্যে পড়ে। আমি অবশ্য ভাল সংজ্ঞা দিতে পারি না। কিন্তু বুঝানর চেষ্টা করি। আশা করি অনপেজ এর অফপেজ সম্পর্কে আপনাদের বুঝাতে সক্ষম হব। আর না বুঝাতে পারলে গালি দিয়েন না।
যাই হোক এখন অনপেজ অপটিমাইজেশন আর অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। অনপেজের অপটিমাইজেশন জন্য আর অফপেজের অপটিমাইজেশন জন্য কি কি করা লাগে সেই সম্পর্কে কিছু বলব।

অনপেজ অপটিমাইজেশনঃ

অনপেজ অপটিমাইজেশন হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এইটার ব্যবহার যদি কোনরকম ত্রুতি হই তাহলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট খুজে বের করতে হেল্প করবে না। তাই এইটার ইউটিলাইজ করতে হবে সঠিকভাবে। অনপেজের মধ্যে যে বিষয় গুলা বিদ্যমান। নিচে দেওয়া হল।
  1. কি- ওয়ার্ড রিসার্চ,
  2. কনটেন্ট,
  3. মেটা ট্যাগ এবং মেটা ডিস্ক্রিপশন,
  4. গুগল সাইট ম্যাপ,
  5. XML সাইট ম্যাপ । আরও বেশ কিছু আছে। কিন্তু এই গুলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই কইটা জিনিস জানতে পারলে অনপেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য আর কিছুর প্রয়োজন নেই।

 অফপেজ অপটিমাইজেশনঃ

অফপেজ অপটিমাইজেশন প্রচুর পরিমানে ট্রাফিক বা ভিজিটর এবং সাইট কে সার্চ ইঞ্জিন এর উপরে আনার জন্য সাহায্য করে। এই জন্য অফপেজ অপটিমাইজেশন এর গুরুত্ব টা এত বেশি।অফপেজ অপটিমাইজেশন এর মধ্যে রয়েছে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনপেজ অপটিমাইজেশন হচ্ছে সাইট যখন নতুন তখন এর গুরুত্ব অনেক বেশি, কিন্তু সাইট যখন পুরান হয়ে যাই তখন অফপেজ অপটিমাইজেশন ছাড়া সাইট একেবারে অচল। এখন দেখি অফপেজ অপটিমাইজেশন এর মধ্যে কি আছে।
  1. ব্যাক লিঙ্কিং,
  2. আর্টিকেল রাইটিং,
  3. অ্যাংকর টেক্সট,
  4. ব্লগ কমেন্ট,
  5. ফোরাম পোস্টিং,
  6. সোশ্যাল বুকমারকিং,
  7. ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং ,
  8. আর্টিকেল সাবমিশন,
  9. ডিরেক্টরি সাবমিশন,
  10. লিঙ্ক হুইল,
  11. লিঙ্ক এক্সচেন্জ ,
  12. RSS সাবমিশন,
  13. Review Site সাবমিশন,
  14. Classified সাবমিশন,
  15. সার্চ ইঞ্জিন সাবমিশন,
  16. প্রোফাইল পোস্টিং,
  17. CSS  সাবমিশন,
  18. ভিডিও পোস্টিং,
  19. ইমেজ পোস্টিং,
  20. পিডিএফ সাবমিশন ।
আরও আছে। অনেক গুলা আছে আমার লিস্টে।এত দরকার নেই আমদের। সব যদি জানাই দেই তাইলে ত কেউ এর আসবে না আমার কাছে জিজ্ঞেস করতে। হা হা হা হা হা। আশা করি যত গুলা লিস্ট দিছি কেউ কোনদিন আপনাদের সামনে এসে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না। আরও যখন কাজ দেখাই দেব, গ্যারান্টি দিলাম বাংলাদেশের কোন সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজার আপনার সাথে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা রাখবে না। আমারে এত কিছু জানানোর জন্য আমার গুরু শ্রদ্ধেয় বিপ্লব স্যার এর কথা যদি না বলি আমার মনে হই সবচেয়ে বড় পাপ হবে। আমি তার কাছে সারাজিবন কৃতজ্ঞ থাকব। আমার লাইফ টা সে পরিবরতন করে দিছে। যাই হোক পার্সোনাল কিছু কথা বলে ফেললাম। আমি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর উপর প্রাই ২০-২২ টা বাংলা ব্লগ পড়েছি। কিন্তু আমি যে ভাবে সাজিয়ে আপনাদের কে দিচ্ছি কোন ব্লগে এই ভাবে সাজিয়ে দেই নি, শুধু সাজিয়ে না কোন প্রকার বিস্তারিত পাই নি। আমি যে ৬ টা টিউন করছি, আপনারা যদি এই ৬ টা টিউন ভাল ভাবে পড়েন থাকেন তাহলে আপনারা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে ১০% জেনে গেছেন।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/129180

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৭] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০১

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৭] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০১





 আজ আমি কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে আলোচনা করব। কি- ওয়ার্ড রিসার্চ টা কি জিনিস পূর্বে একটা টিউনে আমি বলে দিছি। এখন আসলে আমাদের জানার দরকার কি- ওয়ার্ড কোথায় কোথায় ব্যবহার করতে হই। কি- ওয়ার্ড এর গুরুত্ব কত ? এই সব বিষয় গুলা আগে জানতে হবে।
কি- ওয়ার্ড গুরুত্বঃ
কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে জানার আগে আপনি আমাকে বলেন কেন আপনি এস ই ও করবেন ? কেন আপনি এস ই এম করবেন ? এক কথাই কেন আপনি আপনার সাইট এর জন্য অ্যাডভারটাইজিং করবেন ? উত্তর দিবেন ভিজিটরের জন্য তাই ত। আসলে উত্তর সঠিক। এত কষ্ট করা সুধু সাইট প্রচুর পরিমানে ভিজিটরের আনার জন্য। আর প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আসলে আপনার ইনকাম ও বাড়তে থাকবে। সবচেয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর দেই সার্চ ইঞ্জিন। আর সার্চ ইঞ্জিন এ মানুষ তাদের নিজস্ব একটা কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেন। এখন কিছুটা মনে হই বুঝতে পারছেন কি- ওয়ার্ড এর গুরুত্ব কততুকু। আরও একটু বলি তাহলে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব টা বুঝতে পারবেন।
ধরুন আপনার একটা ওয়েব সাইট আছে, সাইট টা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে। এখন মানুষ আপনার সাইট এ আসার জন্য সার্চ ইঞ্জিন এ কি Entertainment World লিখে সার্চ দিবে । কখন দিবে না, সে হইত সার্চ দিতে পারে, Earn For Online, Make Money Online, Online earn Tips ইত্যাদি। সুতরাং তারা একটা রিলেটিভ কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিবে। এখন আপনার কাজ হচ্ছে আসলে আমার সাইট টা ত অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে । আপনি চিন্তা করেন মানুষ অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে সার্চ ইঞ্জিন এ কি লিখে সার্চ দিতে পারে। আর আপনার চিন্তা সঠিক কি না সেইটা সম্পর্কে রিসার্চ করা কে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ বলে। আর এই কি- ওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য কত গুলা সাইট আছে যারা আপনার কি- ওয়ার্ড আর খুঁটিনাটি সব কিছু জানাতে হেল্প করে। এতে করে সুবিধা হবে আপনার। আপনি একটা সঠিক কি- ওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন। আর সেই কি- ওয়ার্ডকে সঠিক ভাবে ইউটিলাইজ করতে পারলে আপনার সাইট পাওয়ার ফুল। আপনার সাইট পাওয়ার ফুল ত আপনি ও পাওয়ার ফুল। এখন হইত ক্লিয়ার ভাবে বুঝতে পারছেন কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে।
কি-ওয়ার্ড রিসার্চ আসলেই কতটা জরুরী ও গুরুত্তপূর্ণ একটি বিষয় তা হইত আপনাদের বুঝাতে পারব না। আপনার কি- ওয়ার্ড রিসার্চ যদি সঠিক না হই তাহলে আপনার সাইট ফ্লপ খাবে। দেখবেন সার্চ ইঞ্জিন এ প্রথমে আপনার সাইট কিন্তু ভিজিটর নেই। এই জন্য সর্ব প্রথম কি- ওয়ার্ড রিসার্চ আর উপর গুরুত্ব দিতে হবে।
কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর জনপ্রিয় ২ টি সাইট আর নাম দিলাম। আজ কাজ দেখাব না পরবর্তী টিউনে আল্লাহ্‌ বাচাই রাখলে কাজ দেখাব।
১। Google Adwords  Keyword Tool –  https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal
২। Wordtrackerkeyword suggestion tool -- https://freekeywords.wordtracker.com/
কি- ওয়ার্ড এর ব্যবহারঃ কি- ওয়ার্ড কোথায় কোথায় ব্যবহার করতে হয় নিচে দিয়ে দিলাম। জিনিস গুলা মনে রাখেন। সাড়া জীবন কাজে লাগবে। এস ই ও নিয়ে যতক্ষণ আছেন কি- ওয়ার্ড ততক্ষন আছে আপনার সাথে। এই জন্য কি- ওয়ার্ড কে গুরুত্ব দিতে হবে।
১) ডোমেইন এর নামঃ আপনার সাইট এর নাম কি হবে এইটার উপর নির্ভর করে অনেক কিছু। সাইট এর নাম যদি একজন ভিজিটর এসে না মনে রাখতে পারে তাহলে সেই সাইট বানানোর কোন যুক্তি আসে না। এর এমন নাম দিতে হবে যেন আপনার সাইট এর টপিকস রিলেটেড হই। সার্চ ইঞ্জিন প্রথম সার্চ করার সময় ডোমেইন ইউ আর এল (Domain URL) সার্চ করে। এই জন্য ডোমেইন নাম এর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। ডোমেইন নাম জন্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ বড় একটা ফ্যাক্টর।
২) ওয়েব সাইট এর টাইটেলঃ সাইট এর টাইটেল এর জন্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ সেইরকম গুরুত্ব। আপনার সাইট এর টাইটেল যদি সঠিকভাবে ব্যবহার না করতে পারেন তাহলে কপালে অনেক বড় দুঃখ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। এই জন্য সাইট এর টাইটেলটার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে কঠিন আকারে। টাইটেলে ২ টি সুবিধা একটি সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট খুজে বের করতে পারে আর একটি ভিজিটর আসে যাতে আপনার সাইট আর গুড ফিডব্যাক দিতে পারে। আর এই জাইগাই ভিজিটর আর গুড ফিডব্যাক হচ্ছে আপনার জন্য পজিটিভ। যখন ভিজিটর গুড ফিডব্যাক দিচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন আপনারে আরও উপরে উঠতে সাহায্য করবে। এই জন্য টাইটেল টার প্রতি নজর রাখতে হবে। টাইটেল নির্বাচন এর ক্ষেত্রে একটা অঙ্ক আছে, যেইটা বলব না। বললে ত সব জেনে যাবেন। হা হা হা হা। যাই হোক পরবর্তী টিউনে লিখব অঙ্ক টা।
৩) আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রেঃ আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড বড় একটা ভুমিকা পালন করে। প্রতি ১০০ ওয়ার্ড এ মিনিমাম+মাক্সিমাম ৩ বার কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এতে করে আপনার পোস্ট+সাইট এর জন্য উপকার হই। আমি যে টিউনটা টা লিখলাম আজ,(সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৭] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০১ ) এই পোস্ট টা তে দেখেন আমি কতবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি। ১-২ দিন পর বাংলাই গুগলে কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ দিবেন দেখবেন আমার পোস্ট টা গুগল এর প্রথম পাতাই ১-৩ এর মধ্যে আছে। একটাই কারন দেখেন আমি এই আর্টিকেল আমি অনেকবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি।আমি হাইলাইট করে দিছি কি-ওয়ার্ড গুলা। এই জন্য আর্টিকেল লেখার সময় পোস্ট টা যে বিষয় নিয়ে লেখা সে বিষয়ের উপর এবং সাইট এর মূল যে কি-ওয়ার্ড আছে সেইটার উপর কিছু কি-ওয়ার্ড দিতে হবে। তবে অবশ্যই ১০০ ওয়ার্ড এ ৩ টা কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
৪) মেটা ট্যাগের ক্ষেত্রেঃ মেটা ট্যাগ নিয়ে পরবর্তীতে একটা টিউন হবে। যারা জানেন না মেটা ট্যাগ কিভাবে দিতে হই। শিখাই দিব। সুধু এইটুকু জেনে রাখুন কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হই মেটা ট্যাগে।কোথায়, কি ভাবে করতে হই হই জানাই দেব।
এই কই ক্ষেত্রে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার হই। আরও কিছু ক্ষেত্রে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার হই। যেইটা আসলে আপনাদের এখন বুঝানো কষ্টকর। যাই হোক এই ৪ টি ক্ষেত্রে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ৪ টি জাইগাতে কি-ওয়ার্ড গুলা ভাল ভাবে ইউটিলাইজ করতে পারলে সাইট সুপার হিট। আজ আর লিখতে মন চাচ্ছে না। আবার পরবর্তী টিউনে দেখা হবে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/132083

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৮] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০২

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৮] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০২






 আমরা আমাদের মুল আলোচনাতে চলে যাই। অনপেজ সম্পর্কে আমি আলোচনা করছিলাম। অনপেজের প্রান বলেন বা এস ই ও এর প্রান বলেন, কি- ওয়ার্ড রিসার্চ   হচ্ছে মুল। অনলাইনের প্রান হচ্ছে এস ই ও আর এস ই ও এর প্রান হচ্ছে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ। তাই কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে খুব ভাল ভাবে জানতে হবে। কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব আমি পূর্বের  টিউনে আলোচনা করছি। আজ দেখাব কিভাবে একটি সফল কি- ওয়ার্ড রিসার্চ করা যাই। কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর আলোচনাতে আসতে গেলে প্রথমে ণিচের (Niche) এর আলোচনা করতে হই।
Niche হচ্ছে আমি কোন বিষয়ের উপর আমার সাইট টা লিখব। Niche সিলেক্ট একটা অনেক বড় চিন্তার বিষয়। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কোন বিষয়ের উপর সার্চ হচ্ছে সেই চিন্তা ভাবনা করে Niche সিলেক্ট করতে হবে। এক কথাই বলা যাই যে, বর্তমানে ভিজিটরদের চাহিদা কোন বিষয়ের উপর। এইটার উপর একটু রিসার্চ করতে হবে। নিজে যদি কনফিউজ হয়ে যান। তাহলে আপনার মনে যেইটা সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করছে সেইটা সম্পর্কে রিসার্চ করা হচ্ছে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ। আমরা Niche  সম্পর্কে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। এখন আমি কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর কিভাবে করতে হবে সেইটা দেখাব।
স্টেপঃ ১
এই লিঙ্কে https://adwords.google.com/o/KeywordTool  চলে যান, নিচের পেজের মত দেখতে হবে।
স্টেপঃ ২
মনে করেন আপনি অনলাইন ইনকাম (Online Income) এর এই কি- ওয়ার্ড টা সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে নিচের পেজটার মত ঘর গুলা পুরন করেন। আমি মার্ক করে দেখাই দিছি।
এখানে আপনি ক্যাটাগরি দিতেও পারেন আবার নাও পারেন। না দিলে কোন অসুবিধা নেই।
স্টেপঃ ৩
এবার সার্চ (Search) বাটনে ক্লিক করুন। দেখুন নিচের পেজটার মত দেখাবে।
লক্ষ্য করুন এখানে কিন্তু আপনার কি- ওয়ার্ড এর ৩ টি বিশ্লেষণ দেওয়া আছে।
১) এই কি- ওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কেমন ? ২) প্রতি মাসে কি পরিমান গ্লোবাল সার্চ দেওয়া হয় ৩) লোকাল সার্চ কি পরমান দেওয়া হয় ?
Online Income এর কম্পিটিশন মিডিয়াম। তার মানে খুবই পাওয়ার ফুল একটা কি- ওয়ার্ড। কারন কম্পিটিশন হয় ৩ ভাবে লো, মিডিয়াম, হাই। এই টা মিডিয়াম তার মানে এই কি- ওয়ার্ড এ প্রচুর ভিজিটর আসে। আমরা দেখছি ২৪৬,০০০ জন ভিজিটর প্রতিমাসে সার্চ দেই। আপনি একটু চিন্তা করেন যদি আপনার সাইট ১ নাম্বারে থাকে তাহলে প্রতি মাসে আপনার সাইট এর একটা কি-  ওয়ার্ড এর জন্য ভিজিটর আসবে ওই পরিমান। আর সাইট এ যখন ভিজিটর আসবে প্রচুর তখন ইনকাম ও আসবে সেই পরিমান। এই রকম যদি আপনি ২ টা কি- ওয়ার্ড কে আপনি সার্চ ইঞ্জিন এর ১ নাম্বার পজিশনে আনতে পারেন। তাহলে প্রতি মাসে আপনার সাইট এর ভিজিটর আসবে কি পরিমান এইটা আপনি ভাবেন। তাই আমি আপনাদেরকে বলব সাইট এ কাজ করার পূর্বে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব বা প্রাধান্য দিতে হবে আগে।
দেখেন আপনার মুল কি- ওয়ার্ড এর পাশাপাশি রিলেটেড আর ও কিছু কি- ওয়ার্ড দেওয়া আছে। আপনি ইচ্ছা করলে সেখান থেকে ও কি - ওয়ার্ড চুজ করতে পারেন। এই ভাবে একটা কি- ওয়ার্ড এর উপর বিভিন্ন ধরনের বিশ্লেষণ করা যাই। এতে আপনার সঠিক কি- ওয়ার্ড বাছাই করতে সুবিধা হবে। এবং পরিপূর্ণ একটা সমাধান পাবেন। আমরা "ফ্রেন্ডস প্লাস" এর টিম অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতেছি এই কি -ওয়ার্ড উপর। কি- ওয়ার্ড টা বুঝতেই পারছেন কত পরিমান পাওয়ার ফুল। 
source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/137262

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৯] :: লিংকবিল্ডিং [ অফপেজ এস ই ও]

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৯] :: লিংকবিল্ডিং [ অফপেজ এস ই ও]





আমি আজকে লিঙ্কবিল্ডিং সম্পর্কে আলোচনা করব। লিঙ্কবিল্ডিং হচ্ছে অফপেজ এস ই ও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অনপেজ অপটিমাইজেশন এ যেমন কি-ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব বেশি। ঠিক অফপেজ অপটিমাজেশনে লিঙ্কবিল্ডিং এর গুরুত্ব তেমন। তাই লিঙ্কবিল্ডিং সম্পর্কে খুব ভাল ভাবে জানতে হবে। আমি আজকে লিঙ্কবিল্ডিং সম্পর্কে । লিঙ্কবিল্ডিং শব্দ টা শুনতে বুঝা যাচ্ছে যে, কোন সাইট এর জন্য লিঙ্ক করা। আর এই লিঙ্কটা বিভিন্ন ভাবে ভিন্ন ভিন্ন ওয়েতে করাকে লিঙ্কবিল্ডিং বলে। লিঙ্কবিল্ডিং আর ভাল সংজ্ঞা আমার জানা নেই। তবে আমার মনে হয় আর থেকে ক্লিয়ার সংজ্ঞা হইত হবে না। যাই হোক লিঙ্কবিল্ডিং কি জিনিস আমরা বুঝতে পারলাম।
এখন বলব কিভাবে এই লিঙ্ক গুলা করতে হয় অর্থাৎ লিঙ্কবিল্ডিং আর জন্য কতগুলা ওয়ে আছে সেই বিষয় গুলা নিয়ে আলোচনা করব আজ। লিঙ্কবিল্ডিং যে ওয়ে গুলার মাধ্যমে করতে হয় সব ক্ষেত্রে কি - ওয়ার্ড আর ব্যবহার রয়েছে। তাই সর্ব প্রথম সেই কি - ওয়ার্ড কে গুরুত্ব দিতে হবে। আমি নিচে সুন্দর ভাবে বিস্তারিত আলোচনা করলাম।
ব্যাকলিংক (Backlink):অন্য একটা সাইটে আপনার সাইটের লিংক থাকলে এটা আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক।হতে পারে এই লিংক আপনার সাইটের হোমপেজ বা অন্য কোন পেজ এর লিংক।ব্যাকলিংক কে ইনকামিং লিংক বা ইনবাউন্ড লিংকও বলে। এটা হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এর মধ্যে।ব্যাকলিংক করতে হই ২ ভাবে। একটা অ্যাংকর টেক্সট এর মাধ্যমে। আর একটা বিবি কোডের মাধ্যমে।
আউটবাউন্ড লিংক (Outbound link):আউটবাউন্ড লিংক হচ্ছে ব্যাকলিংকের বিপরীত অর্থ্যাৎ অন্য সাইটের লিংক যদি আপনার সাইটে থাকে।আউটবাউন্ড লিংক কে আউটগোয়িং লিংকও বলে। আউট বউন্ড লিঙ্ক আপনার সাইটের এক্সটারনাল লিঙ্ক হিসাবে গণ্য হয়। এটার ব্যাবহার আসলে বিভিন্ন ভাবে হয়ে থাকে। তবে আউট বাউন্ড লিঙ্ক সম্পর্কে আমরা পরে বিস্তারিত আলোচনা করব।
ইন্টারনাল লিংক (Internal Link): এটা হচ্ছে আপনার সাইটেই এক পেজে অন্য পেজের লিংক।এটা অত্যন্ত গুরত্বপূর্ন ।যেমন আপনার সাইট এ যদি ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল থাকে তাহলে একপেজ থেকে তারপরের পেজে যাওয়ার জন্য আগের পেজে এনকর টেক্সট দিয়ে লিংক দিবেন।এটা আপনার সাইটের ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করবে।এতে পেজর‌্যাংক বাড়ে।উইকিপিডিয়ার সাইটে দেখবেন প্রতি লাইনেই কতগুলি করে তাদেরই সাইটের লিংক থাকে।
ব্লগ কমেন্ট (Blog Comment): ব্লগ কমেন্টের মাধ্যমে আপনি লিংক তৈরি করতে পারেন। তবে আপনি এখানে কি- ওয়ার্ড প্রক্রিত মূল্য পবান না। কারন এখানে সুধু সাইট এর লিংক টা বিবেচনা করা হয়। নতুনদের হইত বুঝতে কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই। কাজ দেখাই দিলে পানির মত সোজা মনে হবে। তাই চিন্তা করার কোন কারন নেই।
ফোরাম পোস্টিং (Forum Posting): লিংক বিল্ডিং এর একটা গুরুত্বপূর্ণ ওয়ে হচ্ছে ফোরাম পোস্টিং । ফোরাম পোস্টিং এর মাধ্যমে ৩ টা উপকার হই একটা হচ্ছে আপনার সাইট এর ওরিজিনাল লিংক দিতে পারেন, দ্বিতীয় টা হচ্ছে আপনি আপনার কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করে ব্যাক লিংক করতে পারেন। তৃতীয় টা হচ্ছে আপনি পোস্টের মাধ্যমে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আনতে পারেন। যে সব ফোরামে প্রচুর ভিজিটর আসে সেই ফোরাম গুলাতে কাজ করলে প্রচুর পরিমানে লাভ হয়। জার স্বয়ং প্রমান আমি নিজে। আমার সাইট এর জন্য মারাত্তক একটা হাই কম্পিটিশনের কি- ওয়ার্ড চয়েজ করলাম। এবং প্রচুর পরিমানে ফোরাম পোস্টিং করলাম। আমার সাইট মাত্র ১৫ দিনে গুগলের ২ নম্বর পেজে চলে আসছে। তাহলে বুঝতে পারছেন ফোরাম পোস্টিং এর গুরুত্ব কত।
ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং (Yahoo Answer Back linking): সাইট এ যে বিষয়ের উপর ইয়াহু এন্সার এ যেয়ে সেই ধরনের রিলেটিভ প্রশ্ন খুজে সাইট এর লিংক দেওয়া এটা হচ্ছে ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং । এইটা থেকে প্রচুর ভিজিটর গেইন করা যাই। এইটার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু বেশি একটা না। না দিলেও চলে। তবে যারা প্রতি মাসে হিউজ ভিজিটর গেইন করতে চান তাদের জন্য ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং জরুরী।
লিঙ্ক হুইল(Link Wheel): লিংক হুইল হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফ্রী ব্লগে আর্টিকেল লিখে টার ভিতর নিজের সাইট এর একটা কি- ওয়ার্ড কে লিংক করে দেওয়া হচ্ছে লিংক হুইল। আর্টিকেল লিখতে হবে নিজের সাইট রিলেটেড। সাইট এর সাথে আর্টিকেল অবশ্যই সম্পৃক্ত থাকতে হবে। আমি আগেই বলে দিছি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ ওয়ার্ড অবশ্যই ৩ টি কি - ওয়ার্ড থাকতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে নিজের সাইট এর যে মেইন কি- ওয়ার্ড আছে সেই কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। ধরুন ৫০০ ওয়ার্ড এর একটি আর্টিকেল আপনি লিখলেন। টার ভিতর ১৫ টা কি -ওয়ার্ড ব্যবহার করলেন। আপনি যে কোন একটি কে আপনার সাইট এর লিংক হিসেবে ব্যবহার করলেন বাকি ১৪ টাকে হাইলাইট করে দিবেন। এটাই হচ্ছে লিংক হুইল।
লিঙ্ক এক্সচেন্জঃ লিঙ্ক এক্সচেন্জ হল সবচেয়ে পাওয়ার ফুল লিংক। আপনি একটি সাইট এ আপনার লিংক দিলেন। বিনিময়ে আপনি ওই সাইট এর লিংক প্রচার করলে।এতে করে আপনার খুব তাড়াতাড়ি পেজ রাঙ্ক পেতে সাহায্য করবে। অনেক সময় দেখা যাই উচ্চ পেজ রাঙ্কের সাইট এ আপনার সাইট এর লিংক দিতে গেলে ডলার দিতে হয়। এই টা হচ্ছে লিঙ্ক এক্সচেন্জ।
আজকে লিংক বিল্ডিং সম্পর্কে আলোচনা করলাম। পরবর্তীতে যদি লিখি তাহলে এই গুলা কিভাবে করতে স্কিনশট দিয়ে দেখাই দিব। আমি আজকে মেটা ট্যাগ সমপ্রকে লিখতে চাইছিলাম। কিন্তু সবাই বলল লিংক বুলদিং সম্পর্কে লিখতে। এই জন্য লিখলাম।
সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মত শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/139775

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১০] :: ব্যাকলিংক [ অফপেজ এস ই ও]

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১০] :: ব্যাকলিংক [ অফপেজ এস ই ও]







যাই হোক আমরা অফপেজ নিয়ে শুরু করছিলাম। অনপেজ শিখানো বন্ধ করে দিছি যে আপনরা যারা নতুন তাদের বুঝতে কষ্ট হবে। প্রথমে অফপেজ শেষ করে তারপর অনপেজ ধরব। তাহলে অনপেজ টা আপনাদের পানির মত সুজা মনে হবে। অফপেজ এর ১ টা জিনিস নিয়ে আলোচনা করা হয়ে গেছে। সেইটা হল ফোরাম পোস্টিং।
আজকে ২ নম্বর বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করব। আজকের বিষয় হল ব্যাকলিংক। সবাই নিশ্চয় এই ব্যাকলিংক বাক্যটার সাথে পরিচিত আছেন। এর অপর নাম হচ্ছে ইনবাউন্ড লিংক।ব্যাক লিংক মূলত অন ওয়ে লিংক বলা হয়। যাই হোক যখন লিংক সম্পর্কে এর ও বিস্তারিত বলব তখন লিংক এর সব বিষয় গুলা জানতে পারবেন। তবে আমি এখন কিছু নাম বলছি লিঙ্কেরঃ
১)ইনবাউন্ড লিংক,
২) ইন্টারনাল লিংক,
৩) এক্সটারনাল লিংকঃ-১) রিসিপ্রকাল লিংক, ২) অন ওয়ে লিংক।
একটা সাইট এর জন্য ব্যাকলিংক হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ব্যাকলিংক যত হবে সাইট তত গুগলের কাছে পরিচিত হবে। গুগলের কাছে পরিচিত হলে আপনার সাইট ও উঠতে থাকবে উপরে। গুগল যখন সার্চ দেয় কেউ। তখন গুগল ব্যাকলিংক এর উপর একটা গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ব্যাকলিংক এই ক্ষেত্রে মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। একটা সাইট আর যত বেশি ব্যাকলিংক থাকে তার পাওয়ার টা সেই পরিমান থাকে। ব্যাকলিংক টা করলে আরও একটা জিনিস হয় সেইটা হল আপনার সাইট এর কি- ওয়ার্ড টাকে আরও বেশি পাওয়ার ফুল করে তোলা যায়। গুগল যখন আপনাকে পেজ রেংক দেয় তখন একটা বিষয় বিবেচনা করে যে আসলে সাইট টা কততুকু পাওয়ারফুল। তখন গুগল চেক করবে আপনার ব্যাক লিংক। যদিও পেজ রেংক ব্যাকলিংক জন্য এত পাওয়ার না। তারপর ও এটাকে ধরা হয়।
ব্যাকলিংক এর গুরুত্ব কততুকু আসলে বলে বুঝান কষ্ট। যখন আপনি সরাসরি প্রাকটিকালে কাজ করবেন, তখন বুঝতে পাড়বেণ এইটার মূল্য কত টুকু। আপনার সাইট কে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য ব্যাকলিংক এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। ব্যাকলিংক এর মধ্যে সবচেয়ে পাওয়ারফুল লিংক হচ্ছে আপনি যদি ডু- ফলো রিলেটিভ লিংক উচ্চ পেজ রেংকের করতে পারেন । তাহলে অন্য ব্যাকলিংক ৫০ টা করলে যে পরিমান লাভ হবে এই ব্যাকলিংক ১ টি করলে সেই পরিমান লাভ হবে। তবে আপনি যত ব্যাকলিংক বাড়াতে পারবেন আপনার তত পরিমান লাভ হবে।
যাই হোক ব্যাকলিংক এর গুরুত্ব কি পরিমান আমি মনে হয় বুঝাতে পারছি। এখন ব্যাকলিংক কিভাবে করতে হয় তাই শিখাব। ব্যাকলিংক করার জন্য ২ টা কোড ব্যবহার হয়। একটা কে বলে এইচটিএমএল (HTML) কোড আরেকটি হল বিবি কোড। HTML কোড সব জায়গা ব্যবহার হয়। বিবি কোড কোথায় ব্যবহার হয় এইটা বুঝবেন কিভাবে ? যেখানে ব্যবহার হয় সেখানে বলে দেওয়া থাকে এখানে HTML কোড ব্যবহার হবে না। বিবি কোড ব্যবহার করতে হবে। আর HTML কোড ব্যবহার করতে হবে যে কোন জায়গা। এর কোন নির্দিষ্ট জায়গা নেই। কোড ২ টা নিচে লিখে দিচ্ছি। তারপর স্ক্রিনশর্ট এর মাধ্যমে কিভাবে করবেন দেখায় দিব। ধরুন একটা ওয়েব সাইট এর জন্য ব্যাকলিংক করছি। সেই সাইট এর জন্য কিভাবে কোডটা ব্যবহার করবেনঃ
HTML কোডঃ <a href="http://www.google.com">Google</a>
HTML কোডটা একটু ভেঙ্গেচুরে বলিঃ <a href="http://www.আপনার সাইট এর URL">আপনার সাইট এর কি- ওয়ার্ড</a>
বিবি কোডঃ [URL="http://www.google.com"]Google[/URL]
এখন কিভাবে করবেন ব্যাকলিংকঃ
স্টেপঃ ০১:-প্রথমে একটা ওয়েব সাইট যানঃhttp://www.mysecondmillion.com/facebook-pages-5-thiings-get-right-or-fail/. নিচের পেজটার মত দেখাবে। আপনি ওখানে সব গুলা ঘর পুরন করেন। 
স্টেপঃ ০২:-এই বার সাবমিট করুন। দেখুন নিচের পেজটার মত দেখাবে।
দেখুন আপনার কি- ওয়ার্ড টা শো করছে। এখন ওই কি- ওয়ার্ড এ ক্লিক করলে আপনার সাইট চলে যাবে। আর এই সাথে হয়ে গেল আপনার ব্যাকলিংক করা। এইভাবে করুন। দেখুন প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এবং আপনার কি- ওয়ার্ড এর মাধ্যমে গুগল আর উপরের পেজে চলে আসছেন। আপনার সাইট টি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
নতুন যারা আছেন তারা হইত ভাবছেন সাইট আর লিস্ট কোথায় পাব। অর্থাৎ কোন সাইট এ যেয়ে ব্যাকলিংক করবেন। গুগল একটু কষ্ট করে সার্চ দিবেন "Backlink Site List" or "Blog Comment Site List or "Leave comment Site List"   এইভাবে লিখে সার্চ দিন। প্রাথমিক ভাবে এই সব লিখে সার্চ দিন। পরবর্তীতে সার্চ টার্ম শিখাব। কিভাবে সার্চ দিতে হয় গুগল এ। সামনের পর্বে আমি আপনাদেরকে সুবুধার জন্য কিছু ব্যাকলিংকের লিস্ট দিয়ে দিব।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/142488

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১১] :: লিংক হুইল-সাধারন পর্ব [ অফপেজ এস ই ও]

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১১] :: লিংক হুইল-সাধারন পর্ব [ অফপেজ এস ই ও]





যাই হোক আমার আজকের টিউন টা সমস্ত টিউনে গুলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ। কারন এস ই ও এর ভিতর আমি এই কাজটা করে মজা পাই। আর এই কাজটা খুব একটা বেশি কঠিন না । আবার এই টা সহজে কেউ করেও না। কিন্তু এই কাজটা এস ই ও এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি এই কাজটার গুরুত্ত একটু আলাদা ভাবে বলি। আলাদা বলতে এমন যে, আমি আমার নতুন সাইট এর উপর এই কাজটা করে আমার সাইট এর পেজ রাঙ্ক আসেছে ১,  আর এই ১ আসছে মাত্র ১ মাস ১৩ দিন। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে আমি পেজ রাঙ্ক পাইছি। তাহলে বুঝতে পারছেন এই কাজটার পাওয়ার কত । আপনার সাইট এর জন্য এইটা করুন। গ্যারান্টি দিলাম আপনার সাইট হিউজ ভিজিটর এবং সাইট এর পেজ রাঙ্ক পেটে প্রচণ্ড পরিমান সাহায্য করবে।
এখন কাজ সম্পর্কে আলোচনা করব। লিংক হুইল সম্পর্কে আমি কোন একটা পর্বে কিছু বলেছিলাম। সেইটা আমি আবার লিখছি , তবে এইটা সহজ অর্থাৎ সাধারন সংজ্ঞা। মুল যেটা পরবর্তীতে আলোচনা করব।
  “লিংক হুইল হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফ্রী ব্লগে আর্টিকেল লিখে টার ভিতর নিজের সাইট এর একটা কি- ওয়ার্ড কে লিংক করে দেওয়া হচ্ছে লিংক হুইল। আর্টিকেল লিখতে হবে নিজের সাইট রিলেটেড। সাইট এর সাথে আর্টিকেল অবশ্যই সম্পৃক্ত থাকতে হবে। আমি আগেই বলে দিছি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ ওয়ার্ড অবশ্যই ৩ টি কি - ওয়ার্ড থাকতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে নিজের সাইট এর যে মেইন কি- ওয়ার্ড আছে সেই কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। ধরুন ৫০০ ওয়ার্ড এর একটি আর্টিকেল আপনি লিখলেন। টার ভিতর ১৫ টা কি -ওয়ার্ড ব্যবহার করলেন। আপনি যে কোন একটি কে আপনার সাইট এর লিংক হিসেবে ব্যবহার করলেন বাকি ১৪ টাকে হাইলাইট করে দিবেন। এটাই হচ্ছে লিংক হুইল।” 
আমি জিনিসটা আমার ভেঙ্গে বলছি। বিষয় হচ্ছে যে সব ফ্রী ব্লগিং সাইট আছে যেমনঃ ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস, জনারলিস্ট ইত্যাদি। এরকম প্রায় অনেক সাইট আছে। যারা ফ্রী ডোমেইন দেয়। সেই সব সাইট যেতে হবে এবং নতুন করে একটা ব্লগ খুলতে হবে।
ধরুন আপনি এই রকম ৫ টি ফ্রী ব্লগ সাইট এ অ্যাকাউন্ট খুললেন। এখন যে কাজ গুলা আপনার করণীয় আমি নিচে ধাপ অনুসারে লিখছি। যাতে করে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হয়।
ধাপঃ-০১
আপনি যে পাঁচটি ব্লগ অ্যাকাউন্ট করেছেন এই পাঁচটির জন্য ৫ টি কনটেন্ট লিখুন। অর্থাৎ ৫ টি আর্টিকেল লিখুন। আর্টিকেল গুলা অবশ্যই আপনার সাইট এর রিলেটেড হতে হবে। ধরুন আপনার সাইট টি Online Income সম্পর্কে। আপনি আপনার সাইট এ অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে সব আর্টিকেল পোস্ট করেন। এখন আপনি ৫ টি আমন আর্টিকেল লিখুন যে গুলা সব অনলাইন ইনকাম এর উপর। কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করা যায়, অনলাইন কি কি কাজের জন্য ভাল বেনিফিট পাওয়া যায় ইত্যাদি। আর আর্টিকেল লিখার মধ্যে যে নিয়ম গুলা আছে সে গুলা ফল করুন। পূর্বে আমি একটা টিউনে আর্টিকেল কিভাবে লেখা যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছিলাম। তারপর ও আমি এখানে লিখছি,
   " প্রতি ১০০ ওয়ার্ড এ মিনিমাম+মাক্সিমাম ৩ বার কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এতে করে আপনার পোস্ট+সাইট এর জন্য উপকার হই। আমি যে টিউনটা টা লিখলাম আজ,(সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৭] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০১ ) এই পোস্ট টা তে দেখেন আমি কতবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি। ১-২ দিন পর বাংলাই গুগলে কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ দিবেন দেখবেন আমার পোস্ট টা গুগল এর প্রথম পাতাই ১-৩ এর মধ্যে আছে। একটাই কারন দেখেন আমি এই আর্টিকেল আমি অনেকবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি।আমি হাইলাইট করে দিছি কি-ওয়ার্ড গুলা। এই জন্য আর্টিকেল লেখার সময় পোস্ট টা যে বিষয় নিয়ে লেখা সে বিষয়ের উপর এবং সাইট এর মূল যে কি-ওয়ার্ড আছে সেইটার উপর কিছু কি-ওয়ার্ড দিতে হবে। তবে অবশ্যই ১০০ ওয়ার্ড এ ৩ টা কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।"
ধাপঃ-০২
প্রতি আর্টিকেল আপনার সাইট এর জন্য যে কি- ওয়ার্ড গুলা ব্যবহার করেছেন। সেই গুলা একটু হাইলাইট করে দিন। ধরা যাক আপনি ১০০ ওয়ার্ড ৩ টি তাহলে ৫০০ ওয়ার্ড এ ১৫ টি কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন। এখন ১৪ টি কি- ওয়ার্ড হাইলাইট করে দিন আর একটি কি- ওয়ার্ড কে লিংক করে দিন আপনার সাইট। যে কোন একটি কি- ওয়ার্ড কে লিংক করে দিলে হবে।
ধাপঃ-০৩
এখন একটি ব্লগে যেয়ে আপনার একটি আর্টিকেল টি পোস্ট করুন। আর্টিকেল অবশ্যই ৫০০ ওয়ার্ড এর বেশি লিখার চেষ্টা করবেন। শুধু চেষ্টা না অবশ্যই লিখবেন। আতে করে সুবিধা আপনি বেশি পাবেন।
ধাপঃ-০৪
এখন আপনার যে আর্টিকেল টা পোস্ট করেছেন। সেইতার ইইউআরএল (URL) টা একটু সেভ করে রাখুন।
এভাবে প্রতি টি আর্টিকেল আপনি পোস্ট করুন। আর প্রতিটির ক্ষেত্রে আপনি একি কাজ করুন। সাধারণত লিংক হুইল এভাবে করা হয়। তবে লিংক হুইল চাকা সিস্টেমে করা যায়। যেইটা আপনি পরে নিজে নিজে করতে পারবেন। বুদ্ধির জোরে। এস ইও করতে গেলে প্রচুর পরিমানে বুদ্ধি কাজে লাগাতে হবে।
ধাপঃ-০৫
এখন আপনার একটি মাত্র ধাপ বাকি আছে। সেইটা হল আপনি যে ইইউআরএল (URL) গুলা সেভ করিছেন। এগুলো বুকমারকিং করতে হবে। যদি পারেন বুকমারকিং করতে তাহলে করে ফেলেন। আর না পারলে সমস্যা নেই। সামনের পরবে বুকমারকিং সম্পর্কে আলচনা করব এবং কিভাবে করতে হয় জানিয়ে দিব।
হয়ে গেল আপনার লিংক হুইল পর্ব। এই লিংক হুইল কিন্তু সাধারন লিংক হুইল। লিংক হুইল মুলত চাকা পদ্ধতিতে অর্থাৎ সার্কেল অনুসারে করতে হয়। যেইটা আমি পরে দেখাব। যেহেতু আমার এই লেখাটা সম্পূর্ণ নতুনদের জন্য। তাই আমি আমার মত করে বুঝানোর চেষ্টা করব। যতটুকু বলা যায়। ততটুকু বলব। পরবর্তীতে একটা লিংক হুইল কিভাবে করা যায় সেই সম্পর্কে আলোচনা করব। কারন সার্কেল পদ্ধতিটা একটু জটিল ধরনের। এখন যদি বুঝায় তাহলে কোন ভাবে বুঝতে পারবেন না। তাই আপাতত এইভাবে করে যান। তবে একটা জিনিস মনে রাখবেন এই যে লিংক হুল গুলা করবেন সব গুলা ওয়েব সাইট বা URL গুলা সেভ করে রাখবেন। যখন আমি পরে লিংক হুইল সম্পর্কে বিস্তারিত বলব তখন এই গুলা কাজে লাগবে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/155649

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১২] :: লিংক হুইল-মারাত্মক পর্ব [ অফপেজ এস ই ও]

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১২] :: লিংক হুইল-মারাত্মক পর্ব [ অফপেজ এস ই ও]





আজকে দেখাব লিঙ্ক হুইল। একটা স্বয়ং সম্পূর্ণ লিঙ্ক হুইল কিভাবে করতে হয়। পুরবে দেখাইছিলাম সাধারন লিঙ্ক হুইল। আসলে ওঁটা লিঙ্ক হুইল এর ধারের কাছে ও না। লিঙ্ক হুইল একেবারে অন্যরকম। আমি পুরবের টিউনে লিঙ্ক হুইল এর গুরুত্ব বলে দিছি। আজ কে শুধু লিঙ্ক হুইল কিভাবে করতে হয় সেইটা বলব। নিচের ছবিটা দিয়ে আমি আজকে লিঙ্ক হুইল বুঝাব। দেখেন নিচের ছবিটাতে মাঝে একটা সাইট দেওয়া আছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে “Money Site” এখানে এই সাইট দারা বুঝানো হয়েছে যে, আপনি যেই সাইট এর জন্য লিঙ্ক হুইল করবেন। বাকি চারপাশের যে ৬ টি সাইট আছে সেই সাইট গুলা হচ্ছে ফ্রী ব্লগিং সাইট। ফ্রী ব্লগিং সাইট কি এই সম্পর্কে পূর্বে বলছি।
এখন আমরা এই ৬ টি ফ্রী ব্লগিং সাইট এর জন্য ৬ টি আর্টিকেল লিখব। আর্টিকেল কিভবে লিখতে হবে এবং কিভাবে পাবলিশ করতে হবে সেইটা পূর্বে আমি বলে দিছি। এখন ধরি, আমাদের ৬ টি আর্টিকেল রেডি বা প্রস্তুত। প্রথমে আমরা ব্লগস্পট (Blogspot) এ যাব। এখন ১ টা আর্টিকেল পেস্ট করব। এইবার আমাদের যে কি- ওয়ার্ড গুলা দেওয়া আছে আর্টিকেলের ভিতর তার যে কোন একটি লিঙ্ক করে দিব “Money Site” এ । এইবার আরও একটা ট্যাব নিব ব্রাউজার থেকে। নিয়ে ঢুকব ওয়ার্ডপ্রেসে (WordPress) এ। ভাল কথা ব্লগস্পট কিন্তু পাবলিশ করা যাবে না। তখন খোলা থাকবে। ওয়ার্ডপ্রেসে এ যেয়ে আরও একটা আর্টিকেল পেস্ট করতে হবে। এবং সেই আর্টিকেলের একটা কি- ওয়ার্ড “Money Site” এর সাথে লিঙ্ক করতে হবে। এবং পাবলিশ করতে হবে। পাবলিশ করার পর ওই পোস্ট এর লিঙ্ক কপি করে ব্লগস্পটের যে কোন একটি কি- ওয়ার্ড এর সাথে লিঙ্ক করে দিতে হবে। এইবার ব্লগস্পট পাবলিশ করতে হবে। এখন জিনিস টা আমি আবার একটু ক্লিয়ার করি। ধরুন আপনার আপনার সাইট Online Income এর উপর। এখন আপনি লিঙ্ক হুইল করার জন্য নিওম মেনে ৬ টি আর্টিকেল লিখিছেন। ৬ টি নতুন ব্লগে অ্যাকাউন্ট করছেন। অ্যাকাউন্ট গুলা হল নিচের উদাহরনের মত।
*htttp://www.onlineincome1.blogspot.com
*http://www.onlineincome2.wordpress.com
*http://www. onlineincome3.blogger.com
*http://www. onlineincome4.squidoo.com
*http://www. onlineincome5.hubpages.com
*http://www. onlineincome6.xanga.com
আপনার সাইট হচ্ছে onlineincome9.com । শর্ট কথাই ব্লগস্পটে ২ টা লিঙ্ক হবে।একটা আপনার মেইন সাইট এর আর একটা আপনার লিঙ্ক হুইল করার পরবর্তী সাইট এর। তাহলে দেখেন উপরের ছবিটির মত হবে।একটা তীর ওয়ার্ডপ্রেসে থেকে ব্লগস্পটে ঢুকেছে। আর ব্লগস্পট (Blogspot) এবং ওয়ার্ডপ্রেসে থেকে একটা লিঙ্ক প্রধান সাইট এ ঢুকেছে।
আবার চলেন ব্লগারে ব্লগারে একটা আর্টিকেল পেস্ট করুন তারপর একটা কি- ওয়ার্ড কে প্রধান বা ওই মানি সাইট আর সাথে লিঙ্ক করে দিন। এবং পাবলিশ করুন। এইবার আপনি আবার ওই ওয়ার্ডপ্রেসে টা ইডিট করুন। সেখানে যেয়ে ব্লগার এর URL বা লিঙ্ক টা কপি করে ওয়ার্ডপ্রেসের মধ্যের আর্টিকেলের যে কোন একটা কি- ওয়ার্ড কে লিঙ্ক করে দিন। দেখুন উপরের ছবিতে তীর দ্বারা সেটাই বুঝানো হয়েছে ।
এইবার আবার আপনি আপনি চলে যান স্কুইডু তে।ওখানে যেয়ে আরও একটা আর্টিকেল পাবলিশ করুন। এবং পূর্বের একই কাজ করুন। বাকি ২ টা তে ওই একই কাজ করুন।
আপনার কাজ হচ্ছে ব্লগে বা আর্টিকেলে আপনাকে ৩ টা করে লিঙ্ক করতে হবে। আমি এখন বলব শেষ আর্টিকেল টা সম্পর্কে। শেষ আর্টিকেল টা তে একটা লিঙ্ক করতে হবে পূর্বের আর্টিকেল হাব পেজের সাথে আর একটা করতে প্রধান সাইট আর সাথে আর একটা করতে হবে ওই সেই প্রথম আর্টিকেলের সাথে।প্রথম আর্টিকেল মানে ব্লগস্পটে। কারন ব্লগস্পটে মাত্র ২ টা লিঙ্ক হয়েছে। এখন ব্লগস্পটের লিঙ্ক টা এক্সচাঞ্জা তে দিয়ে দিতে হবে। তাহলে লিঙ্ক গুলা দেখেন একটা চাকার মত বা ছাতার মত তৈরি হয়েছে। আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন। আমি জানি মাথার ভিতর অনেক তাল গোল। পাকাই ফেলবেন। তারপর ও বলছি এই ছবিটার মত তৈরি করার চেষ্টা করুন। দেখুন ছবিটাতে পুরোপুরি বোঝানো হয়েছে। আমার মনে হয় না এরপরও কারোর লিঙ্ক হুইল সম্পর্কে সমস্যা থাকার কথা না। কেমন লাগলো আজকের লিঙ্ক হুইল। নতুনরা তো ১০০% বলবেন ওরে বাবা একি। এস ই ও শেখা থেকে দূরে সরে যাবেন । আরে না এস ই ও খুবই মজার সাবজেক্ট। বুঝতে পারলে মনে হবে পানি পানি আর না পারলে চোখে সরিষার ফুল দেখবেন। নিচে একটা ছবি দিচ্ছি এটাও লিঙ্ক হুইল। কিন্তু সরিষার ফুল। এই সরিষার ফুল নিয়ে চিন্তা নেই। কারন এটা ব্ল্যাক হ্যাট এস ই ও। যা আপনাকে কোনদিন করতে হবে না। উপরের নিওম টা হল হোয়াইট হ্যাট এস ই ও। ওরে বাবা দেখতে দেখতে সকাল ৮ টা বেজে ৩৮ মিনিট। ভাই আমি এইবার যাই একটু ঘুমাই। না হলে আবার শরীর খারাপ করবে।
অনেক কিছু বলে ফেলছি। ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। কারন আমি একজন মানুষ আর আমার ভুল হবে এটাই স্বাভাবিক।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/170901

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১৩] :: মেটা ট্যাগঃ টাইটেল,কি-ওয়ার্ড,ডিস্ক্রিপশন,রোবট [অনপেজ এস ই ও]

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১৩] :: মেটা ট্যাগঃ টাইটেল,কি-ওয়ার্ড,ডিস্ক্রিপশন,রোবট [অনপেজ এস ই ও]






নতুন বছরের শুরুতে আপনাদেরকে কি ধরনের টিউন গিফট করা যায় সেইটা নিয়ে খুব কনফিউশন ছিলাম। অনেক চিন্তা ভাবনা করে আজকের টিউন লেখা। আজকের টিউন অনপেজ এস ই ও এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এস ই ও শুরু করতে হলে প্রথমে যে কাজ করতে হয় সেটা হল মেটার কাজ গুলা। আজকে মেটা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তার আগে একটা কথা। গত পর্বে একটা কথা লিখতে ভুলে গেছিলাম। সেটা হল লিঙ্ক হুইল করার পর বুকমারকিং করতে হবে প্রত্যেক টা লিঙ্কের। বুক মারকিং কি এই টা নিয়ে সামনে কোন একটি পর্বে আলোচনা করব। চলে যাব আজকের পর্বে।
প্রথমে আমাদের জানার প্রয়োজন মেটা ট্যাগ কি (What is meta tag):
                                                      "The meta tags are a very important part of the HTML code of your web page. They are read by the search engines but are not displayed as a part of your web page design. Usually they include a concise summary of the web page content and you should include your relevant keywords in them. Most meta tags are included within the 'header' code of a website. The most important tags are the title, description, keyword s and robot tags."
অর্থাৎ মেটা ট্যাগ এমন একটি এইচ টি এম এল কোড যা কিনা আপনার ওয়েব সাইট এর জন্য খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মেটা ট্যাগ সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মূলত ব্যবহার করা হয়। আপনার সাইটে ভিজিটরগণ একটি ইন্ডিভিজুয়াল কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ এর মাধ্যমে প্রবেশ করবে। আর ওই কি- ওয়ার্ড টাকে মার্কেটিং করার জন্য মেটা ট্যাগ অসাধারন ভুমিকা পালন করে। মেটা ট্যাগ দিতে হয় ওয়েব সাইট এর ভিতর। সার্চ ইঞ্জিন সর্বদা সার্চ এর ক্ষেত্রে মেটা ট্যাগ কে সর্ব প্রথম প্রাধান্য দিয়ে থাকে। তাহলে বুঝতেই পারছেন এর গুরুত্ব কততুকু।
এই মেটা ট্যাগ এর ভিতর রয়েছে:
১) টাইটেল (Title) ২) মেটা কি- ওয়ার্ড (Meta Keyword Tag) ৩) মেটা ডিস্ক্রিপশন(Meta Description Tag)   ৪) মেটা রোবট ট্যাগ(Meta Robot Tag)
আমি আজকে এই ৪ বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করব।আমি যখন আর্টিকেল লিখি তখন সর্বদা মাথায় রাখি আমার আর্টিকেল টা যেন ইউনিক হয়। ঠিক আজকের আর্টিকেল টা তেমনি। অনেকে আমার কাছে প্রশ্ন করেছিলেন একটা আর্টিকেল কিভাবে ইউনিক করে লিখব। দেখেন তাদের জন্য বলছি মেটা ট্যাগ কিন্তু একটা নির্দিষ্ট কনটেন্ট। সবাইক কিন্তু এইটা সম্পর্কে আপনাকে একই ভাবে বলবে মেটা ট্যাগ সম্পর্কে। কিন্তু আমি দেখেন একটু ওই কথা গুলো লিখছি আরও বিস্তারিত এবং সহজ করে। কিন্তু কথা সেই একই। শুধু মাত্র আমার উপস্থাপনা করার স্টাইল টা পরিবরতন করে দিছি। আর কিছু না। যাই হোক যারা প্রশ্ন করেছিলেন আমি বলেছিলাম পরবর্তী পর্ব তে বলে দিব। আপনারা আপনাদের উত্তর আশা করি পেয়ে গেছেন। যদি এর পরও না বুঝে থাকেন আমাকে বলেন আমি ক্লিয়ার করে দিব।
এখন আসল কথাই আসি। যে বিষয় নিয়ে বলছিলাম মেটা ট্যাগ। আচ্ছা মেটা ট্যাগ এর ভিতর যে ৪ টি জিনিস রইছে আমরা সেই বিষয় গুলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।
১) টাইটেল (Title): একটা জিনিস সর্বদা মাথাই রাখবেন আপনার সাইট এর সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ণ কাজ হচ্ছে টাইটেল ঠিক করা। এমন ধরনের টাইটেল নেওয়া উচিত যেই টাইটেল আপনার সাইট এর প্রধান কি- ওয়ার্ড হিসেবে দাঁড়াবে। ধরেন আপনার সাইট টা একটা Entertainment  বিষয়ের উপর। আপনি  সাইট এর কি- ওয়ার্ড কি নিবেন ? হ্যাঁ এখন আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে এমন একটা কি- ওয়ার্ড যেই শব্দ অর্থাৎ যেই কি- ওয়ার্ড দ্বারা আপনার সাইট পুরা ব্যাখ্যা করে। আপনি যদি সাইট এর টাইটেল হিসেবে Entertainment World নেন, তাহলে দেখেন সমস্ত Entertainment বিষয়ক আলোচনা তার ভিতর চলে যাচ্ছে। যাতে করে আপনি আপনার সাইট এখন Bollywood, Hollywood,Tollywood ইত্যাদির উপর লিখতে পারবেন। আর যদি লিখতেন Bollywood World তাহলে শুধু মাত্র ওই বলিউড সম্পর্কে লিখতে পারতেন। এতে করে আপনার মানটা একটু কমে যেত। তাহলে বুঝতে পারছেন টাইটেল টা কেমন হওয়া উচিত। আর যথা সম্ভব চেষ্টা করবেন টাইটেল কে ছোট রাখার। আর ছোট কি- ওয়ার্ড দ্বারা যেন আপনার সাইট এর সম্পর্কে বিস্তারিত বলার ক্ষমতা রাখে। টাইটেল টা কোথায় থাকে নিচে দেখান হল।
HTML অর্থাৎ পূর্বে বা সাইট এর ভিতর যেভাবে থাকেঃ
পরবর্তীতে আমরা যেটা দেখিঃ
২) মেটা কি- ওয়ার্ড (Meta Keyword Tag): কি- ওয়ার্ড টা কি এই টা নিশ্চয় ক্লিয়ার হয়ে গেছেন। এখন বিষয় হচ্ছে মেটা কি- ওয়ার্ড। হ্যাঁ মেটা কি- ওয়ার্ড আর তেমন কিছু না, আপনার কি- ওয়ার্ড টাকে একটু হাইলাইট করে দিবে। ধরুন আপনি আপনার সাইট এর জন্য কি- ওয়ার্ড কতগুলা সিলেক্ট করলেন। সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে বুঝবে যে আপনার নির্দিষ্ট কিছু কি- ওয়ার্ড আছে। যেই কি- ওয়ার্ড দ্বারা আপনি আপনার সাইট এ ভিজিটর গেইন করতে চাচ্ছেন। এটা বুঝানোর জন্য ও আপনি মেটা কি- ওয়ার্ড টাকে ব্যবহার করতে পারেন। সার্চ ইঞ্জিন যখন সার্চ করে তখন প্রথমে আপনার সাইট এর কি- ওয়ার্ড গুলা সে পড়ে। স্পেশালি গুগল এইটা করে। তাহলে বুঝতে পারছেন মেটা কি- ওয়ার্ড গুরুত্ব কতখানি। একটা কথা সর্বদা মনে রাখবেন মেটা কি- ওয়ার্ড দিবেন ৪ টা থেকে শুরু করে ১০ টা পর্যন্ত । এর বেশি দিলে যে কিছু হবে আমি কিন্তু তেমন কিছু বলছি না। কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মারবেন। এর বেশি কিছু না। নিজের সাইট মান নিজে কমাই আনবেন। তাই ওই নির্দিষ্ট টা দেওয়ার কথা আমি সর্বদা বলব।  মেটা কি- ওয়ার্ড কিভাবে দেওয়া থাকে নিচে দেখান হল।
এইটা পেজেই থাকে। এটা শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন খোজ করে। তাই এইটা হাইড থাকে।
৩) মেটা ডিস্ক্রিপশন(Meta Description Tag): মেটা ডিস্ক্রিপশন হল মজার একটা জিনিস। মাত্র ২০০ ওয়ার্ড এর ভিতর এমন একটা আর্টিকেল আপনাকে লিখতে হব , যেই আর্টিকেলটা আপনার সাইট সম্পর্কে সম্পূর্ণ বুঝায় । তাহলে বুঝতে পারছেন কত টা মারাত্মক আর্টিকেল। সার্চ ইঞ্জিন সর্বদা একটা ধারাবাহিক নিয়মে সার্চ করে। মেটা ডিস্ক্রিপশনও কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন এর একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্ম। সর্বদা মেটা ডিস্ক্রিপশন টা লিখবেন অনেক কিছু মাথাই রেখে। কারন আপনার সাইট অনেক বিষয়ের উপর নিয়ে লেখা আছে। এখন আপনাকে সমস্ত বিষয়ের উপর চিন্তা ভাবনা করে একটা ২০০ ওয়ার্ড এর ভিতর আর্টিকেল দাড় করানো লাগবে। এবং সেই আর্টিকেল টা মাস্ট ইউনিক হতে হবে। আর আর্টিকেল টা এমন ভাবে লিখতে হবে যেন আপনার সাইট কি- ওয়ার্ড গুলা তার ভিতর প্রকাশ করে। তাহলে বুঝতে পারছেন কতটা খাটলে  মেটা ডিস্ক্রিপশন এর জন্য একটা আর্টিকেল লেখা সম্ভব হয়। নিচে মেটা ডিস্ক্রিপশন কিভাবে থাকে দেখান হল।
HTML অর্থাৎ পেজের ভিতর যেভাবে থাকেঃ
পরবর্তীতে আমরা যেভাবে দেখতে পাইঃ
৪) মেটা রোবট ট্যাগ(Meta Robot Tag):মেটা রোবট ট্যাগ আসলে সার্চ ইঞ্জিন এর একটি ইঞ্জিন বলা যাই। অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন যখন সার্চ করে সেটা হল এই রোবট দ্বারা। বিষয় টা এমন যে আপনার সাইট যদি আপনি ইচ্ছা করেন যে আমি এই পেজটাকে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে দিব তাহলে সার্চ ইঞ্জিন নিবে। আর যদি মনে হয় না আমি এই পেজটাকে সার্চ ইঞ্জিন দিব না। এইটা যেভাবে করতে হয়। সেইটা হল এই মেটা রোবট ট্যাগের মাধ্যমে। মেটা রোবট ট্যাগ আসলে ৪ ধরনের হয়।
  •    ইনডেক্স- ফলো( Index-Follow): এই টা দ্বারা সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট আপনার সাইট এর প্রথম পেজ থেকে ক্রলিং করা শুরু করবে। এরপর বাকি পেজ গুলা অবিরত থাকবে।
  •    ইনডেক্স- নো ফলো( Index-No Follow): নো ফলো এমন একটা ট্যাগ যা সার্চ ইঞ্জিন বলে বিশেষ কোন লিঙ্ক কে ফলো না করার জন্য। নো ফলো লিঙ্ক টা হচ্ছে সাইট এর মালিকের পাওয়ার লিঙ্ক। সাইট এর মালিক বলছে না এটা আমি সাধারন লিঙ্ক হিসেবে দেখতে চাই না। এই ধরনের লিঙ্ক গুলা হচ্ছে নো ফলো লিঙ্ক।
  •   নো  ইনডেক্স- ফলো (No Index-Follow): সার্চ ইঞ্জিন প্রথম পেজ স্ক্রিপ করে যাবে। কিন্তু বাকি পেজ গুলা ক্রল করবে।
  •    নো ইনডেক্স- নো ফলো ( No Index-No follow): আপনার পেজ গুলা রোবট দ্বারা ক্রল করা এবং ওয়েব সাইট টি সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা ইনডেক্স হবে না।
এটাও পেজের ভিতর থাকে কারন সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট এর জন্য শুধু দেওয়া হয়।
এটাই হল মেটা রোবট ট্যাগ। এখন আপনি যেটা খুশি সেইটা ব্যবহার করতে পারবেন। আমরা এতক্ষণ অনেক কিছু জানলাম। কিন্তু কিভাবে করতে হবে এগুলা জানি না। হ্যাঁ আমি এখন সেইটা বলব। কিভাবে করবেন। আপনি আপনার সাইট এর হোস্টিং অ্যাকাউন্টের  সি-প্যানেল (cPanel) এ যান। এরপর এইচটিএমএল কোড গুলা এডিট করুন। তাহলে হয়ে গেল আপনার মেটা ট্যাগ করা কমপ্লিট। এখন নিশ্চয় পারবেন কাজ করতে। আমরা এখন পুরাপুরি একটা ছোট্ট ট্রায়েল দেখব আমাদের কাজের  উপর ভিত্তি করে।
আশা করি আমার কথা আপনাদের বুঝতে কষ্ট হবে না। আর ব্লগাররা চিন্তা করবেন না। আপনারা কিভাবে ব্যবহার করবেন মেটা ট্যাগ। এইটা আল্লাহ বাচাই রাখলে সামনের পর্বে লিখে দিব। আজ আর লিখতে ভাল লাগছে না।

source: http://www.techtunes.com.bd/seo/tune-id/183767

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১৪] :: ব্লগস্পট মেটা ট্যাগ, মেটা ডিস্ক্রিপশন এবং বুকমারকিং পর্ব -০১[ অনপেজ এবং অফপেজ এস ই ও]

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-১৪] :: ব্লগস্পট মেটা ট্যাগ, মেটা ডিস্ক্রিপশন এবং বুকমারকিং পর্ব -০১[ অনপেজ এবং অফপেজ এস ই ও]




আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন। আমিও আপনাদের দোয়াই অনেক ভাল আছি। যাই হোক আজকে আমরা আলোচনাতে চলে যায়। আজকে আমরা আলোচনা করব  সোশ্যাল বুকমারকিং নিয়ে।তার পূর্বে আমি গত পর্বে বলেছিলাম কিভাবে ব্লগস্পট মেটা ট্যাগ এবং মেটা ডিস্ক্রিপশন দিবেন ? এই সম্পর্কে আলোচনা শেষে আমরা আমাদের মূল আলোচনাতে চলে যাব।
ব্লগস্পটের এই বিষয় টা জানতে নিচের এই ২ টি লিঙ্কে যান আশা করি সমাধান পেয়ে যাবেন।
লিঙ্ক নম্বরঃ১- ব্লগস্পট ক্লাস নম্বর- ৩
এখন আমাদের মূল আলোচনাতে যাব।
প্রথমে জানা যাক সোশ্যাল বুকমারকিং কি ?
সোশ্যাল বুকমারকিং হচ্ছে অনলাইন ব্যবহারকারীদের একটা একটা বিশাল কমিউনিটি। এখানে বিভিন্ন ধরনের নিউজ, বিভিন্ন ধরনের লেখা, সম্পাদনা বুকমারকিং করে রাখা হয়। যদি জিনিসটা একটু অন্যভাবে বলি তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে আপনার সাইট এর লেখা ট্যাগ করতে পারেন। যদি এইবার বিস্তারিত বলে তাহলে বলা যায় যে, আপনি আপনার যদি কোন সাইট ভাল লাগে তাহলে সেইটা আপনি বুকমারকিং করে রাখেন। ঠিক তেমনি এমন কিছু সাইট আছে যারা আপনার সাইট টা কে  বুকমার্ক করে রাখতে সাহায্য করে। আপনি আপনার সাইট এর বিভিন্ন পোস্ট এখানে দিয়ে রাখতে পারেন। যেটা অন্যরা দেখতে পারবে।
সোশ্যাল বুকমারকিং  কেন প্রয়োজনঃ  সোশ্যাল বুকমারকিং   থেকে আপনি বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের লেখা পড়তে পারবেন। আমি যখন প্রথমে এস ই ও শিখি তখন সোশ্যাল বুকমারকিং  থেকে বিভিন্ন ধরনের নিউজ পড়তাম এমন কি এখন পড়ি বিভিন্ন ধরনের নিউজ পড়ার জন্য। আর এটা পড়ার জন্য আমাকে ওখান থেকে কোন একটি সাইট এ ধুকে পড়তে হত। তাহলে দেখেন এইভাবে কত পরিমান ভিজিটর আপনি ওখান থেকে পেতে পারেন। এছাড়া আপনি  একটি কোয়ালিটি সম্পূর্ণ ব্যাকলিঙ্ক পাবেন। যা কিনা আপনার সাইট এর জন্য একটা বিশাল গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। এক কথাই অফপেজ এস ই ও বা লিঙ্ক বিল্ডিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ  অধ্যায়। । এটা করা অবশ্যই উচিত। শুধুমাত্র ইউনিক ভিজিটর এবং গুড লিঙ্কের জন্য।
তো এখন আমরা আজকে একটা সোশ্যাল বুকমারকিং  সাইট এ কিভাবে লিঙ্ক সাবমিট করা যায় সেইটা দেখব। সোশ্যাল বুকমারকিং   সাইট গুলার ভিতর নামকরা একটি সাইট হল ডিগ ডট কম ( Digg.com) । আমরা এই সাইট টিতে কিভাবে কাজ করতে হয় দেখব।
তাহলে প্রথমে চলে যাব উপরোক্ত সাইট টিতে। নিচে ধাপ অনুসারে স্ক্রিনসর্ট দিয়ে দেখালাম।
স্টেপ নম্বরঃ১- প্রথমে http://www.digg.com চলে যান। নিচের পেজের মত আসবে।
স্টেপ নম্বরঃ২- আপনি আপনার ফেসবুক অথবা টুইটার অ্যাকাউন্ট লগ ইন করুন এবং ডিগে যান। এখন ফেসবুক অথবা টুইটার অ্যাকাউন্ট  দ্বারা ডিগ অ্যাকাউন্ট লগ ইন করুন। নিচের পেজের মত আসবে।
দেখুন অনেক নিউজ আসছে। কোন নিউজগুলা পপুলার কোন নিউজ গুলা টপে আছে সব দেখাচ্ছে। এখন আপনি একেবারে পেজের নিচে আসুন। এবং "Submit a Link" এ ক্লিক করুন। নিচের ২ টা ছবির মত আসবে।
স্টেপঃ৩- এখন আপনি আপনার সাইট এর ইউআরএল অর্থাৎ যে পোস্টটি বুকমারকিং করতে চান সেই পোস্টের ইউআরএল কপি করুন। না বুঝলে নিচের ছবিটা  দেখুন
স্টেপঃ৪-  ইউআরএল টা কপি করে সাবমিট করুন। ডিগে সাবমিট করুন। সাবমিট করার পূর্বে এবং পরের স্ক্রিনসর্ট খেয়াল করুন।
এইভাবে আপনি আপনার সাইট এর প্রত্যেক টা ইন্ডিভিজুয়াল পোস্ট কে সাবমিট করুন। দেখবেন আপনার সাইট এ আপনি ইউনিক ভিজিটর গেইন করছেন। আপনার লিঙ্কের পরিমান ও বাড়ছে।

source: http://www.techtunes.com.bd/seo/tune-id/195615