Monday, October 26, 2015

লাইভ ওয়েবসাইট হ্যাকিং (ফুল টিঊটরিয়াল নিন)

লাইভ ওয়েবসাইট হ্যাকিং (ফুল টিঊটরিয়াল নিন)

এই মাত্র একটা সাইট এর অ্যাডমিন একাউন্টে ঢুকে বসে আছি। আপনাদেরকে সম্পূর্ণ ভাবে দেখাব, কিভাবে আপনি হ্যাক করতে পারবেন। আমি একটি করে দেখাবো এবং আপনাদের জন্য আরো কয়েকটা দিয়ে দিবো, যদি চান যেগুলো সাথে সাথে হ্যাক হবে। আমি প্রমিস করতেছি আজকে সবাইকে আর নিরাশ করব না, খুব খুব খুব জলদি হ্যাকিং ক্লাশ শুরু হবে টিউনারপেজে। তাই আজকের টিউটোরিয়ালে বিশাদ কিছু না দেখিয়ে সরাসরি হ্যাকিং এ চলে গেলাম। আগে দেখে নিন আজকে আমরা লাইভ হ্যাক করব। এই সাইট টি ছবিতে দেখুন। http://name-shame.co.uk/




১। হাভিজ ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে।
২। হাভিজ টুলস টি ক্র্যাক করুন।
৩। হাভিজ অন করুন।
৪। এখন হাভিজ টি বন্ধ করে দিন, তারপরে আবার অন করুন।
৫। নিচের ছবির মত target link এ এটা পেষ্ট করুন http://name-shame.co.uk/contents.php?id=842 এখন এনালাইজে ক্লিক করুন।

৬। এবার নিচের ছবি মত দেখা যায় কিনা খেয়াল করুন। তাহলে বুঝবেন কাজ শেষ হইছে।

৭। এবার নিচের ছবির ১,২,৩,৪,৫,৬ এর মত করে
প্রথমে ১) tables  এ ক্লিক করুন।
২) get DB তে ক্লিক করুন।
৩) তারপরে get table এ ক্লিক করুন।
৪) তারপরে get columns এ ক্লিক করুন,
৫) এখন কলাম থেকে user_admin এবং user_pass এ ক্লিক করে get data তে ক্লিক করার সাথে সাথে সাইট অ্যাডমিন এর পাসওয়ার্ড এবং আইডি পেয়ে যাবেন।

৮। এবার নিচের ছবির মত Find Admin এ ক্লিক করুন। এবং পরে Start  এ ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ পরে 3 নং পয়েন্ট এর মত দেখবেন।

৯। আমরা পেয়ে গেছি অ্যাডমিন প্যানেল। চলেন লগইন করি এবং সাইটের সব কিছু নিজের করে নেই। লগইন করতে এই লিংক name-shame.co.uk/admin/ এ যাবেন এবং আমাদের পাওয়া অ্যাডমিন নেম admin এবং পাসওয়ার্ড দিবেন dzteam25 । তবে প্লিজ কেউ কোন ক্ষতি করবেন না। নিচের ছবিতে টার্গেট সাইটের অ্যাডমিন প্যানেল দেখুন।



source:http://technohelpbd.blogspot.com/2012/01/blog-post_7604.html

Sunday, October 25, 2015

ওয়েব সাইট হ্যাকিং এর সফটওয়্যার havij 1.14 pro ফুল ভার্সন

ওয়েব সাইট হ্যাকিং এর সফটওয়্যার havij 1.14 pro ফুল ভার্সন

 


হ্যাকিং এর জগতের এক অসাধারণ সফটওয়্যার এর নাম হাভিজ। আমি এটার প্রো ফুল ভার্সন শেয়ার করলাম। এস কিউ এল ইঞ্জেকশনের জন্য অনেকেই havij pro 1.14 ব্যাবহার করে থাকেন। যারা হ্যাকিং এর উপরে হাতে ঘড়ি নিতে চান তারা অবশ্যই এটি ব্যাবহার করে দেখবেন। সাধারণত এটির মুল কাজ যে কনো ওয়েব সাইটের ভুলনেরবল খুঁজে পাবার পরে সেই ওয়েব সাইটের ডাটা ব্যাস খুঁজে বের করে ডাটাবেস থেকে সেই সাইটের টেবিল খুঁজে বের করে টেবিল থেকে এডমিন এর ইউসার নেম ও পাস ওয়ার্ড এর হ্যাস খুঁজে বের করা। যাদের হ্যাকিং এর মটামটি ধারনা আছে তারা সবাই অবশ্যই হাভিজ কে চিনেন।








মিডিয়া ফায়ার লিংক এ আপলোড করে দিলাম। পাস ওয়ার্ড হল tunerpage.com আসা করছি যারা এই হ্যাকিং সফটওয়্যার টি খুঁজে বেড়াচ্ছেন তাদের জন্য উপকার হবে। আসা করি টিউনারপেজের লিখক যখন বাড়বে তখন হ্যাকিং ক্লাস শুরু করে হবে এবং তখন হ্যাকিং এর ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল সবাই পাবেন। আপাতত সংগ্রহ করে রেখে দিতে পারেন নতুন হ্যাকার গন।

Source: http://technohelpbd.blogspot.com/2012/01/havij-pro-1.html

আপনার ই-মেইল অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়ে গেলে কি করবেন ??

আপনার ই-মেইল অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়ে গেলে কি করবেন ??

আপনার ই-মেইল অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়ে গেলে সেটি কিভাবে আনবেন তা নিয়ে এখন আলোচনা করব ।

Gmail এর ক্ষেত্রে :
পদ্ধতি-১ : প্রথমে চেষ্টা করব কিভাবে আগের পাসওর্য়াড সহজ ভাবে ফিরিয়ে আনা যায় । এই পদ্ধতি তা খুবই সহজ । পদ্ধতি তা হল গুগুল আপনাকে আপনার গোপনীয় প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করবে যদি আপনার প্রশ্নের উত্তর সঠিক হয়ে থাকে তাহলে password রিসেট করার details আপনার সেকেন্ডারী ই-মেইল অ্যাডসে চলে আসবে । তারপর আপনি তাদের প্রদত্ত লিংক থেকে পাসওর্য়াড রিসেট করতে পারবেন । এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে নিচের লিংক এ যান ।


Gmail Password Reset Link
যদি আপনার প্রথম পদ্ধতিতে কাজ না হয় ২য় পদ্ধতি তা অনুসরন করুন :
পদ্ধতি-২ : অনেক সময় হ্যাকারেরা secret question এবং secondary email address পরিবর্তন করে ফেলে যাতে পাসওর্য়াড রিসেট করতে না পারেন তখন প্রথম পদ্ধতি তা ফেল আসে । তখন আপনি কি করবেন ? যখন এই রকম হবে তখন আপনার প্রয়োজন হবে contact the Gmail support team এবং তাদের account recovery form পূরন করবে হবে । ঐ ফর্ম পূরন করার সময় আপনাকে যে সকল প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারে তা হল :
1. Email addresses of up to five frequently emailed contacts
2. Names of any 4 Labels that you may have created in your account
3. List of other services associated with your compromised account
4. Your last successful login date
5. Account created date
6. Last password that you remember and many more…
আপনাকে অবশ্যই যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে উত্তর গুলা সঠিক ভাবে দেওয়ার জন্য ।
Account Recovery Form

Yahoo এবং Hotmail এর জন্য :
ইয়াহু এবং হটমেইলের ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার secret questions এবং সেকেন্ডারী ই-মেইল অ্যাডেসের মাধ্যমে আপনার পাসওর্য়াড পুনরুদ্ধার করতে হবে । যখন আপনার পাসওয়াড হারিয়ে ফেলবেন বা ভুলে যাবেন তখন Forgot password link এ যাবেন এবং এর মাধ্যমে আপনার পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করবেন ।
মনে রাখা দরকার :
* আপনি যখন আপনার ই-মেইল অ্যাডসটি ক্রিয়েট করবেন তখন আপনার secret questions এবং সেকেন্ডারী ই-মেইল অ্যাডেস এবং কবে ই-মেইল অ্যাডসটি ক্রিয়েট করেছেন তার তারিখ সময় ইত্যাদি যাবতীয় তথ্য নোট করে রাখুন ।
* কখনো কমন পাসওর্য়াড দিবেন না । পাসওর্য়াড দেখার ক্ষেত্র সব সময় ওয়ার্ড এবং সংখ্যায় দিতে চেষ্টা করবেন । যেমন : amarsonarbangla990
* সাইবার ক্যাফে গুলাতে ই-মেইল লগিন করতে সর্তক থাকবেন । এবং সব সময় লগআউট করে দিয়ে যাবেন ।
* আপনার ই-মেইল অ্যাডেসে অপরিচিত কোন ই-মেইল আসলে তার ঠিকানাটা ভাল করে পড়ে বুঝে শোনে খুলবেন ।
* যেখানে সেখানে কিংবা বিভিন্ন পর্ণগ্রাফী সাইটে আপনার গুরুত্ব পূর্ন ই-মেইল অ্যাডসটি কখনোই দিবেন না ।
* মাঝে মাঝে দেখবেন আমেরিকা যাবার লটারী পূরন করুন বা এই রকম বিভিন্ন চটকদারী লেখা দেখবেন এই সব থেকে দূরে থাকবেন ।
সর্বপরি আপনার ই-মেইল অ্যাডেসের সুরুক্ষা কামনা করে শেষ করছি ।

Source: http://technohelpbd.blogspot.com/2011/12/blog-post_31.html

আইপি হাইড করুন সহজেই ১০০% গ্যরান্টি

আইপি হাইড করুন সহজেই ১০০% গ্যরান্টি

বিভিন্নসময় বিভিন্ন ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলতে গেলেই বলে আপনার আইপি টি ব্যবহার হয়ে গেছে। মেসেজটা দেখতে বিরক্তিকর। এই সমস্যার সমাধান করা অনেক সহজেই ছোট একটা সফটওয়্যার দিয়েই।




আমরা অনেকেই এর আগে অনেকগুলো আইপি হাইড করার অনেক সফটওয়ার সম্পর্কে লিখেছি । আজকে এক বন্ধুর মাধ্যমে সফটওয়ারটি পেলাম এবং আপনাদের সাখে শেয়ার করলাম । সফটওয়ারটি আপনার ইন্টারনেটের স্পিড একটুও কমাবে না । কিন্তু এর জন্য আপনাকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করতে হবে । কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আপনি আপনার রিয়েল আইপি হাইড করতে পারবেন ।

প্রথমেই আপনাকে এই সফটওয়ারটির নতুন ভার্সন যা সবসময়ই পাওয়া যাবে এখান থেকে মানে নতুন যত ভার্সনই আসুক না কেন এখানেই আপনি পাবেন ।



 আনজিপ করে EXE ফাইলটা ওপেন করুন এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করুন । মনে রাখবেন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ছাড়া অন্য ব্রাউজারে এটা কাজ করবে না । এবং চালু করে এখান থেকে আপনার রিয়েল আইপি চেক করুন । আপ রেপিডশেয়ারকে বোকা বানান চিরদিন। আশা করি টিউনটিতে উপকৃত হবেন তবে কখনও কাইকে ব্যাড কমেন্ট করার জন্য এটি ব্যভহার করবেন না এটা আমার অনুরোধ । সকলকে ধন্যবাদ

Source:http://technohelpbd.blogspot.com/2012/03/blog-post_3667.html

150 টি ডিরেক্টোরি সাইটে এক সাথে সাবমিট করুন একটি ফ্রী সফটওয়ার দিয়ে Fast Directory Submitter

150 টি ডিরেক্টোরি সাইটে এক সাথে সাবমিট করুন একটি ফ্রী সফটওয়ার দিয়ে Fast Directory Submitter



 আমি গত কিছুদিন আগে SEO এর কাজ শুরু করি যখন মোটামটি ভাবে সফল হই তখনই মনে মনে ভাবলাম SEO নিয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো । আজকের বিষয় Fast Directory Submitter Software , এই সফটওয়্যার এর ফ্রী ১৫০ টি Directory সাইট লিস্ট আছে যেখানে আপনি খুব সহজে আপনার সাইট সাবমিট করতে পারবেন তাহলে চলুন দেখি কি ভাবে এটা ব্যাবহার করবো ?


প্রথমে Fast Directory Submitter Software টি ওপেন করুন.....



এবার Create Account এ ক্লিক করুন তারপর.....
এই রকম একটি উইন্ডো আসবে সেখানে আপনার নাম ইমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে - Create বাটনে ক্লিক করুন , হয়ে গেলো আপনার সাইনআপ এবার লগইন করুন ।
লগইন করার জন্য login লেখাটির উপর ক্লিক করুন তারপর একটা উইন্ডো আসবে ।
এখানে আপনার ইমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন ,
লগইন করার সাথে সাথে এই পেজটি অটোমেটিক আসবে তারপর ....
এবার এখানে জেইভাবে আমার এবং সাইটের ডিটেইলস দেয়া আছে সেই ভাবে আপনারটা ও দেন , দিয়ে ওকে করুন ...
তার পর Open Campaign এ ক্লিক করুন , ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো আসবে ।
এবার Expaess Submit ক্লিক করে Submit To Pending Directory ক্লিক করুন ।
তারপর প্রতিটি সাইটে সাবমিট হতে এই রকম উইন্ডো আসবে Captcha টাইপ করে Submit এ ক্লিক করুন ।
সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন ।

Source:http://technohelpbd.blogspot.com/2012/01/150-fast-directory-submitter.html

YouTube ভিডিও শেয়ারের মাধ্যমে আয় করুন

YouTube ভিডিও শেয়ারের মাধ্যমে আয় করুন


অনলাইনে টাকা আয় করা যায় এরকম কথা শুনেন নি এই ধরণের লোক বর্তমানে পাওয়া অনেকটা
কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আর এই ব্লগেতো পাওয়ার কথাই না। অনলাইনে আয়ের হাজার হাজার
পদ্ধতির মধ্যে একটি পদ্ধতি আছে যা অনেকেরই জানা নাই। আর তা হল- YouTube ভিডিও এর মাধ্যমে আয়।
  আপনারা হয়তো ভাবছেন আমি মসকরা করছি। কিন্তু এটা কোন মসকরা নয়। সত্যিই বিশ্বের
সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট YouTube থেকেও আপনি আয় করতে পারবেন অনেক বড়
অংকের টাকা। নিচে আমি কয়েকজন ব্যাক্তির নাম ও তাদের আয়ের পরিমান উল্লেখ করলাম-
1. Shane Dawson (431 million views and earn $315,000)

2. The Annoying Orange (349 mil views and earn $288,000)

3. Philip DeFranco (248 mil views and earn $181,000)

4. Ryan Higa (206 mil views and earn $151,000)

5. Fred (200 mil views and earn $146,000)
কিভাবে আয় করবেন?
YouTube থেকে আয়ের অনেক উপায় রয়েছে। নিম্নে কয়েকটা পদ্ধতি আলোচনা করা হল-
১. সুন্দর একটা YouTube Channel Name তৈরী করুন
প্রথমে YouTube এ গিয়ে একটা ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করুন। একাউন্ট তৈরী করার সময় যেকোন নাম
না দিয়ে এমন নাম দেন যার সার্চ বেশী, যে নাম যে কেউ মনে রাখতে পারবে।
২. ভিডিও তৈরী-
ভিডিও তৈরীর জন্য আসলে দুইটি পথ অবলম্বন করা যেতে পারে। প্রথমটা হল- ভিডিও ক্যামেরা
দিয়ে ভিডিও তৈরি করা। আপনার যদি কোন ক্যামেরা না থাকে তাহলে আপনি আপনার
কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, অবশ্যই ভাল সফটওয়্যার
ব্যবহার করতে হবে এবং আপনার কম্পিউটার দ্রুত থাকতে হবে। শুধু একটা বিষয়কে মাথায়
রাখবেন, তাহল- আপনাকে অবশ্যই মজাদার ভিডিও তৈরী করতে হবে। মজাদার বলতে আমি
কমেডি ফিল্ম তৈরী করার কথা বলছিনা। আমি বলছি, আপনার ভিডিও ভিউয়ারদের জন্য
আনন্দদায়ক এবং তারা যেই ধরণের ভিডিওর জন্য সার্চ করছেন সেই ধরণের ভিডিও।
উদাহরণস্বরুপ, আপনি একটা Channel তৈরী করলেন ফটোশপ টউটোরিয়ালের আর আপলোড
করলেন বিভিন্ন কার্টুন, তাহলতো হল না। আপনি আপনার চ্যানেল যদি থাকে টিউটোরিয়ালের
উপর তাহলে আপনি এখানে ভিডিও টিউটোরিয়ালই আপলোড করেন।
৩. আপনার ভিডিও YouTube এ আপলোড-
আপনি যখন আপনার তৈরীকৃত ভিডিও আপলোড দিবেন, তখন অবশ্যই আপনার কী-ওয়ার্ডগুলো
দিয়ে দিবেন এবং সাথে সাথে আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনটাও দিয়ে দিবেন। আপনার ভিডিও
এর সাথে আপনার ওয়েবসাইটের URL টাও দিয়ে দিবেন।
৪. আপনার আপলোডকৃত ভিডিও বিভিন্ন সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করুন-
শুধু যে ভিডিও আপলোড করে দিলেন আর আপনি ট্রাফিক পেয়ে গেলেন, এটা ঠিক নয়। আপনি
আপনার ভিডিওগুলো বিভিন্ন সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন: ফেসবুক, টুইটার, গুগোল+
ইত্যাদি সমূহে শেয়ার করুন।
৫. আপনার ভিডিওয়ের জন্য ব্যাকলিংক তৈরী করুন-
একটা কথা ভাল করে মনে রাখবেন, YouTube ভিডিও পাবলিশিংও এক ধরনের ব্লগিং। তাই,
আপনাকে ইউটউব, গুগোল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ভাল অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছু
ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে। শুধু আপনার টপিক রিলেটেড সাইটে লিংক তৈরি করুন।
৬. আপনার প্রতিযোগীদের বা আপনার মত কাজ করছেন এরকম লোকদের অনুসরণ করুন,
আপনি যদি সফল হতে চান, তাহলে আপনার প্রতিযোগীদেরকে অনুসরণ করুন। দেখুন তারা
কিভাবে সফল হচ্ছেন। তাদের সফলতার ইতিহাসটা পড়ুন।
৭(ক). কিভাবে YouTube থেকে টাকা আয় করবেন?
এতক্ষণ যা বললাম তাহল, কিভাবে একটা ভিডিও তৈরী করবেন বা কিভাবে আপনার চ্যানেলে
ট্রাফিক বৃদ্ধি করবেন। এখন আমরা জানবো কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করবেন।
আপনি যদি উন্নতমানের জনপ্রিয় ভিডিও তৈরী করতে পারেন, তাহলে আপনি ইউটিউবের
এ্যাডসেন্স পার্টনারশীপ থেকেই এটা অফার পেতে পারেন। তারপর আপনাকে YouTube
Partnership Program (YPP) এর জন্য অফার করতে হবে। YouTube Partnership
করে তাহলে ‍পুনরায় এপ্লাই করার জন্য আপনাকে আরো ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে। আর যদি
আপনার চ্যানেলকে তারা একসেপ্ট করে তাহলে মিষ্টি ‍মুখ করেন। কারণ, তারা আপনাকে প্রতি
মাসে $200 দিবে। কি মজা!
৮(খ). কিভাবে YouTube থেকে টাকা আয় করবেন?
# এফিলিয়েট পন্যের ভিডিও রিভিউ দিয়ে।
# এ্যাডভারটাইজিং স্লট ভিডিওয়ের মাঝে দিয়ে।
# আপনার ভিডিওয়ের ডিসক্রিপশনে এ্যাড স্লট দিয়ে।
# তাছাড়াও আপনি যদি ভাল কী-ওয়ার্ডের একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করতে পারেন, তাহলে
আপনি ঐ চ্যানেল বিক্রি করেও টাকা আয় করতে পারেন।
আপনি যদি কোয়ালিটি ও জনপ্রিয় ভিডিও তৈরী করতে পারেন, তাহলে আপনিও আয় করতে
পারেন হাজার হাজার ডলার
সবার জন্য শুভ কামনা রইল। আল্লাহ্‌ হাফেজ।

source: http://technohelpbd.blogspot.com/2015/03/youtube.html


Monday, August 17, 2015

বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ড Hacking এবং Cracking সফটওয়্যার


আমি আপনাদের কিছু Hacking এবং Cracking সফটওয়্যার দিব। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনি সইজেই কোন সফটওয়্যার Crack বা ব্যক্তিগত কারও প্রোফাইল Hack করতে পারবেন। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনি একদিকে অন্যের উপকার অথবা আপকার করতে পারেন। সে চিন্তা আপনার বিবেকের কাছে রইলো। এই পৃথিবীর প্রতিটি বিষয়ের ভাল মন্দ দিক রয়েছে। একজন ডাক্তার চাকু দিয়ে যেমন রোগীকে সুস্থ করেন আবার অন্যদিকে একজন আপরাধী সেই চাকু দিয়ে অসৎ ভাবে মানুষের অপকার করে। এখানে কেবল মাত্র ব্যক্তির অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। তবে এ কথা সত্য যে অপরাধের বিচার একদিন হবেই, হোক সেটা ইহকালে বা পরকালে। আমার এই টিউটির উদ্দেশ্য আপনাদের উপকার করা, তবে কোন ভাবে যদি কেউ এর আপব্যবহার করে তবে ভবিষৎতে এর থেকে ১০০গুন উন্নত মানের হ্যাকিং টিউন আমি আর করবো না।

PDF Password Remover

@lmas 1

Windows XP Admin Password Remover

 বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

Zip File Password Cracker

@lmas 3

Microsoft Office Password Remover

 বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

Windows Vista Admin Password Recovery

@lmas 5

RAR File Password Cracker

@lmas 6

EXE File Password Recovery

@lmas 7

Windows 7 Password Cracker

@lmas 8

MSN Password Recovery

@lmas 9

Mozilla Firefox Password Cracker

@lmas 10
(সময় সল্পতার কারনে ১০টি সফটওয়্যারের নাম ও ছবি দিলাম।)

source:http://technohelpbd.blogspot.com/2010/04/hacking-cracking.html



নিজেই করুন এসইও



সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে ধারাবাহিক পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের উন্নতি সাধন করা। এই পরিবর্তনগুলো হয়ত আলাদাভাবে চোখে পড়বে না, কিন্তু সামগ্রিকভাবে এর মাধ্যমে একটি সাইটের ব্রাউজিংয়ের স্বাচ্ছন্দ্যবোধ অনেকাংশে বেড়ে যায় এবং অর্গানিক বা স্বাভাবিক সার্চ রেজাল্টে সাইটকে শীর্ষ অবস্থানের দিকে নিয়ে যায়। গত পর্বে এসইও’র বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। এ পর্বে অন-পেজ এসইও (On-page SEO) নিয়ে আলোকপাত করা হলো। এই লেখাটি গুগলের প্রকাশিত ‘এসইও স্টার্টার গাইড’-এর ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে।



০১. প্রাথমিক এসইও টাইটেল ট্যাগের ব্যবহার : 
একটি এইচটিএমএল পৃষ্ঠার টাইটেল ট্যাগ থেকে সে পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়। একজন ব্যবহারকারী এবং সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এইচটিএমএল ডকুমেন্টের ট্যাগের মধ্যে ডেসক্রিপশন মেটা ট্যাগ

একটি এইচটিএমএল ডকুমেন্টের ডেসক্রিপশন মেটা ট্যাগের মধ্যে ওই পৃষ্ঠা সারসংক্ষেপ যুক্ত করা হয়, যা গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনকে সাইটের পৃষ্ঠাটি সম্পর্কে ভালো ধারণা দেয়। যেখানে টাইটেল ট্যাগ কয়েকটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত, সেখানে ডেসক্রিপশন মেটা ট্যাগের মধ্যে এক বা একাধিক লাইনের একটি প্যারাগ্রাফ দিতে হয়। টাইটেল ট্যাগের মতো এটিও ট্যাগের মধ্যে এর মাধ্যমে যুক্ত করতে হয়। সাইটের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় ভিন্ন ভিন্ন এবং সঠিক ডেসক্রিপশন যুক্ত করা প্রয়োজন, কারণ সার্চের ফলাফলে প্রায় সময় এটি প্রদর্শিত হয়। শুধু কিওয়ার্ড দিয়ে ডেসক্রিপশন মেটা ট্যাগটি তৈরি করা উচিত নয়। অনেকে আবার পৃষ্ঠার মূল লেখাকে সরাসরি এই ট্যাগে লিখে ফেলেন যা মোটেও ঠিক নয়।

০২. সাইটের কাঠামো ইউআরএল পুনর্গঠন : 
সহজবোধ্য ও বর্ণনামূলক ইউআরএল (URL) সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। সাইটের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠার ইউআরএল যাতে সেই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আইডি বা ব্যবহারকারীদের কাছে অর্থহীন বিভিন্ন প্যারামিটার ব্যবহার না করে অর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করা উচিত। উদাহরণস্বরূপ http:// yoursite.com?category_id=1&product_id=2-এর পরিবর্তে http://yoursite.com/books/ book-title এভাবে ইউআরএল লিখলে সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের কাছে পৃষ্ঠার বিষয়বস্ত্ত স্পষ্ট হয়ে যায়। ইউআরএলে যাতে অত্যধিক কিওয়ার্ড না থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।



সহজ নেভিগেশন

সাইটের নেভিগেশন অর্থাৎ এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় যাওয়া যাতে সহজ হয়, তা বিবেচনায় রাখতে হবে। সহজ নেভিগেশন একদিকে ব্যবহারকারীদেরকে যেমন সাইটের তথ্য সহজেই খুঁজে পেতে সাহায্য করে অন্যদিকে সাইটের গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠাগুলোকে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই খুঁজে পায়। সাইটের প্রথম পৃষ্ঠা বা হোমপেজ থেকে অন্যান্য সব পৃষ্ঠায় কিভাবে যাওয়া যাবে, তা প্রথমেই প্ল্যান করা উচিত। সাইটে অসংখ্য পৃষ্ঠা থাকলে সেগুলোকে বিভাগ এবং উপ-বিভাগে ভাগ করে রাখা প্রয়োজন। প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় breadcrumb লিস্ট যুক্ত করা ভালো। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কত ধাপ ভেতরের পৃষ্ঠায় রয়েছে, তা জানতে পারে এবং চাইলে লিঙ্কে ক্লিক করে আগের পৃষ্ঠায় যেতে পারে। এই লিস্ট দেখতে সাধারণত এরকম হয়ে থাকে- Home > Products > Books।

সাইট ম্যাপের ব্যবহার

সাইট ম্যাপ দুই ধরনের হয়ে থাকে। প্রথমটি একটি সাধারণ এইচএমএলটি পৃষ্ঠা, যেখানে সাইটের সব পৃষ্ঠার লিঙ্ক যুক্ত করা হয়। মূলত কোনো পৃষ্ঠা খুঁজে পেতে অসুবিধা হলে ব্যবহারকারীরা এই সাইট ম্যাপের সহায়তা নেয়। সার্চ ইঞ্জিনও এই সাইট ম্যাপ থেকে সাইটের সব পৃষ্ঠার লিঙ্ক পেয়ে থাকে। দ্বিতীয় সাইটম্যাপ হচ্ছে একটি এক্সএমএল ফাইল, যা ‘গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস’ নামে গুগলের একটি সাইটে সাবমিট করা হয়। সাইটের ঠিকানা http://www.google.com/webmasters/tools। এ ফাইলের মাধ্যমে সাইটের সব পৃষ্ঠা সম্পর্কে গুগল ভালোভাবে অবগত হতে পারে। এই সাইটম্যাপ ফাইল তৈরি করতে গুগল একটি ওপেনসোর্স স্ক্রিপ্ট দেয়, যা এই লিঙ্ক থেকে পাওয়া যাবে- http://code.google.com/p/googlesitemapgenerator

৪০৪ পেজের গুরুত্ব

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ব্রাউজ করার সময় প্রায় সময় ৪০৪ নামের একটি পৃষ্ঠা দেখতে পান। সাইটের লিঙ্ক ভুল থাকলে কিংবা কাঙ্ক্ষিত পৃষ্ঠাটি না পাওয়া গেলে এটি যেকোনো সাইটেই দৃশ্যমান হয় এবং এক্ষেত্রে সাধারণত ‘404 File Not Found’ লেখাটি দেখা যায়। তবে এর সাথে অন্যান্য সাহায্যকারী তথ্য বা সাইটের অন্যান্য পৃষ্ঠার লিঙ্ক যুক্ত করতে পারলে ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক সুবিধা হয়।



০৩. কন্টেন্ট অপ্টিমাইজেশন, মানসম্মত তথ্য এবং সার্ভিস : 
মানসম্মত ও স্বতন্ত্র কন্টেন্ট বা তথ্য হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট জনপ্রিয় করার মূল হাতিয়ার। এটি একদিকে যেমন ব্যবহারকারীদেরকে সাইটে নিয়মিত আসতে প্রভাবিত করে, তেমনি গুগলের কাছেও সাইটের গুরুত্ব বেড়ে যায়। ওয়েবসাইটে লেখা সংযোজন করার আগে কিওয়ার্ড নিয়ে গবেষণা এবং লেখায় এর প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। গুগলের ‘অ্যাডওয়ার্ডস’ সাইটে এজন্য একটি টুল রয়েছে, যা একটি কিওয়ার্ড কতটা জনপ্রিয় তা যাচাই করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এই টুলের মাধ্যমে নতুন নতুন কিওয়ার্ড সম্পর্কে জানা যায়। সাইটটির ঠিকানা হচ্ছে- https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal। তাছাড়া গুগলের ‘ওয়েবমাস্টার টুলস’ সাইটে শীর্ষ কিওয়ার্ডের একটি লিস্ট পাওয়া যায়। এ থেকে ব্যবহারকারীরা সাইটে ভিজিট করার আগে গুগলে কোন কিওয়ার্ড ব্যবহার করে আসে, তা জানা যায়। ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট তৈরি করার সময় বানান এবং ব্যাকরণের দিকে খেয়াল রাখা উচিত। লেখায় একাধিক বিষয়বস্তু থাকলে সেটিকে কয়েকটি প্যারাগ্রাফে ভাগ করে এবং শিরোনাম সহকারে লেখা উচিত।

GsKi টেক্সটের যথাযথ ব্যবহার

GsKi টেক্সট (Anchor Text) হচ্ছে HTML এর বা GsKi ট্যাগের ভেতরের শব্দগুচ্ছ যাতে ক্লিক করে অন্য কোনো পৃষ্ঠা বা সাইটে যাওয়া যায়। এই টেক্সটি গুগল এবং ব্যবহারকারীদেরকে লিঙ্ক সম্পর্কে পূর্ব ধারণা দেয়। এই লিঙ্কটি একই সাইটের অন্য কোনো পৃষ্ঠার সাথে হতে পারে অথবা ভিন্ন কোনো সাইটের সাথে সংযুক্ত হতে পারে। GsKi টেক্সটে ‘Click here’, ‘Page’ বা ‘Article’ এই জাতীয় সাধারণ শব্দ ব্যবহার না করে লিঙ্ক করা পৃষ্ঠার বর্ণনামূলক হওয়া উচিত। GsKi টেক্সটটি যাতে অল্প কয়েকটি শব্দের সমন্বয়ে হয় সেদিকে খেয়াল রাখা চাই। সম্পূর্ণ একটি বাক্যকে GsKi টেক্সট হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। একটি সাধারণ লেখা থেকে লিঙ্ককে যাতে আলাদাভাবে চেনা যায় সেজন্য GsKi টেক্সটে ভিন্ন রং, আন্ডারলাইন ইত্যাদি CSS স্টাইল ব্যবহার করা যেতে পারে।

ছবির ব্যবহার

ওয়েবসাইটে ছবি বা ইমেজ যুক্ত করার সময় এইচটিএমএলের  ট্যাগের মধ্যকার alt এট্রিবিউটে ছবির বর্ণনা যুক্ত করা উচিত। এর ফলে কোনো ব্রাউজারে যদি ছবিটি না আসে তাহলে এই এট্রিবিউটের লেখাটি দৃশ্যমান হবে। একটি ছবিকে লিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করার সময় এটি GsKi টেক্সটেরও কাজ করে। অন্যদিকে এর মাধ্যমে গুগলের ইমেজ সার্চের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা ছবিটি খুঁজে পাবে। ছবির বর্ণনার পাশাপাশি ছবির ফাইলে নামও বর্ণনামূলক ও সংক্ষিপ্ত হওয়া প্রয়োজন। সাইটের সাইটম্যাপ ফাইলের মতো ছবির জন্যও একটি এক্সএমএল সাইটম্যাপ তৈরি করা যায়, যা গুগলকে ওয়েবসাইটের সব ছবি সম্পর্কে ভালো ধারণা দেয়।



হেডিং ট্যাগ

HTML G [h1] থেকে শুরু করে [h6] পর্যন্ত ৬টি হেডিং ট্যাগ রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিরোনামকে [h1] ট্যাগের মধ্যে এবং কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য হেডিং ট্যাগের মধ্যে লেখা হয়। হেডিং ট্যাগের লেখা যেহেতু পৃষ্ঠার অন্যান্য লেখা থেকে আকারে বড় হয়ে থাকে, তাই এটি ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি সহজেই আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয় এবং লেখার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত করতে ব্যবহারকারী ও গুগলকে সহায়তা করে। তবে একটি পৃষ্ঠায় মাত্রাধিক হেডিং ট্যাগ যাতে ব্যবহার না হয় তা মাথায় রাখতে হবে।

০৪. ক্রাউলার উপযোগী এসইও robots.txt ফাইলের ব্যবহার : 
ক্রাউলার (Crawler) হচ্ছে এক ধরনের কমপিউটার প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডাটাবেজে সংরক্ষণ (বা ক্রাউলিং) এবং সাজিয়ে (বা ইন্ডেক্সিং) রাখে। ক্রাউলার প্রোগ্রামকে প্রায় সময় ইন্ডেক্সার, বট, ওয়েব স্পাইডার, ওয়েব রোবট ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। গুগলের ক্রাউলারটি ‘গুগলবট’ নামে পরিচিত। গুগলবট নিরবচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেটে বিচরণ করে বেড়ায় এবং যখনই নতুন কোনো ওয়েবসাইট বা নতুন কোনো তথ্যের সন্ধান পায়, এটি গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে। robots.txt হচ্ছে এমন একটি ফাইল যার মাধ্যমে একটি সাইটের নির্দিষ্ট কোনো অংশকে ইন্ডেক্সিং করা থেকে সার্চ ইঞ্জিন তথা ক্রাউলারকে বিরত রাখা যায়। এই ফাইলটিকে সার্ভারের মূল ফোল্ডারের মধ্যে রাখতে হয়। একটি সাইটে এমন অনেক পৃষ্ঠা থাকতে পারে, যা ব্যবহারকারী ও সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের কাছে অপ্রয়োজনীয়, সেক্ষেত্রে এই ফাইলটি হচ্ছে একটি কার্যকরী সমাধান। গুগলের ওয়েবমাস্টার টুলস সাইট থেকে এই ফাইল তৈরি করা যায়।

nofollow wjsK সম্পর্কে সতর্কতা

গুগলবট একটি সাইটকে যখন ক্রাউলিং করতে থাকে, তখন সে সাইটে অন্য সাইটের লিঙ্ক পেলে সেখানে ভিজিট করে এবং সেই সাইটকেও ক্রাউলিং করে। এক্ষেত্রে একটি সাইটের পেজরেঙ্ক (পিআর)-এর ওপর অন্য সাইটের পেজরেঙ্কের প্রভাব পড়ে। এইচটিএমএল ট্যাগের ট্যাগের মধ্যে ‘rel’ এট্রিবিউটে ‘nofollow’ দিয়ে রাখলে গুগল সেই লিঙ্কে ভিজিট করা থেকে বিরত থাকে। nofollow লেখার নিয়ম হচ্ছে- Site Name। এটি মূলত বিভিন্ন ব্লগিং সাইটে পাঠকদের মন্তব্যে অবস্থিত লিঙ্কে ব্যবহার হয়, যা স্প্যামার বা অনাকাঙ্ক্ষিত ভিজিটরদেরকে তাদের সাইটের পেজরেঙ্ক বাড়ানো প্রতিরোধ করে। এটি অযাচিত মন্তব্য দিতে স্প্যামারদেরকে নিরুৎসাহিত করে। তবে যেসব ক্ষেত্রে স্প্যাম প্রতিরোধের ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে nofollow ব্যবহার না করাই ভালো। এতে পাঠকরা মন্তব্য দিতে উৎসাহিত হবে এবং সাইটের সাথে তাদের যোগাযোগ আরও বেশি হবে।

০৫. সঠিক পদ্ধতিতে ওয়েবসাইটের প্রচারণা এবং বিশ্লেষণ : 
একটি সাইটকে যখন অপর একটি সাইট লিঙ্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে তখন একে বলা হয় ব্যাকলিঙ্ক। একটি সাইটের ব্যাকলিঙ্ক যত বেশি হবে, গুগলের কাছে সেই সাইটের গুরুত্বও তত বাড়তে থাকবে এবং এর পেজরেঙ্কও বাড়তে থাকবে। ফলস্বরূপ সার্চের মাধ্যমে আরো বেশিসংখ্যক ব্যবহারকারী সাইটে আসবে। বেশি করে ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য ওয়েবসাইটে মানসম্মত তথ্য থাকা এবং এর সঠিক প্রচারণা প্রয়োজন। একটি সাইটে ভালো তথ্য থাকলে ব্যবহারকারীরা তাদের ওয়েবসাইটে স্বেচ্ছায় ব্যাকলিঙ্ক সংযুক্ত করবে। একটি ওয়েবসাইটের প্রচারণা দুই ধরনের হতে পারে- অনলাইন এবং অফলাইন। অনলাইন প্রচারণার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্লগিং। ওয়েবসাইটের সাথে একটি ব্লগ সংযুক্ত থাকলে এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের নতুন নতুন সার্ভিস বা পণ্যের সাথে ব্যবহারকারীদেরকে সহজেই পরিচয় করিয়ে দেয়া যায়। অনলাইন প্রচারণার মধ্যে আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্কিং ও কমিউনিটি সাইটে প্রচারণা। তবে এসব সাইটে প্রচারণার ক্ষেত্রে একটু সংযমী হওয়া প্রয়োজন। ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি নতুন তথ্য বা যে কোনো ছোটখাটো পরিবর্তন শেয়ার না করে বেছে বেছে ভালো তথ্যগুলো সবাইকে জানানো উচিত। অন্যথায় এটি অন্যদের বিরক্তির উদ্রেক করে। নিজের সাইটের সমজাতীয় কমিউনিটি সাইট বা বিভিন্ন ফোরামে প্রচারণা করা ভালো, তবে সেসব সাইটে অযথা পোস্ট দেয়া বা স্প্যামিং যাতে না হয়। অফলাইন প্রচারণার মধ্যে রয়েছে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন, বিজনেস কার্ড তৈরি, পোস্টার, লিফলেট, নিউজলেটার প্রকাশ ইত্যাদি।

ফ্রি ওয়েবমাস্টার টুলের ব্যবহার

গুগলসহ অন্যান্য জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনগুলো ওয়েবমাস্টারদের জন্য এসইও সহায়ক বিভিন্ন ফ্রি টুল দেয়। গুগলের ওয়েবমাস্টার টুলস সাইটের মাধ্যমে একজন ওয়েবমাস্টার তার সাইট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পারে, যা গুগলের সার্চ রেজাল্টে আরো ভালোভাবে ওয়েবসাইটটি উপস্থিত হতে সহায়তা করে। এই সাইট থেকে যেসব সার্ভিস বিনামূল্যে পাওয়া যায় সেগুলো হলো-

* গুগলবট একটি সাইটের কোনো অংশ ক্রাউলিং করতে না পারলে তা যায়।
* গুগলে একটি XML সাইটম্যাপ সাবমিট করা যায়।
* robots.txt ফাইল তৈরি করা যায়।
* title এবং description মেটা ট্যাগে কোনো সমস্যা থাকলে তা শনাক্ত করা যায়।
* যেসব সার্চ কিওয়ার্ডের ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সেগুলো সম্পর্কে জানা যায়।
* অন্য কোন কোন সাইট ব্যাকলিঙ্ক করেছে, তা জানা যায়।
* আরো নানা ধরনের বিশ্লেষণধর্মী টুল।

এখানে যদিও ‘সার্চ ইঞ্জিন’ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তথাপি একটি ওয়েবসাইটকে অপটিমাইজ বা উন্নত করার ক্ষেত্রে সাইটের ভিজিটরদের সুবিধার কথাই প্রথমে চিন্তা করা উচিত। কারণ, ভিজিটররাই হচ্ছে একটি সাইটের মূল ভোক্তা, কোন সার্চ ইঞ্জিন নয় আর তারা সাইটকে খুঁজে পেতে সার্চ ইঞ্জিনকে একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে মাত্র। এসইও একটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার এবং একটি চলমান প্রক্রিয়া। রাতারাতি একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় নিয়ে আসা যায় না। তবে নিয়মিত উন্নয়ন করতে থাকলে এর ফলাফল অনেক সুদূরপ্রসারী।

Source:http://technohelpbd.blogspot.com/2011/06/blog-post.html