Saturday, January 16, 2016

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১






আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমি আমার জীবনে এই প্রথম টিউন করসি। জানিনা কেমন লাগবে আপনাদের। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং জানাবেন। যাই হোক আপনাদের কাছে আমি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে ফোরাম পোস্টিং করতে হই।
প্রথমে আপনি যে কোন একটি ফরম এ যাবেন। ধরুন আমরা একটা ফোরাম http://www.adsenseforums.net/এই টাইতে গেলাম। এখানে আপনি প্রথমে একটা নতুন অ্যাকাউন্ট করুন। ইমেইল কনফার্ম করুন।এরপর লগইন করুন । নিচের পেজটার মত আসবে
এখানে আপনি অনেক গুলা টপিকস দেখতে পারবেন। এর মধ্যে “Introduction”  টপিকসটা খুজুন এবং ক্লিক করুন।
“Start New Topic” এ ক্লিক করুন ।
আপনি যেহেতু নতুন এই ফোরাম এ তাই এখানে কিছু লেখেন।
সাবমিট করুন ফোরামপোস্টিং হয়ে গেল। এইভাবে স্টার্ট করুন। এরপর বিভিন্ন টপিকস এর সম্পর্কে জানার বা বলার ইচ্ছা থাকলে পোস্ট করুন। এখন হচ্ছে আমাদের আসল কাজ। এই করে কি ভাবে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট প্রচার হবে। হ্যাঁ সেইটা এবার বলছি। আপনি এবার প্রোফাইল থেকে সেটিং এ যান।
এখান থেকে “Signature” বাটন এ ক্লিক করুন।
নিচের পেজটি আসবেঃ
এই বক্সে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর টাইটেল টি লিখুন।ধরুন টাইটেল"Entertainment World"। এখন এটা সম্পূর্ণ ব্লক করুন অথবা Ctrl+a চাপুন। নিচের ছবিটার মত দেখাবে।
এখানে উপরের টুলবার থেকে লিঙ্ক নামক একটা টুলবার পাবেন, ব্লক অবস্থাই লিঙ্ক নামক টুলবার এ ক্লিক করুন। তাহলে নিচের ছবিটার মত দেখাবেঃ
এখানে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর ঠিকানা দিন। এবং ওকে বাটন এ ক্লিক করুন। এবার নিচে সেভ বাটন এ ক্লিক করুন। হয়ে গেল আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর প্রচার। এখন দেখেন আপনি যখন কোন পোস্ট করবেন তখনি আপনার পোস্ট এর নিচে লিঙ্কটা শো করবে । নিচের ছবিটার মত দেখাবেঃ
হয়ে গেল আমাদের ফোরাম পোস্টিং ।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/116411

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২





আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। গত পোস্টে আমি আপনাদের কে একটা ফোরামে গিয়ে কিভাবে Signature করতে হই সেইটা দেখাইছিলাম। কিন্ত বড় কথা হচ্ছে সব ফোরামে Signature পাবেন না।তখন কি করবেন? চিন্তাই পড়ে গেছেন। কোন চিন্তা করার দরকার নেই।
কোন ফোরামে যাওয়ার আগে ফোরামের Privacy খুব মন দিয়ে পড়তে হবে। কোন ফোরামে Signature দেওয়া থাকবে আবার কোন ফোরামে Signature দেওয়া থাকবে না। কোন ফোরামের Privacy খুব মন দিয়ে পড়তে বলছি এই জন্য যে ফোরামের Privacy এর ভিতর দেওয়া থাকে যে আপনি ৫/৬/৭/৮/৯/১০..................টা পোস্ট দিলে আপনাকে Signature নামক অপশনটা দেওয়া হবে। আমি আপনাদের কে এই রকম একটা ফোরাম এর নাম বলছি http://forums.digitalpoint.com/  । এই ফোরামে গিয়ে পূর্ববর্তী ফোরামের মত কাজ করতে হবে।
গত ফোরামে ঠিক যে ভাবে করেছেন সেইভাবে পোস্ট করতে হবে। এভাবে ১০ টা পোস্ট হলে আপনাকে Signature নামক অপশনটা দিবে। তখন আপনি ও আপনার কাজটা সেরে ফেলুন। যেমন ভাবে পূর্ববর্তী ফোরাম এ করেছিলেন।
তা হলে আজ এই পর্যন্ত ।পরবর্তী টিউন এ কিছু পাওয়ার ফুল ফোরাম এর লিস্ট দেওয়া হবে। । আবার সামনে সপ্তাহে আসছি নতুন কিছু টিউন নিয়ে। আশা করছি টিউনগুল সবার ভালো লাগবে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/118850

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩




আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। এক সপ্তাহ পর পর লেখার কথা ছিল। কিন্তু কলেজ ছুটির জন্য বাসাই বেড়াতে গেছিলাম। আর এই জন্য লেখা হই নি। কলেজ আবার খুলছে এখন আবার নিয়মিত লিখব। যাই হোক ফোরাম পোস্টিং পর্বটা এই পর্বেই শেষ করতে চাইছিলাম। কিন্তু অনেকে একটা প্রশ্ন করছে। সেই জন্য সামনের পর্বে ফোরাম পোস্টিং শেষ হবে।
সবাই যে প্রশ্ন করছে যে ভাই ফোরাম এ গিয়ে আমরা অন্য একটি টপিকস সম্পর্কে জানব তখন কি করবো ?
আসলে এই টা খুবই সহজ। কিন্তু আপানারা এই টা একটুও নাড়ানাড়ি করেন নি। তাই পারছেন না। আমার পোস্ট টা যেহেতু সম্পূর্ণ নতুন দের নিয়ে লেখা। তাই তাদের সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়ে আমি আলোচনা করবো। আসল কথাই আসি। আমি নিচে স্ক্রীনশট দিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ দেখাচ্ছি।
আমারা প্রথম যে কোন একটা ফোরামে যাই। আমরা যে ফোরাম টা নিয়ে কাজ করছিলাম সেই ফোরামে যাই। http://www.adsenseforums.net/ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিই। অ্যাকাউন্ট ওপেন হওয়ার পর নিচের পেজটা আসবেঃ
এখানে অনেক গুলা টপিকস দেখা যাচ্ছে। আপনি মনে করেন অ্যাডসেন্স আরনিং সম্পর্কে জানবেন। তাহলে Adsense Keywords & Earningsনামক এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। নিচের পেজে মার্ক করে দেখানো হইছে।
এখন এখান থেকে নিউ টপিকস এ ক্লিক করুন । ধরুন টপিকস এ টাইটেল দিলাম "Adsense Earning" . এরপর এর সম্পর্কে কিছু লিখেন। নিচের ছবির মত দেখাবে।
এখন দেখুন আপনার পোস্ট টি শো করছে । এবং অন্যরা আপনার পোষ্টটি পড়ে সল্যুশন দিচ্ছে।
এভাবে আপনি যে টপিকস জানতে চাবেন । সেই টপিকস এ ক্লিক করুন এবং আপনার প্রবলেম শেয়ার করুন। আপনি যদি কোন টপিকস এর সম্পর্কে ভালো জানেন। টা হলে উত্তর দিন। আপনি যত উত্তর দেবেন তত আপনার সাইট টা প্রচার হবে। এভাবে করতে থাকেন দেখেন আপনার সাইট এ যেমন ট্রাফিক আসছে ঠিক তেমন গুগলে আপনার সাইট ও উঠতে থাকছে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/121214

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪


















আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। তবে বেশি একটা ভাল না,আমার মাথাই সমস্যা হইছে। দোয়া করবেন আমার জন্য যেন আপনাদের মাঝে আবার যেন সুস্থ ভাবে ফিরে আসতে পারি।
যাই হোক ১২ দিন পর আবার আজকে একটা নতুন টিউন লিখছি। আজকে আলোচনার তেমন কিছু নাই। তবে অনেকেই মাইক্রোওয়াকারস্ এর ফোরাম পোস্টিং জবের বিষয়টা লিখতে বলছেন। আমি লিখবো তবে মাইক্রোওয়াকারস্ এর সার্ভার এর সমস্যা হচ্ছে। লিঙ্ক সাবমিট করলে সাবমিট হচ্ছে না। এই জন্য লিখতে পারলাম না। তবে সমস্যার সমাধান হলে লিখবো। আর ফোরাম পোস্টিং এর একটি মারাত্মক টিউন আছে যেইটা এখন বললে কেহ করতে পারবে না (যারা নতুন তাদেরকে বলছি)। এর জন্য আগে লিঙ্কবিল্ডিং ভালো ভাবে জানতে হবে। তো আগে লিঙ্কবিল্ডিং সম্পর্কে আলোচনা করবো তারপর ফোরাম পোস্টিং এর সেই মারাত্মক পর্বটা লিখবো।
ওহ! একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা ভুলে গেছি। ৩-৪ জন আমাকে বলছিল ভাই ফোরাম গুলো পাব কিভাবে?
ভাল একটা প্রশ্ন করেছে। নতুনদের জন্য আসলে এই প্রশ্ন টা খুবই দরকার । উত্তরটা খুবই সহজ। গুগল মামা থাকতে আমাদের তো কোনরকমের সমস্যা থাকার কথা না। আপনার মনে যে ধরনের ফোরামে যেতে মনে চাবে সেই ধরনের ফোরামের নাম গুগল মামার বক্সে লিখে সার্চ দিলে হবে। মনে করেন আপনার এখন মনে চাচ্ছে স্টুডেন্ট ফোরামে যেতে । গুগলে যায়ে স্টুডেন্ট ফোরাম লিখে সার্চ দিলেই হবে। হাজার হাজার সাইট চলে আসবে। এই ভাবে বিভিন্ন ফোরামে যেতে হবে।
যাই হোক কথা দেওয়া ছিল আজ পাওয়ার ফুল কিছু ফোরামের লিস্ট দিব। নিচের লিঙ্কে ঢুকে অনেক গুলা ডুফলো পাওয়ার ফুল ফোরাম দেওয়া আছে। এখান থেকে নিতে পারবেন।
সামনের পর্বে গুগলে কিভাবে কি -ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিতে হই সেইটা শিখাব। এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু পরিচিতি দেখাব। যাই হোক আজ আর নই সামনের পর্বে আবার দেখা হচ্ছে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/124315

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৫] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৫] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা





আজকে আমি আপনাদেরকে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন জগতে ব্যবহৃত হয় এমন কিছু প্রয়োজনীয় শব্দের আলোচনা করব। যেগুলা জানলে আপনারা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে অনেকটা ধারনা হবে। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন মূলত ২ ভাবে ব্যবহৃত হই।
১) হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO)।
২) ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) আবার ২ প্রকারঃ (১) অনপেজ অপটিমাইজেশন।
(২) অফপেজ অপটিমাইজেশন।
যাই হক আজকে অনপেজ এর অফপেজ সম্পর্কে আলোচনা করব না। আজ হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এবং  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO) সম্পর্কে আলোচনা করব। নিচে সুন্দর ভাবে তুলে দিলাম।
**** ১) হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO): সার্চ ইন্জিনের গাইডলাইন বা নীতিমালা ভঙ্গ না করে যদি SEO করেন তাহলে এ ধরনের অপটিমাইজেশনকে বলে হোয়াইট হ্যাট এসইও।এসব গাইডলাইন বা নীতিমালার মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ন নীতিটি হচ্ছে ওয়েবসাইট মানুষের জন্য তৈরী করুন যা উপকারী,সার্চ ইন্জিনের জন্য নয়।অন্যান্য নীতিমালার মধ্যে আছে ব্যাকলিংক,লিংক পপুলারিটি,কিওয়ার্ড গবেষনা,লিংক বিল্ডিং ইত্যাদি।হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) কে এথিকাল এসইও (Ethical SEO) বলা যায়।  হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রান বলা যাই। 
ব্যাকলিংক (Backlink):অন্য একটা সাইটে আপনার সাইটের লিংক থাকলে এটা আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক।হতে পারে এই লিংক আপনার সাইটের হোমপেজ বা অন্য কোন পেজ এর লিংক।ব্যাকলিংক কে ইনকামিং লিংক বা ইনবাউন্ড লিংকও বলে। এটা হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এর মধ্যে।
আউটবাউন্ড লিংক (Outbound link):আউটবাউন্ড লিংক হচ্ছে ব্যাকলিংকের বিপরীত অর্থ্যাৎ অন্য সাইটের লিংক যদি আপনার সাইটে থাকে।আউটবাউন্ড লিংক কে আউটগোয়িং লিংকও বলে।এটা ও হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এর মধ্যে।
কিওয়ার্ডঃ কি ওয়ার্ড হল ইনডেক্স একটা শব্দ, বিষয় শব্দ, বিষয় শিরোনাম, বা তথ্য আহরণ মধ্যে বর্ণনাকারী। একটি শব্দ যে একটা ডকুমেন্টের বিষয়ের মূল captures. । আসলে মুল কথা হচ্ছে ছোট একটা শব্দের মধ্যে দিয়ে অনেক বড় জিনিষের সমাহার থাকে। এইটা আসলে মুখে ছাড়া লিখে ভাল ভাবে আপনাদের সামনে উপস্থাপনা করা আমার পক্ষে কষ্টকর হয়ে জাচ্ছে।
ইন্টারনাল লিংক (Internal Link): এটা হচ্ছে আপনার সাইটেই এক পেজে অন্য পেজের লিংক।এটা অত্যন্ত গুরত্বপূর্ন ।যেমন আপনার সাইট এ যদি ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল থাকে তাহলে একপেজ থেকে তারপরের পেজে যাওয়ার জন্য আগের পেজে এনকর টেক্সট দিয়ে লিংক দিবেন।এটা আপনার সাইটের ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করবে।এতে পেজর‌্যাংক বাড়ে।উইকিপিডিয়ার সাইটে দেখবেন প্রতি লাইনেই কতগুলি করে তাদেরই সাইটের লিংক থাকে।
কিওয়ার্ড ডেনসিটি (Keyword Density):একটা পেজে কোন একটা নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড কতবার ব্যবহৃত হয়েছে এটা কিওয়ার্ডটির ডেনসিটি।
লিংক পপুলারিটি (Link Popularity):এটা হচ্ছে একটা সাইটরে মান কিরকম তা নির্নয়ের জন্য,এটা কোয়ালিটি ইনবাউন্ড লিংকের (ব্যাকলিংক) উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।সার্চ ইন্জিনগুলি লিংক পপুলারিটির উপর ভিত্তি করে তাদের এলগরিদম তৈরী করে থাকে যে একটা সাইট সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে (SERP) কোথায় থাকবে।
গেটওয়ে বা ডুরওয়ে পেজ (Doorway page): এটা হচ্ছে এমন পেজ বানানো যেখানে খুব অল্প কয়েকলাইন থাকে আর এসব লাইনে শুধু কিওয়ার্ড থাকে ফলে সার্চ র‌্যাংকিং বাড়ে কিন্তু ইউজারদের জন্য তেমন কোন তথ্য থাকেনা।এই পেজে গেলে অন্য কোন পেজের লিংক থাকে বা রিডাইরেক্ট করে অন্য পেজে নিয়ে যায়।এটাকে এন্ট্রি পেজ,পোর্টাল পেজ,জাম্প পেজ,ব্রিজ পেজ ইত্যাদি বলা হয়ে থাকে।এ
****২) ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO): এটা হোয়াইট হ্যাটের বিপরীত অর্থ্যাৎ সার্চ ইন্জিগুলির দেয়া নিয়মানুযায়ী অপটিমাইজ করলেননা।ব্ল্যাক হ্যাট এসইও টেকনিকের মধ্যে আছে কিওয়ার্ড স্টাফিং,ক্লকিং,অদৃশ্য টেক্সক্ট ইত্যাদি।একে আনএথিকাল (Unethical SEO) এসইও বলা যায়।
ক্লকিং (Cloaking): এটা এমন একটা টেকনিক যেটা সার্চ ইন্জিনকে এক ধরনের কনটেন্ট দেখাবে আর ইউজারকে অন্যরকম কনটেন্ট দেখায়।এই পদ্ধতিটি তে যখন সার্ভারে কোন পেজের জন্য রিকোয়েস্ট যায় তখন আইপি এড্রেস বা ইউজার এজেন্ট দেখে বুঝে ফেলে এটা কোন সার্চ ইন্জিনের বট/ক্রাউলার/স্পাইডার/স্কুটার নাকি মানুষ।যখন দেখে স্পাইডার তখন এক ধরনের পেজ দেখায় আর মানুষ হলে আরেক ধরনের পেজ। এইটা  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
লিংক ফার্ম (Link farm): লিংক ফার্ম হচ্ছে বেশ কিছু ওয়েবসাইট খুলে প্রতিটি সাইটের লিংক প্রতিটি সাইটে দেয়া।ফলে প্রতিটি সাইটের ব্যাকলিংক বৃদ্ধি পেল।এসব ধরা পরলে আপনার সাইটকে স্পামডেক্সিং এ গগনা করবে।
স্পামেডেক্সিং হচ্ছে সার্চ ইন্জিন আপনার সাইটকে এমনভাবে চিহ্নিত করবে যেন আপনি তাদের দেয়া গাইডলাইন ভঙ্গ করেছেন।আপনার সাইটকে যদি সার্চ ইন্জিন স্পামডেক্সিং করে ফেলে তাহলে আপনার পুরো SEO ব্যর্থতায় পর্যবশিত হল।বিভিন্ন কারনে আপনার সাইটকে স্পামডেক্সিং করতে পারে যেমন লিংক ফার্ম করলে,কিওয়ার্ড স্টাফিং করলে,ডুরওয়ে (Doorway pages) পেজ বানালে,ক্লকিং, সোজা কথা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করলে।
কিওয়ার্ড স্টাফিং (Keyword Stuffing):এটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও'র অংশ।ইউজার যেসব কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দিতে পারে এধরনের কিওয়ার্ডগুলি দিয়ে পেজ ভর্তি করা অর্থ্যাৎ কিওয়ার্ড ওভারলোডিং।অনেকসময় ইনপুট ট্যাগে hidden এট্রিবিউট দিয়ে এধরনের কিওয়ার্ড ঢুকিয়ে দেয় ফলে ইউজারের কাছে এসব টেক্সট অদৃশ্য থাকে আর সার্চ ইন্জিনকে এসব পড়তে হয়।আবার পেজের রং যা আছে টেক্সটের রংও তাই করে দেয় ফলে ইউজার দেখতে পারেনা কিন্তু সার্চ ইন্জিন দেখে।কিওয়ার্ড স্টাফিংকে অনেক সময় কিওয়ার্ড লোডিং বলা হয়।এইটা  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
*** ট্রাফিক (Traffic): কোন সাইট কত ভিজিট হচ্ছে এটা হচ্ছে সেই সাইটের ট্রাফিক।কোন সাইটের ট্রাফিক বাড়ছে অর্থ্যাৎ সেই সাইটের ভিজিট বাড়ছে। এই টা কেই ট্রাফিক বলে। অনেকে ট্রাফিক বললে বুজতে পারে না। অবশ্য আমি ও এক সময় বুঝতাম না (হা হা হা হা হা হা)।
আজকে আমরা অনেক কিছু শিখে ফেললাম। আশা করি সবার কাজে লাগবে। এই টা হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর বেসিক। তাই এই বেসিক সম্পর্কে ধারনা না থাকলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখা কনভাবে সম্ভব না। আগামী পর্বে কি ভাবে গুগলে কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিতে হই সেইটা শেখাব।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/128210

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৬] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা-০২

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৬] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা-০২





আর আমি আপনাদের সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে যতটুকু দেওয়ার প্রয়োজন তততুকু দেওয়ার চেষ্টা করব। আজকের আলোচনার বিষয় বস্তু কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজ কম, কিন্তু এইটার আলোচনার বিষয় বস্তু অনেক বেশি। আজকে ভাবছিলাম গুগলে কিভাবে সার্চ দিতে হই সেইটা শিখাব। কিন্তু এই টা যদি আগে শিখাই আপনারা কিছু বুঝতে পারবেন না ( নতুন দের জন্য), কারন আপনাদের কে আগে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর মূল বেজটা ধরতে হবে। এরপর সার্চ সম্পর্কে আলোচনা। আজকে মূলত আলোচনা করব অনপেজ অপটিমাইজেশন এর অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে।
  • অনপেজ অপটিমাইজেশন কি ?

অনপেজ আসলে কোন একটি ওয়েব সাইট এর মধ্যে যে অপটিমাইজেশন করা হই, সেইটা হল অনপেজ অপটিমাইজেশন । বিষয়টা এমন যে যখন কোন ওয়েব সাইট এর ডিজাইন করা হই তখন এর ভিতরে কিছু সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজ করতে হই,এই কারনে করতে হই যে সার্চ ইঞ্জিন যেন আমার সাইট টা খুজে পাই। এখন কিন্তু বিষয়টা আমি পরিষ্কার করে দিলাম। যদি ও একটু বুঝতে কষ্ট হবে আমি জানি, তারপর ও বলছি আরও ২-৩ টা ব্লগ পড়েন। একেবারে পরিষ্কার হয়ে যাবেন সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর অনপেজ সম্পর্কে । আমি যখন কাজ দেখাব তখন একেবারে পানির মত পরিষ্কার হয়ে যাবে।
  • অফপেজ অপটিমাইজেশন কি ?

অফপেজ অপটিমাইজেশন অনপেজ অপটিমাইজেশন এ কে ফলো করে। এর মানে সাইট যত বেশী ভিজিট হয় তার মূল্য সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তত বাড়ে। তাই বিভিন্ন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে একটি সাইটের ভিজিট বাড়ানো অফপেজ অপটিমাইজেশনের মধ্যে পড়ে। আমি অবশ্য ভাল সংজ্ঞা দিতে পারি না। কিন্তু বুঝানর চেষ্টা করি। আশা করি অনপেজ এর অফপেজ সম্পর্কে আপনাদের বুঝাতে সক্ষম হব। আর না বুঝাতে পারলে গালি দিয়েন না।
যাই হোক এখন অনপেজ অপটিমাইজেশন আর অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। অনপেজের অপটিমাইজেশন জন্য আর অফপেজের অপটিমাইজেশন জন্য কি কি করা লাগে সেই সম্পর্কে কিছু বলব।

অনপেজ অপটিমাইজেশনঃ

অনপেজ অপটিমাইজেশন হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এইটার ব্যবহার যদি কোনরকম ত্রুতি হই তাহলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট খুজে বের করতে হেল্প করবে না। তাই এইটার ইউটিলাইজ করতে হবে সঠিকভাবে। অনপেজের মধ্যে যে বিষয় গুলা বিদ্যমান। নিচে দেওয়া হল।
  1. কি- ওয়ার্ড রিসার্চ,
  2. কনটেন্ট,
  3. মেটা ট্যাগ এবং মেটা ডিস্ক্রিপশন,
  4. গুগল সাইট ম্যাপ,
  5. XML সাইট ম্যাপ । আরও বেশ কিছু আছে। কিন্তু এই গুলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই কইটা জিনিস জানতে পারলে অনপেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য আর কিছুর প্রয়োজন নেই।

 অফপেজ অপটিমাইজেশনঃ

অফপেজ অপটিমাইজেশন প্রচুর পরিমানে ট্রাফিক বা ভিজিটর এবং সাইট কে সার্চ ইঞ্জিন এর উপরে আনার জন্য সাহায্য করে। এই জন্য অফপেজ অপটিমাইজেশন এর গুরুত্ব টা এত বেশি।অফপেজ অপটিমাইজেশন এর মধ্যে রয়েছে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনপেজ অপটিমাইজেশন হচ্ছে সাইট যখন নতুন তখন এর গুরুত্ব অনেক বেশি, কিন্তু সাইট যখন পুরান হয়ে যাই তখন অফপেজ অপটিমাইজেশন ছাড়া সাইট একেবারে অচল। এখন দেখি অফপেজ অপটিমাইজেশন এর মধ্যে কি আছে।
  1. ব্যাক লিঙ্কিং,
  2. আর্টিকেল রাইটিং,
  3. অ্যাংকর টেক্সট,
  4. ব্লগ কমেন্ট,
  5. ফোরাম পোস্টিং,
  6. সোশ্যাল বুকমারকিং,
  7. ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং ,
  8. আর্টিকেল সাবমিশন,
  9. ডিরেক্টরি সাবমিশন,
  10. লিঙ্ক হুইল,
  11. লিঙ্ক এক্সচেন্জ ,
  12. RSS সাবমিশন,
  13. Review Site সাবমিশন,
  14. Classified সাবমিশন,
  15. সার্চ ইঞ্জিন সাবমিশন,
  16. প্রোফাইল পোস্টিং,
  17. CSS  সাবমিশন,
  18. ভিডিও পোস্টিং,
  19. ইমেজ পোস্টিং,
  20. পিডিএফ সাবমিশন ।
আরও আছে। অনেক গুলা আছে আমার লিস্টে।এত দরকার নেই আমদের। সব যদি জানাই দেই তাইলে ত কেউ এর আসবে না আমার কাছে জিজ্ঞেস করতে। হা হা হা হা হা। আশা করি যত গুলা লিস্ট দিছি কেউ কোনদিন আপনাদের সামনে এসে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না। আরও যখন কাজ দেখাই দেব, গ্যারান্টি দিলাম বাংলাদেশের কোন সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজার আপনার সাথে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা রাখবে না। আমারে এত কিছু জানানোর জন্য আমার গুরু শ্রদ্ধেয় বিপ্লব স্যার এর কথা যদি না বলি আমার মনে হই সবচেয়ে বড় পাপ হবে। আমি তার কাছে সারাজিবন কৃতজ্ঞ থাকব। আমার লাইফ টা সে পরিবরতন করে দিছে। যাই হোক পার্সোনাল কিছু কথা বলে ফেললাম। আমি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর উপর প্রাই ২০-২২ টা বাংলা ব্লগ পড়েছি। কিন্তু আমি যে ভাবে সাজিয়ে আপনাদের কে দিচ্ছি কোন ব্লগে এই ভাবে সাজিয়ে দেই নি, শুধু সাজিয়ে না কোন প্রকার বিস্তারিত পাই নি। আমি যে ৬ টা টিউন করছি, আপনারা যদি এই ৬ টা টিউন ভাল ভাবে পড়েন থাকেন তাহলে আপনারা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে ১০% জেনে গেছেন।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/129180

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৭] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০১

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৭] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০১





 আজ আমি কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে আলোচনা করব। কি- ওয়ার্ড রিসার্চ টা কি জিনিস পূর্বে একটা টিউনে আমি বলে দিছি। এখন আসলে আমাদের জানার দরকার কি- ওয়ার্ড কোথায় কোথায় ব্যবহার করতে হই। কি- ওয়ার্ড এর গুরুত্ব কত ? এই সব বিষয় গুলা আগে জানতে হবে।
কি- ওয়ার্ড গুরুত্বঃ
কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে জানার আগে আপনি আমাকে বলেন কেন আপনি এস ই ও করবেন ? কেন আপনি এস ই এম করবেন ? এক কথাই কেন আপনি আপনার সাইট এর জন্য অ্যাডভারটাইজিং করবেন ? উত্তর দিবেন ভিজিটরের জন্য তাই ত। আসলে উত্তর সঠিক। এত কষ্ট করা সুধু সাইট প্রচুর পরিমানে ভিজিটরের আনার জন্য। আর প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আসলে আপনার ইনকাম ও বাড়তে থাকবে। সবচেয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর দেই সার্চ ইঞ্জিন। আর সার্চ ইঞ্জিন এ মানুষ তাদের নিজস্ব একটা কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেন। এখন কিছুটা মনে হই বুঝতে পারছেন কি- ওয়ার্ড এর গুরুত্ব কততুকু। আরও একটু বলি তাহলে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব টা বুঝতে পারবেন।
ধরুন আপনার একটা ওয়েব সাইট আছে, সাইট টা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে। এখন মানুষ আপনার সাইট এ আসার জন্য সার্চ ইঞ্জিন এ কি Entertainment World লিখে সার্চ দিবে । কখন দিবে না, সে হইত সার্চ দিতে পারে, Earn For Online, Make Money Online, Online earn Tips ইত্যাদি। সুতরাং তারা একটা রিলেটিভ কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিবে। এখন আপনার কাজ হচ্ছে আসলে আমার সাইট টা ত অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে । আপনি চিন্তা করেন মানুষ অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে সার্চ ইঞ্জিন এ কি লিখে সার্চ দিতে পারে। আর আপনার চিন্তা সঠিক কি না সেইটা সম্পর্কে রিসার্চ করা কে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ বলে। আর এই কি- ওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য কত গুলা সাইট আছে যারা আপনার কি- ওয়ার্ড আর খুঁটিনাটি সব কিছু জানাতে হেল্প করে। এতে করে সুবিধা হবে আপনার। আপনি একটা সঠিক কি- ওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন। আর সেই কি- ওয়ার্ডকে সঠিক ভাবে ইউটিলাইজ করতে পারলে আপনার সাইট পাওয়ার ফুল। আপনার সাইট পাওয়ার ফুল ত আপনি ও পাওয়ার ফুল। এখন হইত ক্লিয়ার ভাবে বুঝতে পারছেন কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে।
কি-ওয়ার্ড রিসার্চ আসলেই কতটা জরুরী ও গুরুত্তপূর্ণ একটি বিষয় তা হইত আপনাদের বুঝাতে পারব না। আপনার কি- ওয়ার্ড রিসার্চ যদি সঠিক না হই তাহলে আপনার সাইট ফ্লপ খাবে। দেখবেন সার্চ ইঞ্জিন এ প্রথমে আপনার সাইট কিন্তু ভিজিটর নেই। এই জন্য সর্ব প্রথম কি- ওয়ার্ড রিসার্চ আর উপর গুরুত্ব দিতে হবে।
কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর জনপ্রিয় ২ টি সাইট আর নাম দিলাম। আজ কাজ দেখাব না পরবর্তী টিউনে আল্লাহ্‌ বাচাই রাখলে কাজ দেখাব।
১। Google Adwords  Keyword Tool –  https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal
২। Wordtrackerkeyword suggestion tool -- https://freekeywords.wordtracker.com/
কি- ওয়ার্ড এর ব্যবহারঃ কি- ওয়ার্ড কোথায় কোথায় ব্যবহার করতে হয় নিচে দিয়ে দিলাম। জিনিস গুলা মনে রাখেন। সাড়া জীবন কাজে লাগবে। এস ই ও নিয়ে যতক্ষণ আছেন কি- ওয়ার্ড ততক্ষন আছে আপনার সাথে। এই জন্য কি- ওয়ার্ড কে গুরুত্ব দিতে হবে।
১) ডোমেইন এর নামঃ আপনার সাইট এর নাম কি হবে এইটার উপর নির্ভর করে অনেক কিছু। সাইট এর নাম যদি একজন ভিজিটর এসে না মনে রাখতে পারে তাহলে সেই সাইট বানানোর কোন যুক্তি আসে না। এর এমন নাম দিতে হবে যেন আপনার সাইট এর টপিকস রিলেটেড হই। সার্চ ইঞ্জিন প্রথম সার্চ করার সময় ডোমেইন ইউ আর এল (Domain URL) সার্চ করে। এই জন্য ডোমেইন নাম এর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। ডোমেইন নাম জন্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ বড় একটা ফ্যাক্টর।
২) ওয়েব সাইট এর টাইটেলঃ সাইট এর টাইটেল এর জন্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ সেইরকম গুরুত্ব। আপনার সাইট এর টাইটেল যদি সঠিকভাবে ব্যবহার না করতে পারেন তাহলে কপালে অনেক বড় দুঃখ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। এই জন্য সাইট এর টাইটেলটার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে কঠিন আকারে। টাইটেলে ২ টি সুবিধা একটি সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট খুজে বের করতে পারে আর একটি ভিজিটর আসে যাতে আপনার সাইট আর গুড ফিডব্যাক দিতে পারে। আর এই জাইগাই ভিজিটর আর গুড ফিডব্যাক হচ্ছে আপনার জন্য পজিটিভ। যখন ভিজিটর গুড ফিডব্যাক দিচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন আপনারে আরও উপরে উঠতে সাহায্য করবে। এই জন্য টাইটেল টার প্রতি নজর রাখতে হবে। টাইটেল নির্বাচন এর ক্ষেত্রে একটা অঙ্ক আছে, যেইটা বলব না। বললে ত সব জেনে যাবেন। হা হা হা হা। যাই হোক পরবর্তী টিউনে লিখব অঙ্ক টা।
৩) আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রেঃ আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড বড় একটা ভুমিকা পালন করে। প্রতি ১০০ ওয়ার্ড এ মিনিমাম+মাক্সিমাম ৩ বার কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এতে করে আপনার পোস্ট+সাইট এর জন্য উপকার হই। আমি যে টিউনটা টা লিখলাম আজ,(সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৭] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০১ ) এই পোস্ট টা তে দেখেন আমি কতবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি। ১-২ দিন পর বাংলাই গুগলে কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ দিবেন দেখবেন আমার পোস্ট টা গুগল এর প্রথম পাতাই ১-৩ এর মধ্যে আছে। একটাই কারন দেখেন আমি এই আর্টিকেল আমি অনেকবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি।আমি হাইলাইট করে দিছি কি-ওয়ার্ড গুলা। এই জন্য আর্টিকেল লেখার সময় পোস্ট টা যে বিষয় নিয়ে লেখা সে বিষয়ের উপর এবং সাইট এর মূল যে কি-ওয়ার্ড আছে সেইটার উপর কিছু কি-ওয়ার্ড দিতে হবে। তবে অবশ্যই ১০০ ওয়ার্ড এ ৩ টা কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
৪) মেটা ট্যাগের ক্ষেত্রেঃ মেটা ট্যাগ নিয়ে পরবর্তীতে একটা টিউন হবে। যারা জানেন না মেটা ট্যাগ কিভাবে দিতে হই। শিখাই দিব। সুধু এইটুকু জেনে রাখুন কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হই মেটা ট্যাগে।কোথায়, কি ভাবে করতে হই হই জানাই দেব।
এই কই ক্ষেত্রে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার হই। আরও কিছু ক্ষেত্রে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার হই। যেইটা আসলে আপনাদের এখন বুঝানো কষ্টকর। যাই হোক এই ৪ টি ক্ষেত্রে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ৪ টি জাইগাতে কি-ওয়ার্ড গুলা ভাল ভাবে ইউটিলাইজ করতে পারলে সাইট সুপার হিট। আজ আর লিখতে মন চাচ্ছে না। আবার পরবর্তী টিউনে দেখা হবে।

source: http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/132083