Monday, August 17, 2015

বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ড Hacking এবং Cracking সফটওয়্যার


আমি আপনাদের কিছু Hacking এবং Cracking সফটওয়্যার দিব। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনি সইজেই কোন সফটওয়্যার Crack বা ব্যক্তিগত কারও প্রোফাইল Hack করতে পারবেন। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনি একদিকে অন্যের উপকার অথবা আপকার করতে পারেন। সে চিন্তা আপনার বিবেকের কাছে রইলো। এই পৃথিবীর প্রতিটি বিষয়ের ভাল মন্দ দিক রয়েছে। একজন ডাক্তার চাকু দিয়ে যেমন রোগীকে সুস্থ করেন আবার অন্যদিকে একজন আপরাধী সেই চাকু দিয়ে অসৎ ভাবে মানুষের অপকার করে। এখানে কেবল মাত্র ব্যক্তির অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। তবে এ কথা সত্য যে অপরাধের বিচার একদিন হবেই, হোক সেটা ইহকালে বা পরকালে। আমার এই টিউটির উদ্দেশ্য আপনাদের উপকার করা, তবে কোন ভাবে যদি কেউ এর আপব্যবহার করে তবে ভবিষৎতে এর থেকে ১০০গুন উন্নত মানের হ্যাকিং টিউন আমি আর করবো না।

PDF Password Remover

@lmas 1

Windows XP Admin Password Remover

 বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

Zip File Password Cracker

@lmas 3

Microsoft Office Password Remover

 বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

Windows Vista Admin Password Recovery

@lmas 5

RAR File Password Cracker

@lmas 6

EXE File Password Recovery

@lmas 7

Windows 7 Password Cracker

@lmas 8

MSN Password Recovery

@lmas 9

Mozilla Firefox Password Cracker

@lmas 10
(সময় সল্পতার কারনে ১০টি সফটওয়্যারের নাম ও ছবি দিলাম।)

source:http://technohelpbd.blogspot.com/2010/04/hacking-cracking.html



নিজেই করুন এসইও



সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে ধারাবাহিক পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের উন্নতি সাধন করা। এই পরিবর্তনগুলো হয়ত আলাদাভাবে চোখে পড়বে না, কিন্তু সামগ্রিকভাবে এর মাধ্যমে একটি সাইটের ব্রাউজিংয়ের স্বাচ্ছন্দ্যবোধ অনেকাংশে বেড়ে যায় এবং অর্গানিক বা স্বাভাবিক সার্চ রেজাল্টে সাইটকে শীর্ষ অবস্থানের দিকে নিয়ে যায়। গত পর্বে এসইও’র বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। এ পর্বে অন-পেজ এসইও (On-page SEO) নিয়ে আলোকপাত করা হলো। এই লেখাটি গুগলের প্রকাশিত ‘এসইও স্টার্টার গাইড’-এর ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে।



০১. প্রাথমিক এসইও টাইটেল ট্যাগের ব্যবহার : 
একটি এইচটিএমএল পৃষ্ঠার টাইটেল ট্যাগ থেকে সে পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়। একজন ব্যবহারকারী এবং সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এইচটিএমএল ডকুমেন্টের ট্যাগের মধ্যে ডেসক্রিপশন মেটা ট্যাগ

একটি এইচটিএমএল ডকুমেন্টের ডেসক্রিপশন মেটা ট্যাগের মধ্যে ওই পৃষ্ঠা সারসংক্ষেপ যুক্ত করা হয়, যা গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনকে সাইটের পৃষ্ঠাটি সম্পর্কে ভালো ধারণা দেয়। যেখানে টাইটেল ট্যাগ কয়েকটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত, সেখানে ডেসক্রিপশন মেটা ট্যাগের মধ্যে এক বা একাধিক লাইনের একটি প্যারাগ্রাফ দিতে হয়। টাইটেল ট্যাগের মতো এটিও ট্যাগের মধ্যে এর মাধ্যমে যুক্ত করতে হয়। সাইটের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় ভিন্ন ভিন্ন এবং সঠিক ডেসক্রিপশন যুক্ত করা প্রয়োজন, কারণ সার্চের ফলাফলে প্রায় সময় এটি প্রদর্শিত হয়। শুধু কিওয়ার্ড দিয়ে ডেসক্রিপশন মেটা ট্যাগটি তৈরি করা উচিত নয়। অনেকে আবার পৃষ্ঠার মূল লেখাকে সরাসরি এই ট্যাগে লিখে ফেলেন যা মোটেও ঠিক নয়।

০২. সাইটের কাঠামো ইউআরএল পুনর্গঠন : 
সহজবোধ্য ও বর্ণনামূলক ইউআরএল (URL) সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। সাইটের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠার ইউআরএল যাতে সেই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আইডি বা ব্যবহারকারীদের কাছে অর্থহীন বিভিন্ন প্যারামিটার ব্যবহার না করে অর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করা উচিত। উদাহরণস্বরূপ http:// yoursite.com?category_id=1&product_id=2-এর পরিবর্তে http://yoursite.com/books/ book-title এভাবে ইউআরএল লিখলে সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের কাছে পৃষ্ঠার বিষয়বস্ত্ত স্পষ্ট হয়ে যায়। ইউআরএলে যাতে অত্যধিক কিওয়ার্ড না থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।



সহজ নেভিগেশন

সাইটের নেভিগেশন অর্থাৎ এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় যাওয়া যাতে সহজ হয়, তা বিবেচনায় রাখতে হবে। সহজ নেভিগেশন একদিকে ব্যবহারকারীদেরকে যেমন সাইটের তথ্য সহজেই খুঁজে পেতে সাহায্য করে অন্যদিকে সাইটের গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠাগুলোকে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই খুঁজে পায়। সাইটের প্রথম পৃষ্ঠা বা হোমপেজ থেকে অন্যান্য সব পৃষ্ঠায় কিভাবে যাওয়া যাবে, তা প্রথমেই প্ল্যান করা উচিত। সাইটে অসংখ্য পৃষ্ঠা থাকলে সেগুলোকে বিভাগ এবং উপ-বিভাগে ভাগ করে রাখা প্রয়োজন। প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় breadcrumb লিস্ট যুক্ত করা ভালো। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কত ধাপ ভেতরের পৃষ্ঠায় রয়েছে, তা জানতে পারে এবং চাইলে লিঙ্কে ক্লিক করে আগের পৃষ্ঠায় যেতে পারে। এই লিস্ট দেখতে সাধারণত এরকম হয়ে থাকে- Home > Products > Books।

সাইট ম্যাপের ব্যবহার

সাইট ম্যাপ দুই ধরনের হয়ে থাকে। প্রথমটি একটি সাধারণ এইচএমএলটি পৃষ্ঠা, যেখানে সাইটের সব পৃষ্ঠার লিঙ্ক যুক্ত করা হয়। মূলত কোনো পৃষ্ঠা খুঁজে পেতে অসুবিধা হলে ব্যবহারকারীরা এই সাইট ম্যাপের সহায়তা নেয়। সার্চ ইঞ্জিনও এই সাইট ম্যাপ থেকে সাইটের সব পৃষ্ঠার লিঙ্ক পেয়ে থাকে। দ্বিতীয় সাইটম্যাপ হচ্ছে একটি এক্সএমএল ফাইল, যা ‘গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস’ নামে গুগলের একটি সাইটে সাবমিট করা হয়। সাইটের ঠিকানা http://www.google.com/webmasters/tools। এ ফাইলের মাধ্যমে সাইটের সব পৃষ্ঠা সম্পর্কে গুগল ভালোভাবে অবগত হতে পারে। এই সাইটম্যাপ ফাইল তৈরি করতে গুগল একটি ওপেনসোর্স স্ক্রিপ্ট দেয়, যা এই লিঙ্ক থেকে পাওয়া যাবে- http://code.google.com/p/googlesitemapgenerator

৪০৪ পেজের গুরুত্ব

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ব্রাউজ করার সময় প্রায় সময় ৪০৪ নামের একটি পৃষ্ঠা দেখতে পান। সাইটের লিঙ্ক ভুল থাকলে কিংবা কাঙ্ক্ষিত পৃষ্ঠাটি না পাওয়া গেলে এটি যেকোনো সাইটেই দৃশ্যমান হয় এবং এক্ষেত্রে সাধারণত ‘404 File Not Found’ লেখাটি দেখা যায়। তবে এর সাথে অন্যান্য সাহায্যকারী তথ্য বা সাইটের অন্যান্য পৃষ্ঠার লিঙ্ক যুক্ত করতে পারলে ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক সুবিধা হয়।



০৩. কন্টেন্ট অপ্টিমাইজেশন, মানসম্মত তথ্য এবং সার্ভিস : 
মানসম্মত ও স্বতন্ত্র কন্টেন্ট বা তথ্য হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট জনপ্রিয় করার মূল হাতিয়ার। এটি একদিকে যেমন ব্যবহারকারীদেরকে সাইটে নিয়মিত আসতে প্রভাবিত করে, তেমনি গুগলের কাছেও সাইটের গুরুত্ব বেড়ে যায়। ওয়েবসাইটে লেখা সংযোজন করার আগে কিওয়ার্ড নিয়ে গবেষণা এবং লেখায় এর প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। গুগলের ‘অ্যাডওয়ার্ডস’ সাইটে এজন্য একটি টুল রয়েছে, যা একটি কিওয়ার্ড কতটা জনপ্রিয় তা যাচাই করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এই টুলের মাধ্যমে নতুন নতুন কিওয়ার্ড সম্পর্কে জানা যায়। সাইটটির ঠিকানা হচ্ছে- https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal। তাছাড়া গুগলের ‘ওয়েবমাস্টার টুলস’ সাইটে শীর্ষ কিওয়ার্ডের একটি লিস্ট পাওয়া যায়। এ থেকে ব্যবহারকারীরা সাইটে ভিজিট করার আগে গুগলে কোন কিওয়ার্ড ব্যবহার করে আসে, তা জানা যায়। ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট তৈরি করার সময় বানান এবং ব্যাকরণের দিকে খেয়াল রাখা উচিত। লেখায় একাধিক বিষয়বস্তু থাকলে সেটিকে কয়েকটি প্যারাগ্রাফে ভাগ করে এবং শিরোনাম সহকারে লেখা উচিত।

GsKi টেক্সটের যথাযথ ব্যবহার

GsKi টেক্সট (Anchor Text) হচ্ছে HTML এর বা GsKi ট্যাগের ভেতরের শব্দগুচ্ছ যাতে ক্লিক করে অন্য কোনো পৃষ্ঠা বা সাইটে যাওয়া যায়। এই টেক্সটি গুগল এবং ব্যবহারকারীদেরকে লিঙ্ক সম্পর্কে পূর্ব ধারণা দেয়। এই লিঙ্কটি একই সাইটের অন্য কোনো পৃষ্ঠার সাথে হতে পারে অথবা ভিন্ন কোনো সাইটের সাথে সংযুক্ত হতে পারে। GsKi টেক্সটে ‘Click here’, ‘Page’ বা ‘Article’ এই জাতীয় সাধারণ শব্দ ব্যবহার না করে লিঙ্ক করা পৃষ্ঠার বর্ণনামূলক হওয়া উচিত। GsKi টেক্সটটি যাতে অল্প কয়েকটি শব্দের সমন্বয়ে হয় সেদিকে খেয়াল রাখা চাই। সম্পূর্ণ একটি বাক্যকে GsKi টেক্সট হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। একটি সাধারণ লেখা থেকে লিঙ্ককে যাতে আলাদাভাবে চেনা যায় সেজন্য GsKi টেক্সটে ভিন্ন রং, আন্ডারলাইন ইত্যাদি CSS স্টাইল ব্যবহার করা যেতে পারে।

ছবির ব্যবহার

ওয়েবসাইটে ছবি বা ইমেজ যুক্ত করার সময় এইচটিএমএলের  ট্যাগের মধ্যকার alt এট্রিবিউটে ছবির বর্ণনা যুক্ত করা উচিত। এর ফলে কোনো ব্রাউজারে যদি ছবিটি না আসে তাহলে এই এট্রিবিউটের লেখাটি দৃশ্যমান হবে। একটি ছবিকে লিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করার সময় এটি GsKi টেক্সটেরও কাজ করে। অন্যদিকে এর মাধ্যমে গুগলের ইমেজ সার্চের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা ছবিটি খুঁজে পাবে। ছবির বর্ণনার পাশাপাশি ছবির ফাইলে নামও বর্ণনামূলক ও সংক্ষিপ্ত হওয়া প্রয়োজন। সাইটের সাইটম্যাপ ফাইলের মতো ছবির জন্যও একটি এক্সএমএল সাইটম্যাপ তৈরি করা যায়, যা গুগলকে ওয়েবসাইটের সব ছবি সম্পর্কে ভালো ধারণা দেয়।



হেডিং ট্যাগ

HTML G [h1] থেকে শুরু করে [h6] পর্যন্ত ৬টি হেডিং ট্যাগ রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিরোনামকে [h1] ট্যাগের মধ্যে এবং কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য হেডিং ট্যাগের মধ্যে লেখা হয়। হেডিং ট্যাগের লেখা যেহেতু পৃষ্ঠার অন্যান্য লেখা থেকে আকারে বড় হয়ে থাকে, তাই এটি ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি সহজেই আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয় এবং লেখার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত করতে ব্যবহারকারী ও গুগলকে সহায়তা করে। তবে একটি পৃষ্ঠায় মাত্রাধিক হেডিং ট্যাগ যাতে ব্যবহার না হয় তা মাথায় রাখতে হবে।

০৪. ক্রাউলার উপযোগী এসইও robots.txt ফাইলের ব্যবহার : 
ক্রাউলার (Crawler) হচ্ছে এক ধরনের কমপিউটার প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডাটাবেজে সংরক্ষণ (বা ক্রাউলিং) এবং সাজিয়ে (বা ইন্ডেক্সিং) রাখে। ক্রাউলার প্রোগ্রামকে প্রায় সময় ইন্ডেক্সার, বট, ওয়েব স্পাইডার, ওয়েব রোবট ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। গুগলের ক্রাউলারটি ‘গুগলবট’ নামে পরিচিত। গুগলবট নিরবচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেটে বিচরণ করে বেড়ায় এবং যখনই নতুন কোনো ওয়েবসাইট বা নতুন কোনো তথ্যের সন্ধান পায়, এটি গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে। robots.txt হচ্ছে এমন একটি ফাইল যার মাধ্যমে একটি সাইটের নির্দিষ্ট কোনো অংশকে ইন্ডেক্সিং করা থেকে সার্চ ইঞ্জিন তথা ক্রাউলারকে বিরত রাখা যায়। এই ফাইলটিকে সার্ভারের মূল ফোল্ডারের মধ্যে রাখতে হয়। একটি সাইটে এমন অনেক পৃষ্ঠা থাকতে পারে, যা ব্যবহারকারী ও সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের কাছে অপ্রয়োজনীয়, সেক্ষেত্রে এই ফাইলটি হচ্ছে একটি কার্যকরী সমাধান। গুগলের ওয়েবমাস্টার টুলস সাইট থেকে এই ফাইল তৈরি করা যায়।

nofollow wjsK সম্পর্কে সতর্কতা

গুগলবট একটি সাইটকে যখন ক্রাউলিং করতে থাকে, তখন সে সাইটে অন্য সাইটের লিঙ্ক পেলে সেখানে ভিজিট করে এবং সেই সাইটকেও ক্রাউলিং করে। এক্ষেত্রে একটি সাইটের পেজরেঙ্ক (পিআর)-এর ওপর অন্য সাইটের পেজরেঙ্কের প্রভাব পড়ে। এইচটিএমএল ট্যাগের ট্যাগের মধ্যে ‘rel’ এট্রিবিউটে ‘nofollow’ দিয়ে রাখলে গুগল সেই লিঙ্কে ভিজিট করা থেকে বিরত থাকে। nofollow লেখার নিয়ম হচ্ছে- Site Name। এটি মূলত বিভিন্ন ব্লগিং সাইটে পাঠকদের মন্তব্যে অবস্থিত লিঙ্কে ব্যবহার হয়, যা স্প্যামার বা অনাকাঙ্ক্ষিত ভিজিটরদেরকে তাদের সাইটের পেজরেঙ্ক বাড়ানো প্রতিরোধ করে। এটি অযাচিত মন্তব্য দিতে স্প্যামারদেরকে নিরুৎসাহিত করে। তবে যেসব ক্ষেত্রে স্প্যাম প্রতিরোধের ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে nofollow ব্যবহার না করাই ভালো। এতে পাঠকরা মন্তব্য দিতে উৎসাহিত হবে এবং সাইটের সাথে তাদের যোগাযোগ আরও বেশি হবে।

০৫. সঠিক পদ্ধতিতে ওয়েবসাইটের প্রচারণা এবং বিশ্লেষণ : 
একটি সাইটকে যখন অপর একটি সাইট লিঙ্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে তখন একে বলা হয় ব্যাকলিঙ্ক। একটি সাইটের ব্যাকলিঙ্ক যত বেশি হবে, গুগলের কাছে সেই সাইটের গুরুত্বও তত বাড়তে থাকবে এবং এর পেজরেঙ্কও বাড়তে থাকবে। ফলস্বরূপ সার্চের মাধ্যমে আরো বেশিসংখ্যক ব্যবহারকারী সাইটে আসবে। বেশি করে ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য ওয়েবসাইটে মানসম্মত তথ্য থাকা এবং এর সঠিক প্রচারণা প্রয়োজন। একটি সাইটে ভালো তথ্য থাকলে ব্যবহারকারীরা তাদের ওয়েবসাইটে স্বেচ্ছায় ব্যাকলিঙ্ক সংযুক্ত করবে। একটি ওয়েবসাইটের প্রচারণা দুই ধরনের হতে পারে- অনলাইন এবং অফলাইন। অনলাইন প্রচারণার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্লগিং। ওয়েবসাইটের সাথে একটি ব্লগ সংযুক্ত থাকলে এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের নতুন নতুন সার্ভিস বা পণ্যের সাথে ব্যবহারকারীদেরকে সহজেই পরিচয় করিয়ে দেয়া যায়। অনলাইন প্রচারণার মধ্যে আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্কিং ও কমিউনিটি সাইটে প্রচারণা। তবে এসব সাইটে প্রচারণার ক্ষেত্রে একটু সংযমী হওয়া প্রয়োজন। ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি নতুন তথ্য বা যে কোনো ছোটখাটো পরিবর্তন শেয়ার না করে বেছে বেছে ভালো তথ্যগুলো সবাইকে জানানো উচিত। অন্যথায় এটি অন্যদের বিরক্তির উদ্রেক করে। নিজের সাইটের সমজাতীয় কমিউনিটি সাইট বা বিভিন্ন ফোরামে প্রচারণা করা ভালো, তবে সেসব সাইটে অযথা পোস্ট দেয়া বা স্প্যামিং যাতে না হয়। অফলাইন প্রচারণার মধ্যে রয়েছে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন, বিজনেস কার্ড তৈরি, পোস্টার, লিফলেট, নিউজলেটার প্রকাশ ইত্যাদি।

ফ্রি ওয়েবমাস্টার টুলের ব্যবহার

গুগলসহ অন্যান্য জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনগুলো ওয়েবমাস্টারদের জন্য এসইও সহায়ক বিভিন্ন ফ্রি টুল দেয়। গুগলের ওয়েবমাস্টার টুলস সাইটের মাধ্যমে একজন ওয়েবমাস্টার তার সাইট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পারে, যা গুগলের সার্চ রেজাল্টে আরো ভালোভাবে ওয়েবসাইটটি উপস্থিত হতে সহায়তা করে। এই সাইট থেকে যেসব সার্ভিস বিনামূল্যে পাওয়া যায় সেগুলো হলো-

* গুগলবট একটি সাইটের কোনো অংশ ক্রাউলিং করতে না পারলে তা যায়।
* গুগলে একটি XML সাইটম্যাপ সাবমিট করা যায়।
* robots.txt ফাইল তৈরি করা যায়।
* title এবং description মেটা ট্যাগে কোনো সমস্যা থাকলে তা শনাক্ত করা যায়।
* যেসব সার্চ কিওয়ার্ডের ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সেগুলো সম্পর্কে জানা যায়।
* অন্য কোন কোন সাইট ব্যাকলিঙ্ক করেছে, তা জানা যায়।
* আরো নানা ধরনের বিশ্লেষণধর্মী টুল।

এখানে যদিও ‘সার্চ ইঞ্জিন’ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তথাপি একটি ওয়েবসাইটকে অপটিমাইজ বা উন্নত করার ক্ষেত্রে সাইটের ভিজিটরদের সুবিধার কথাই প্রথমে চিন্তা করা উচিত। কারণ, ভিজিটররাই হচ্ছে একটি সাইটের মূল ভোক্তা, কোন সার্চ ইঞ্জিন নয় আর তারা সাইটকে খুঁজে পেতে সার্চ ইঞ্জিনকে একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে মাত্র। এসইও একটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার এবং একটি চলমান প্রক্রিয়া। রাতারাতি একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় নিয়ে আসা যায় না। তবে নিয়মিত উন্নয়ন করতে থাকলে এর ফলাফল অনেক সুদূরপ্রসারী।

Source:http://technohelpbd.blogspot.com/2011/06/blog-post.html

লিংক, লিংক, চাই আরো ব্যাক-লিংক


 
সার্চ-ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোর একটি হচ্ছে ব্যাক-লিংক বা ইনবাউণ্ড লিংক। একই সাইটের ভেতরের পেইজগুলোর মধ্যে যে আভ্যন্তরীন লিংক থাকে, সেগুলোকে বলে "ইন্টারনাল লিংক"। একটি সাইট থেকে অন্য সাইটের যে লিংক থাকে, সেগুলো হচ্ছে "এক্সটারনাল লিংক" - যা আমাদের এই পোষ্টের আলোচ্য বিষয়।



এক্সটারনাল লিংক আবার কয়েক ধরনের হয়, যেমন - রিসিপ্রোক্যাল লিংক, ওয়ান ওয়ে লিংক ইত্যাদি। ক এবং খ দুটো সাইটের দুটো থেকেই যদি দুটোর সাথে লিংক থাকে, সেটাকে বলে রিসিপ্রোক্যাল লিংক। কিন্তু শুধু মাত্র ক থেকে খ-য়ের দিকে যদি লিংক থাকে এবং খ থেকে ক-য়ের দিকে কোন লিংক না থাকে, তাহলে খ-য়ের জন্য সেটা ওয়ান ওয়ে ব্যাক-লিংক। সাধারনত ব্যাক-লিংক বলতে আমরা এই ওয়ান ওয়ে ব্যাক-লিংককেই বুঝি। সার্চ-ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের প্রতিনিয়ত চিন্তা করতে হয় তার সাইটের জন্য কিভাবে এবং কত বেশী পরিমানে ভালো মানের ওয়ান ওয়ে ব্যাকলিংক পাওয়া যায়।

ব্যাক-লিংক কেনো এত গুরুত্বপূর্ণ? সার্চ-ইঞ্জিন যে ফ্যাক্টরগুলোর উপর ভিত্তি করে ঠিক করে যে, কোন একটি বিষয়ের সার্চ-রেজাল্টে কোন সাইটটির নাম আগে দেখাবে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যাক-লিংক। কোন সাইটের যত বেশী ব্যাক-লিংক থাকবে, সেই সাইটটি তত বেশী গুরুত্ব পাবে। প্রতিটি ব্যাক-লিংক একটি করে ভোট হিসেবে গণ্য হবে।

আবার শুধু ব্যাকলিংক হ
লেই হবে না, সেগুলো হতে হবে অবশ্যই ডু-ফলো - অর্থাৎ সেগুলো সার্চ-ইঞ্জিন ক্রলার দারা ক্রল-যোগ্য হতে হবে। ব্যাক-লিংক যত বেশী মানসম্পন্ন হবে ততই প্লাস পয়েন্ট। মানসম্পন্ন ব্যাক-লিংক কি? লিংক যত বেশী সমবিষয়ের সাইট থেকে আসবে, সেটার মান তত বেশী হবে। আপনার রেসিপি সাইটে কোন একটি খেলার সাইট থেকে আসা ব্যাক-লিংকের চেয়ে অন্য একটি রেসিপি সাইট থেকে আসা লিংকের মান হবে অনেক বেশী।

যে শব্দ বা বাক্যটিতে লিংকটি দেয়া থাকে সেটাকে বলে "এ্যাঙ্কর টেক্সট"। আপনার সাইটে আসা ব্যাক-লিংকটির এ্যাঙ্কর টেক্সটটিতে যদি আপনার সাইটের কি-ওয়ার্ডটিথাকে, সেটার মান তখন আরো বেশী হবে। সার্চ-ইঞ্জিন তখন আরো নিশ্চিত হবে যে আপনার সাইটটি সেই বিষয়ের সাথে সংগতিপূর্ণ।

মানসম্পন্ন লিংকের আরেকটি গুণ হলো সেটি যে পেইজটি থেকে আসছে সেই পেইজটির পেইজরেঙ্ক। যত উচ্চ মানের পেইজরেঙ্ক থেকে লিংক আসবে, লিংকটির মান ততই বেশী হবে। এছাড়াও .org, .edu, .gov - এই সাইটগুলো থেকে আসা ব্যাক-লিংককে সার্চ-ইঞ্জিন কমার্শিয়াল সাইটগুলোর তুলনায় অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

সুতরাং আপনার সাইটটিকে সার্চ-ইঞ্জিন রেঙ্কিং-এর সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইলে আপনার টার্গেট হতে হবে - কত বেশী সমবিষয়ের সাইটের কত বেশী পেইজরেঙ্ক সম্পন্ন পেইজ থেকে কত বেশী ব্যাক-লিংক পাওয়া যায়। যত বেশি মানসম্পন্ন ব্যাক-লিংক, তত বেশী সাফল্য। সুতরাং লেগে পড়ুন এখন থেকেই।

সূত্র: http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/28989856

সোশ্যাল বুকমার্কিং করুন ব্লগে/ সাইটে কাংক্ষিত ভিজিটর আনুন


কেমন আছেন বন্ধুরা? নিশ্চই খুব ভাল। আমিও বেস ভাল আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে সোশ্যাল বুকমার্কিং কি এবং কিভাবে সোশ্যাল বুকমার্কিং করা হয়- সেই বিষয়টা শেয়ার করব। যাই হোক কথা আর না বাড়িয়ে আসুন শুরু করা যাক।
সোশ্যাল বুকমার্কিং অফপেজ এস.ই.ও-র ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূ মিকা পালন করে। যে সব কারনে আসলে আমরা আমাদের ব্লগে/ সাইটের জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং করি তা নিম্নরপঃ

  • সোশ্যাল বুকমার্কিং আমদের সাইটের জন্য লিংক বিল্ডিং এর কাজ করে থাকে।
  • এটি সাইটের জন্য ডুফলো (dofollow) এবং নোফলো (nofollow) ব্যাকলিংক দেয়।
  • দ্রত পোস্ট ইন্ডেক্সিং করানর জন্য বুকমার্কিং এর জুরি নাই।
  • SERP এ ভাল ফলাফলের জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং করতে পারেন।
  • ব্লগ বা সাইটের লিংক জুস বাড়াতে।
  • ফ্রিল্যান্সিং-এ সোশ্যাল বুকমার্কিং এর কাজের অনেক দাম রয়েছে। যা কিনা যা কেউ এই কাজটি অনায়াসে করতে পারে।
  • আর তো সাইটের জন্য কাংক্ষিত ভিজিটর পাবেন-ই ;)
বুক মার্ক আসলে দুই ভাবে করা যায়-
  •  আপনার ব্লগের/ সাইটের মেইন বা প্রধান এড্রেস বুক মার্ক করান।
  • আপনার ব্লগের/ সাইটের প্রতিটা পোস্টের লিংক-কে বুক মার্ক করান।
আপনি যদি আপনার সাইটের প্রতিটা পোস্ট কে মার্ক করাতে পারেন তাহলে আপনি বেশ ভাল ভিজিটর পাবেন।
আজ আমি আপনাদের একটি ডুফলো (dofollow) একটি সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটে বুক মার্ক করে দেখাব। তাহলে চলুন নেমে পড়ি সোশ্যাল বুকমার্কিং জগৎ-এ
www.reddit.com- reddit এমন একটি সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট যার কিনা গুগল পেজ রেংক ৮এলেক্সা রেংকিং ১১৪ এবং ডুফলো (dofollow)। তাহলে চলুন দেখি কিভাবে reddit এ আপনি আপনার সাইট বুক মার্ক করাবেন।
সোশ্যাল বুকমার্কিং
ছবি টি বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
  • প্রথমে আপনি reddit.com সাইটে গিয়ে আপনার সকল তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন, এবং সেটিতে লগইন করুন
  • এবার ছবিতে দেখানোর মত ডান পাশে “Submit a link” বাটনে ক্লিক করুন
সোশ্যাল বুকমার্কিং
ছবি টি বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
  • এরপর আপনি আপনার যে লিংকটি বুক মার্ক করতে চান তার সব ইনফরমেশন দিন। না বুঝলে উপরের ছরি অনুসরন করুন।
  • “choose a subreddit” অপশনে আপনার পোস্টের কেটাগরি দিন।
  • শেষে ইমেজ ভেরিফিকেশন করে “submit”বাটনে ক্লিক করে বুক মার্ক সম্পূর্ণ করুন।
সোশ্যাল বুকমার্কিং
ছবি টি বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন
  • পরবর্তি কাজটি বাধ্যতামুলক নয়, সেটা হল- যে পোস্টি আপনি বুক মার্কিং করতেছে সেটার সম্পর্কে কিছু লিখা। ছবিতে (স্ক্রিন শর্টে) দেখানর মত করলেই হবে।
  • “Save” বাটনে ক্লিক করে reddit.com এ বুক মার্কিং কাজ সম্পূর্ন করুন।
এবার ডাউনলোড করে নিন টপ রেংকিং বুকমার্কিং সাইটের লিস্ট এবং বুক মার্ক করুন পুরোদমে। আমরা আমাদের সাইটে বুক মার্কিং লিস্টকে দুই ভাগে ভাগ করেছিঃ
  • ডুফলো (dofollow) টপ রেংকিং বুকমার্কিং সাইট যা কিনা আপনাকে ভিজিটরের সাথে সাথে ব্যাকলিংক দিবে।
  • নোফলো (nofollow) টপ রেংকিং বুকমার্কিং সাইট যা কিনা আপনাকে ভিজিটরের সাথে সাথে ন্যাচারাল লিংক তথা লিংক জুসের সুবিধা দিবে।
Source:http://technohelpbd.blogspot.com/2012/02/blog-post_16.html

আপনার ওয়েবসাইটটিকে পরিচিত করুন (Search Engine Optimization)



আপনি যদি একজন ওয়েবমাস্টার হন এবং আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই চাইবেন সবাই আপনার ওয়েবসাইটটি সার্চ করে সহজে খুজে পাক। যারা এ্যাডসেন্স করছেন তাদের জন্য পেইজ ভিজিট একটি খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সার্চ অপটিমাইজেশনের অনেক টেকনিক আছে, আমি এ লেখায় একটি টেকনিক Sitemap কিভাবে তৈরী করবেন তা নিয়ে আলোচনা করব।


Sitemap সাধারনত একটি XML ফাইল, যেটি আপনার ওয়েবসাইটের পুরো স্টাকচারকে একটি তালিকা আকারে তুলে ধরে। এই XML ফাইলের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার সাইটটির বিষয়বস্তু কি, কখন সে আপনার সাইটকে সার্চ রেজাল্টে তুলে আনবে ইত্যাদি বুঝতে সহায়তা করা।



আপনি যদি একজন প্রোগ্রামার হন, তাহলে আপনি নিজেই পছন্দ অনুযায়ী Sitemap তৈরী করে নিতে পারবেন। কিন্তু যারা প্রোগ্রামিং সম্পর্কে অতটা অভিজ্ঞ নন তাদের ওয়েবসাইটের Sitemap তৈরী করার জন্য একটি চমৎকার সাইট http://www.xml-sitemaps.com । এখানে Sitemap তৈরী করা অত্যন্ত সহজ, মাত্র ৪টি স্টেপে কাজটি শেষ হবে :

১। আপনি এই সাইটে গিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের পুরো URL (যেমন:http://www.domain.com) দিন।

২। এবার Start বাটনে প্রেস করলে ওরা ওদের নিজস্ব Web Crawler দিয়ে একটি Sitemap তৈরী করে দেবে।

৩। এই Sitemap.xml ফাইলটিকে ডাউনলোড করে আপনার ওয়েবসার্ভারের "public_html/" এ আপলোড করে দিন।

৪। এখন এই লিংকের মাধ্যমে Google Webmaster account এ প্রবেশ করুন। এজন্য আপনার একটি Gmail একাউন্ট থাকতে হবে। যদি না থাকে সেক্ষেত্রে আগে একটি Gmail একাউন্ট তৈরী করে নিন।



Google Webmaster এ গিয়ে Add a site এ ক্লিক করুন। আপনার ওয়েবসাইটের পুরো URL দিয়ে Continue বাটন প্রেস করুন।



নতুন পেইজে আপনাকে Website Ownership Verify করতে বলবে। এখানে ৪টি অপশন রয়েছে, আপনি আপনার পছন্দমত যেকোন অপশন Choose করতে পারেন। আমি Choose করছি “Upload an HTML file to your server”, এখান থেকে একটি Verification File download করে “public_html/” এ আপলোড করে দিন। এরপর Verify বাটনে প্রেস করুন। এখন এটি আপনাকে Dashboard এ নিয়ে যাবে, যেখানে আপনি Add Sitemap লিংক পাবেন। সেখানে, আপনার সার্ভারে আপলোড করা Sitemap.xml ফাইলটির URL দেখিয়ে দিন। Google Webmaster আপনার সাইটটির সমস্ত ইনফরমেশন সংরক্ষন করবে এবং আপনি যেকোন সময় এই Dashboard এ এসে তা দেখতে পারবেন।



Yahoo!!! : গুগলের মত ইয়াহুতেও Sitemap.xml টি দেখিয়ে দিতে হবে যাতে সে তার সার্চ রেজাল্টে আপনার সাইটটি তুলে আনতে পারে। এজন্য আপনাকে আর নতুন করে Sitemap.xml ফাইলটি তৈরী করতে হবে না। শুধু URL দিয়ে দেখিয়ে দিলেই হবে। তাই আপনি Yahoo File Explorer পেইজটি ভিজিট করুন। এখানে আপনার ওয়েবসাইটের পুরো URL দিয়ে Add My Site এ ক্লিক করলেই হবে।



Bing.com : মাইক্রোসফটের Bing সার্চ ইঞ্জিনেরও নিজস্ব Webmaster Account আছে। এজন্য আপনার একটি hotmail একাউন্ট থাকতে হবে। এই মেইল এড্রেস দিয়ে Webmaster এ Login করে আপনার তৈরী করা Sitemap.xml টি আপলোড করে দিলেই হবে।



Ask.com : Ask সার্চ ইঞ্জিনে Sitemap দেয়া সবচেয়ে সহজ। এর জন্য আপনাকে শুধু একটি URL কপি করে ব্রাউজারে দিলেই হবে। URL টি হচ্ছে "http://submissions.ask.com/ping?sitemap=http://www.MYSITE.com/sitemap.xml" , এখানে আপনি শুধু MYSITEলেখা অংশের বদলে আপনার ওয়েবসাইটের domain name টি দিন। ব্যাস, এবার URL টি কপি করে ব্রাউজারে দিয়ে পেইজটি ভিজিট করলেই ওরা আপনার ওয়েবসাইটিকে ওদের সার্ভারে যুক্ত করে নেবে।

এছাড়া আরও অসংখ্য পদ্ধতি আছে Search Engine Optimization এর জন্য। যেমন : আপনি আপনার ওয়েবপেইজটি তৈরীর সময় কিছু meta tag ব্যবহার করতে পারেন। যেগুলো সার্চ ইঞ্জিনকে সাহায্য করবে আপনার ওয়েবপেইজের বিষয়বস্তু বুঝতে। একটি Example আমি নিচে দিচ্ছি :



উপরের কোডিং এর ডাবল কোটেশনের মধ্যে আপনি আপনার ইনফরমেশনগুলো লিখে আপনার ওয়েবসাইটের প্রথমপাতার head ট্যাগের মধ্যে দিয়ে দিন। ব্যাস, আজকে এ পর্যন্তই থাক.....

source:http://technohelpbd.blogspot.com/2012/03/search-engine-optimization.html

সোশ্যাল বুকমার্কিং : আজকের বিষয়Digg এ সাইট সাবমিট


লিংকবিল্ডিং এর একটি জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে সোশ্যাল বুকমার্ক সাবমিটিং। নতুন যারা এসইও করেন তাদের একটা সাধারন প্রশ্ন থাকে সোশ্যাল বুকমার্ক সাবমিটিং কিভাবে করব? তাই নতুন দের জন্য আমার এই পোস্ট। এই পোস্ট এ আমি দেখাবো কিভাবে digg.com এ বুকমার্ক সাবমিট করবেন। digg.com একটি জনপ্রিয় বুকমার্কিং সাইট কারন এর পেজ রাঙ্ক ৮ এবং লিংকগুলো ডুফলো।
(কিভাবে ডুফলো নোফলো চেক করবেন তা নিয়ে আরেকদিন একটি ছোট পোস্ট লিখব।)
প্রথমে digg.com এ যান এবং Join Digg বাটনে ক্লিক করুন।
তাহলে একটি পপআপ উইন্ডো আসবে যাতে আপনারা একটি ছোট রেজিস্ট্রেশান ফর্ম পাবেন। আপনারা চাইলে আপনাদের ফেসবুক অথবা টুইটার একাউন্ট দিয়ে রেজিস্ট্রেশান করতে পারবেন। আশাকরি এ বিষয়ে আর বলতে হবেনা।
এবার রেজিস্ট্রেশান হোয়ে যাবার পর আপনার অ্যাকাউন্ট লগিন করুন। লগিন হয়ে যাবার পর digg.com এর হোম পেজ এ আসুন। এখানে এসে উপরে ডানপাশে সাবমিট লিংক বাটনে ক্লিক করুন।
এবারও একটি পপআপ উইন্ডো আসবে যাতে আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের লিংক দিন।
এখানে একটা কথা বলে রাখা ভাল লিংক দেয়ার কিছু ভাল ও ভূল প্রক্রিয়া আছে। ভূল প্রক্রিয়ায় সাবমিট করা হলে আপনার পরিশ্রম বিফলে যেতে পারে। যেমনঃ
ভুল প্রক্রিয়াঃ
http://www.mysite.com
http://mysite.com
http://www.mysite.com/index.html
http://mysite.com/index.html
ভাল প্রক্রিয়াঃ
http://www.mysite.com/
কখনো ডমেইন এর শেষে “/” trailing দিতে ভুলবেন না।
সুত্রঃ seomoz.org
এরপর লিংক দেয়া হলে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। সাধারন বট অটোমেটিক্যালি ওয়েবসাইটের টাইটেল এবং মেটা ডেসক্রিপসান নিয়ে নেয়। যদি না নিয়ে থাকে তাহলে নিজে থেকে এগুলো পূরন করুন। কিছু কিছু সোশ্যাল বুকমার্ক সাইট এ্যাংকর টেক্সট সাপোর্ট করে। আপনি চাইলে এ্যাংকর টেক্সট ব্যাবহার করতে পারেন এবং ক্যাটাগরি পছন্দ করুন এবং Digg it বাটন প্রেস করুন।
ব্যাস হোয়ে গেল আপনার একটি সোশ্যাল বুকমার্ক সাবমিট।

Source:http://technohelpbd.blogspot.com/2012/04/digg.html

ডিরেক্টরি সাবমিশন


 
নেটে হাজার হাজার সাইট আছে যেখানে শুধু বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেয়া থাকে।অনেক সাইট আছে যেখানে কোটি কোটি সাইটের ঠিকানা আছে।সাইটের লিংক বা ঠিকানাগুলি বিভাগভিত্তিক সাজানো থাকে।যেমন সোসাল নেটওয়ার্কিং নামে যদি একটা বিভাগ থাকে তাহলে সেখানে ফেসবুক,টুইটার সহ সব সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইটের ঠিকানা থাকবে।খেলা বিভাগ থাকলে সেখানে খেলাধুলা বিষয়ক সাইটগুলির লিংক থাকবে।এভাবে অনেক বিভাগ থাকে এবং প্রতি বিভাগে  সংশ্লিষ্ট সাইটগুলির তালিকা থাকে।এতে করে সাইট খুজে পেতে সুবিধা হয়,ধরুন কেউ ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট এর টিউটোরিয়াল আছে এমন সাইট খুজছে,এখন সে যদি এ ধরনের সাইটের তালিকা সংরক্ষন করে এরুপ সাইটে গিয়ে কম্পিউটার বিভাগে অনুসন্ধান করে তাহলে হয়ত এ ধরনরে অনেক সাইট পেতে পারে।


যে সাইটগুলি এরুপ হাজার হাজার সাইটের ঠিকানা বিভিাগভিত্তিক সাজিয়ে রাখে সেই সাইটগুলিকে বলে ডিরেক্টরি সাইট।আর এরুপ সাইটে আপনার সাইটের লিংক প্রদান করার প্রক্রিয়াটিকে বলে ডিরেক্টরি সাবমিশন।এধরনের অনেক ডিরেক্টরি সাইট আছে যারা বিনামুল্যে আপনার সাইটের লিংক সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগ করতে দেবে।

এখনতো যার যে ধরনের সাইটের দরকার হয় সে ধরনের দুএকটা শব্দ গুগলে লিখে এন্টার দিলেই ঐ ধরনের সাইটগুলি চলে আসে।কিন্তু সার্চ ইন্জিন তৈরীর আগে মানুষ এসব ডিরেক্টরি সাইট থেকেই নিজের প্রয়োজনীয় সাইট খুজে নিত।এখনও যারা নতুন নতুন কম্পিউটার জগতে আসে,ইন্টারনেট কানেকশন নেয় তারা এভাবে সাইট খুজে পেতে চেষ্টা করে।

যাই হোক কাজ হচ্ছে বিভিন্ন ডিরক্টেরি সাইটে আপনার সাইটর লিংক সাবমিট করা।এতে করে যারা ডিরেক্টরি সাইটের মাধ্যমে ওয়েবসাইট খোজে তারা আপনার সাইটের খবর পাবে এবং আপনার সাইটের ট্রাফিক বাড়বে।নিচে একটি ডিরেক্টরি সাইটে (www.addsitelink.com )সাবমিশন পদ্ধতি দেখাচ্ছি-এজন্য সাইটটিতে গিয়ে উপরে বাম দিকে Add a link লিংকে ক্লিক করলে নিচের মত একটা ফর্ম আসবে এটা পূরন করে জমা দিলেই ডিরেক্টরি সাবমিশন হয়ে গেল।এখানে আমি regular link  এ জমা দিয়েছি কারন এটা ফ্রি,আরও দুটি অপশন আছে একটাতে টাকা লাগবে আরেকটা reciprocal অর্থ্যাৎ আপনার সাইটে এই ডিরেক্টরি সাইটটির একটা লিংক দিতে হবে।

directory submission

বাংলাদেশী ডিরেক্টরি সাইট
www.velki.com
www.bangladeshdir.com
www.abohomanbangla.com

দেশের বাইরে
http://www.bizseo.com/
http://www.directorysnob.com
www.connectdirectory.info
www.dmoz.org (এটা খুব বিখ্যাত)
www.dctry.info
didb.org
directory.fm
www.directorybright.info
www.directorycom.info

source:http://technohelpbd.blogspot.com/2012/04/blog-post_21.html

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে কিওয়ার্ড ব্যবহারের ৩ নিয়ম



ওয়েবসাইট পরিচালনার সময় সঠিক কিওয়ার্ডের ব্যবহার নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। ফলে ভাল সাইট হওয়া সত্বেও সার্চ ইঞ্জিন সাইটকে ঠিকভাবে উপস্থাপন করে না, র‌্যাংকিং এর সাইট পিছিয়ে থাকে এবং ফল হিসেবে কম ভিজিটর পাওয়া যায়।
নতুন সাইট কখনোই সাথে সাথে র‌্যাংকিং এর ওপরের দিকে যায় না। এজন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করতে হয়। সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করে এই কাজকে এগিয়ে নেয়া যায়।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে যারা দক্ষ কিওয়ার্ড ব্যবহারে তাদের ৩টি গুরুত্বপুর্ন পরামর্শ এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে।

.          লম্বা কিওয়ার্ড ব্যবহার
দুটি শব্দ ব্যবহার করে কিওয়ার্ড তৈরী করলে সার্চ ইঞ্জিন এত বিশাল পরিমান তথ্য খুজে বের করে যেখানে প্রতিযোগিতায় যায়গা পাওয়া কঠিন। সেকারনে নতুন ওয়েব সাইটের জন্য দুশব্দের ছোট কিওয়ার্ডের তুলনায় বড় কিওয়ার্ড বেশি উপযোগি। এরফলে সার্চ করার সময় আরো নির্দিষ্টভাবে সাইটের পরিচয় পাওয়া যায় এর লিষ্টে ওপরের দিকে নাম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

.          সাইটের সঠিক পরিচিতি প্রকাশ করা
কোন সাইটের পরিচিতি বাড়ানোর চেষ্টা করার সময় জেনে নেয়া উচিত সত্যিকার প্রতিযোগি সাইট কোনগুলি। সেই সাইট কারা ব্যবহার করেন। তাদের বয়স কেমন, অভ্যেস কি, ইন্টারনেট কি কাজে ব্যবহার করেন, কতটা নিয়মিত ব্যবহার করেন ইত্যাদি। এসব তথ্য জানা থাকলে সুনির্দিষ্টভাবে কিওয়ার্ড ব্যবহার করে ভাল ফল পাওয়া সম্ভব।

.          স্থানীয় কিওয়ার্ড ব্যবহার
যে ধরনের ওয়েবসাইট বা যে কাজের জন্যই ওয়েবসাইট হোক না কেন, সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়া যায় স্থানীয় ভিজিটরদের কাছ থেকে। অনেক সময়ই যায়গার ভিত্তিতে কিওয়ার্ড ভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় কিওয়ার্ড কি সেটা জেনে সেইভাবে ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। উদাহরন হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে, অনেক দেশে সেলফোন, স্মার্টফোন ইত্যাদি শব্দ প্রচলিত হলেও বাংলাদেশে মোবাইল শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হয়।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য সাইটের মান যেমন গুরুত্বপুর্ন তেমনি সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহারও সমান গুরুত্বপুর্ন। সাইটকে ভালভাবে প্রচার করতে যাকিছু করা সম্ভব সব ধরনের পদ্ধতির দিকেই তাই জোর দেয়া প্রয়োজন।
source:http://technohelpbd.blogspot.com/2012/05/blog-post_1552.html